পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

মনে হচ্ছে পুলিশই প্রতিপক্ষ: আলাল

  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2018-12-13 18:43:02 BdST

bdnews24
ঢাকার কমলাপুর এলাকায় বুধবার সকালে ঢাকা-৯ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের প্রচারে বাধা দেয় একদল যুবক; তখন পুলিশ থাকলেও সুরক্ষা পাওয়া যায়নি বলে বিএনপির অভিযোগ

ভোটের সময়ও বিএনপির নেতা, কর্মী, সমর্থকদের গ্রেপ্তারে তথ্য জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে নালিশ দিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এসে পাঁচটি চিঠি দিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেছেন, গ্রেপ্তার দেখে তাদের মনে হচ্ছে যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীই বিএনপির ‘প্রতিপক্ষ’।

বিকালে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল নালিশ জানিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তেই গাজীপুরে গ্রেপ্তার করা হয় দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনকে।

গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিলন গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী। পুরনো মামলার পরোয়ানায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চিঠি জমা দেওয়ার পর আলাল সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, “আমাদের কাছে কেন যেন মনে হচ্ছে, নির্বাচনটা ধানের শীষের সঙ্গে সরকারি দল আওয়ামী লীগের নয়; নির্বাচনটা মনে হচ্ছে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী পুলিশ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নামে যারা রয়েছেন তারা।”

পুলিশের ‘নির্বিকার’ অবস্থানের সমালোচনা করে ইসির কাছে প্রতিকার চেয়েছেন তিনি।

“আক্রমণের পর আক্রমণ হচ্ছে; যা ইচ্ছে তা করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের প্রটোকল দেওয়া হচ্ছে; নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। আর আমাদের ধরছেন, পেটাচ্ছেন, গ্রেপ্তার করছেন, সভা পণ্ড করছেন; আর তারা (পুলিশ) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন।”

ভোটের মাঠ থেকে সরে থাকা আলাল বলেন, “যেভাবে হামলা করা হচ্ছে, তাতে নির্বাচন করাটা দুরূহ হয়ে যাচ্ছে। কমিশন যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেন, সে আবেদনই জানিয়েছি আমরা।”

বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলটি নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করে সাক্ষাৎ না পেয়ে চিঠিগুলো ডেসপাস বিভাগে জমা দেন।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত চিঠিগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লেখা হয়েছে।

আলাল জানান, উত্তরায় ঐক্যফ্রন্টের সভামঞ্চ ভাংচুর ও মারধর, সভা পণ্ড করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর-২, ৩, ঢাকা-১, ২; নরসিংদী-২, ময়মনসিংহ-২, ৩, ১১; মাগুরা-১, ২; কুষ্টিয়া-৩, সিরাজগঞ্জ-২, ৩; পটুয়াখালী ১, মৌলভীবাজার-৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ৩, নেত্রকোণা-৩, মানিকগঞ্জ-১, ৩; চাঁদপুর-৪, নওগাঁ-২, রাজশাহী-৪ ও ৬ আসনে নেতারকর্মীদের গ্রেপ্তার-হয়রানি করা হচ্ছে।

ভোটের মাঠে সমান সুযোগ নিশ্চিতে এখন থেকে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। সেই সঙ্গে বিএনপি ও জোটের প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে সিইসির কাছে।

বিএনপি ও জোটের প্রার্থী যারা ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছে, তাদের পোস্টারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে আলাদা একটি চিঠিতে।

বিএনপির ওয়েবসাইট বন্ধ করার নিন্দা জানিয়ে দলটির পক্ষ থেকে দ্রুত খুলে দেওয়ার পদক্ষেপ নিতেও সিইসিকে আবেদন জানিয়েছে দলটি।

কোন নির্বাচনে
কোন আসনে কার অবস্থান কী