দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ বাড়াতে সংসদে বিল

  • সংসদ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-06-25 17:12:29 BdST

বহু আলোচিত ‘দ্রুত বিচার আইন’ আরও পাঁচ বছর চালু রাখার প্রস্তাব সংসদে উঠেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খাঁন কামাল মঙ্গলবার ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) (সংশোধন) বিল- ২০১৯’ সংসদে উত্থাপন করেন।

পরে বিলটি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

২০০২ সালে যখন দ্রুত বিচার আইন প্রথম সংসদে পাস হয়, সে সময় এ আইনের মেয়াদ ছিলো দুই বছর। পরে ছয়বারে এর মেয়াদ বাড়ানো হয় মোট ১৫ বছর। সর্বশেষ ২০১৪ সালে এর মেয়াদ ৫ বছর বাড়ানো হয়, যা গত ৯ এপ্রিল শেষ হয়েছে।

সংসদে যে বিল তোলা হয়েছে তা পাস হলে এ আইনটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে যখন দ্রুত বিচার আইন করা হয় তখন বিরোধী দলে থাকা আওয়ামী লীগ এর সমালোচনা করেছিল।

এরপর বিভিন্ন সময়ে এ আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়; আওয়ামী লীগ সরকারও আইনটি রেখে দিচ্ছে।

আইনটি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছিল, চাঁদাবাজি, যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতি সাধন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও সন্ত্রাস সৃষ্টি, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র কেনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধ দ্রুততার সঙ্গে বিচারের জন্য এ আইন।

এ আইনে দোষী প্রমাণিত হলে দুই থেকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। প্রতি জেলায় গঠিত এক বা একাধিক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ আইনের মামলার বিচার চলে।

দ্রুত বিচার আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করার বিধান আছে। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না গেলে আরও ৬০ দিন সময় পাওয়া যায়।