২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫

ডাকসু নির্বাচন ১১ মার্চ

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-01-23 18:57:00 BdST

bdnews24
ডাকসু নির্বাচন হয় না তিন দশক

ডাকসু নির্বাচনের জন্য আগামী ১১ মার্চ দিন ঠিক হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ডাকসুর সভাপতি হিসেবে তার ক্ষমতাবলে এই দিন ঠিক করেছেন বলে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১১ মার্চ সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “নির্বাচনের গঠনতন্ত্রের ৮(ই) ধারা অনুযায়ী ডাকসুর সভাপতি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আজ ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার নির্বাচনের এই তারিখ ও সময় নির্ধারণ করেন।”

এই ঘোষণা দেওয়ার আগে অধ্যাপক আখতারুজ্জামান হলগুলোর প্রাধ্যক্ষ এবং ডাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সভা করেন।

সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন হয়েছিলতিন দশক আগে; ১৯৯০ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি।

ডাকসুসহ বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় দেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের যথাযথ বিকাশ হচ্ছে না বলে রাজনীতিবিদরা হতাশা প্রকাশ করে আসছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে গিয়ে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করতে বলেছিলেন।

ডাকসু নির্বাচন চেয়ে আদালতে রিট আবেদন হয়েছিল, তাতে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা আসে গত বছর হাই কোর্ট থেকে।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনে ওই আদেশ স্থগিত করেছিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আপিল বিভাগ গত ৬ জানুয়ারি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিলে নির্বাচন আয়োজনের বাধা কাটে।

এর ফলে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যেই ডাকসু নির্বাচন করতে হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে।

এরপর নির্বাচনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমানকে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আরও পাঁচজনকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

নির্বাচনের জন্য ৭ অধ্যাপকের সমন্বয়ে একটি 'আচরণবিধি কমিটি'ও গঠন করা হয়েছে।

ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গেও মতবিনিময় করেছেন অধ্যাপক আখতারুজ্জামান। সেখানে ভোটার কারা হবে এবং ভোটকেন্দ্র কোথায় হবে, সে নিয়ে নানা মত এসেছে।

এসব চূড়ান্ত করার জন্য ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংস্কার করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে উপাচার্য জানিয়েছেন।