সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল দুজনের

সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা উপজেলায় বজ্রপাতে দুজন নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন চারজন।

রোববার সকালে দেবহাটা উপজেলার পাতনার বিলে এবং সদরের খেজুরডাঙ্গায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের নারিকেলি গ্রামের পিয়ার আলীর ছেলে আব্দুল লতিফ (৪৫) এবং সদর উপজেলার খেজুরডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে ফারুক হোসেন (৪০)।

দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ বলেন, আব্দুল লতিফ প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ির পাশের পাতনার বিলে মাছের ঘেরে যান। এ সময় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তিনি একটি ঘরে আশ্রয় নেন। সেখানে বজ্রপাতে শরীর ঝলসে তিনি মারা যান। 

সদর থানার ওসি গোলাম কবির বলেন, সকাল ৮টায় খেজুরডাঙ্গা বিলে মাছের ঘেরে এস্কাভেটর দিয়ে মাটি কাটার সময় শ্রমিকরা বজ্রপাতের শিকার হন। এতে ঘটনাস্থলেই ফারুক মারা যান। আহত হন তিনজন। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তারা হলেন- খেজুরডাঙ্গা গ্রামের আমীর আলীর ছেলে ইরশাদ আলী (৩৫), মৃত ফটিক গাজীর ছেলে মহিদুল মজিদ (৪০), জোহর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৫০) ও এক্সক্যাভেটর চালক ঢাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মহিদুল মজিদ বলেন, “বিলে আমাদের মাছের ঘেরে এক্সক্যাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছিল। আমরা পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় শুরু হয় বৃষ্টি ও বজ্রপাত। আমরা নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আগেই বজ্রপাতে ফারুক মারা যান।”

লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন, ফারুকের মরদেহ তার খেজুরডাঙ্গার বাড়িতে রাখা হয়েছে।