২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

ব্যবসায়ী নূর আলীকে দুদকে তলব

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-07-22 20:03:37 BdST

bdnews24

বনানী ডিসিসি-ইউনিক কমপ্লেক্স নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূর আলীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তাকে ৩১ জুলাই সকাল ১০টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে সোমবার সংস্থাটির উপ-পরিচালক এস এম আখতার হামিদ ভূঞা নোটিস দিয়েছেন।

নোটিসে বলা হয়, “বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠান ঢাকা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি করে, উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে ১৪ তলা ভবনের স্থলে ৩০ তলা ভবনের ২৮ তলা নির্মাণ করা হয়।”

বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জমিতে অবস্থিত বাণিজ্যিক ভবনটি নির্মাণ বোরাক রিয়েল এস্টেট।

দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, বনানীতে ১৪ তলা ভবনটি নির্মাণে বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে ১৯৯৮ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের চুক্তি হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ভবনটি ২৮ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করে।

বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্স নির্মাণে বোরাক রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে ৭০:৩০ অংশীদারিত্বে চুক্তি করে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে সংসদীয় কমিটির পর্যবেক্ষণ। ভবনটির ১৪তলা পর্যন্ত নির্মাণের পর বোরাক ৩০ তলা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাতে অনুমোদন দেয়নি।

এর আগে ২০১২ সালে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া এ ভবন নির্মাণের দায়ে বোরাক রিয়েল এস্টেটকে ৩২ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি কাজও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের তৎকালীন পরিচালক (এখন দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিমের সমন্বয়ক ও প্রশাসন শাখার মহাপরিচালক) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী তখন বলেছিলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ অনুযায়ী ভবন নির্মাণের আগে অবস্থানগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। এছাড়া সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বন্দোবস্ত চুক্তিতে ১৪ তলা ভবন নির্মাণের উল্লেখ রয়েছে। ৩০ তলা ভবন নির্মাণের কথা উল্লেখ নেই।

এ ধরনের প্রকল্পের জন্য সবুজ এলাকা, উন্মুক্ত স্থান, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন, গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জকল্পে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকা অত্যাবশ্যক বলেও জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে নূর আলীকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।