পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

পদ ছাড়লেন আবরারের হলের প্রাধ্যক্ষ, ভিসিরও পদত্যাগ দাবি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-10-09 15:50:32 BdST

bdnews24
উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে বুধবার ক্যাম্পাসে সমাবেশ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষক সমিতি। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

আবরার ফাহাদকে হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন শেরে বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাফর ইকবাল খান।

উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পদত্যাগের দাবি তুলেছে বুয়েট শিক্ষক সমিতি। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সমিতি ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের পক্ষেও অবস্থান জানিয়েছে।

আগের দিনের মতোই বুধবার সকাল থেকে বুয়েটের শহীদ মিনার চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে শিক্ষার্থীরা। সেখানে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে তুলে ধরা হয়েছে নতুন ১০ দফা দাবি।

১১ অক্টোবরের মধ্যে শেরে বাংলা হলের প্রভোস্টকে প্রত্যাহার, আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, জড়িতদের বুয়েট থেকে আজীবন বহিষ্কারের পুরনো দাবির সঙ্গে অবিলম্বে আবরার হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া এবং ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবি জানায় তারা।

এসব দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থানে এসে বেলা আড়াইটার দিকে বুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম মাসুদ জানান, আবরার হত্যা ঠেকাতে ’ব্যর্থতার দায়’ নিয়ে পদত্যাগ করেছেন শেরে বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাফর ইকবাল।

রোববার গভীর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরারের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক কয়েকটি চুক্তি নিয়ে ফেইসবুকে মন্তব্যের সূত্র ধরে শিবির সন্দেহে আবরারকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে বলে হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে বুয়েটের শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা।

আবরারের বাবা কুষ্টিয়াবাসী অবসরপ্রাপ্ত ব্র্যাককর্মী বরকতুল্লাহ মোট ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর সাংগঠনিক তদন্তের ভিত্তিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি তাদের বুয়েট শাখার ১১ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করেছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে মঙ্গলবারই একাত্মতা প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিল বুয়েট শিক্ষক সমিতি।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সমিতির সাধারণ সভা থেকে বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিও জানানো হয়।

সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে বুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মাসুদ বলেন, “উপাচার্যের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে শিক্ষক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুয়েটে আগের বিভিন্ন ঘটনায় ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে আজকের এই অবস্থা হয়েছে।

“আমরা উনাকে এসব ঘটনার জন্য দায়ী করছি। উনাকে বুয়েট থেকে পদত্যাগ করতে হবে। আমরা পদত্যাগ দাবি করছি। উনি যদি পদত্যাগ না করেন, সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে উনাকে যেন অপসারণ করা হয়।”

এদিকে বুধবার কুষ্টিয়ায় আবরারের গ্রামে গিয়ে তার কবর জিয়ারতের পর সাংবাতিকদের প্রশ্নে পদত্যাগে নিজের অনীহার কথা জানান উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ‘নিষিদ্ধ’ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, “তোমরা যে রকম দাবি করেছ, ছাত্রদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার জন্য, আমরা সকল প্রকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ শিক্ষক-ছাত্র রাজনীতির কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় অধ্যাপক মাসুদ বলেন, “এ ব্যাপারে আমাদের সার্বিক যে অবস্থা, তোমরা জানো যে, আমাদের ছাত্র রাজনীতির অবক্ষয় হতে হতে এই পর্যায়ে এসেছে। আমাদের ভালো ছেলেরা যারা রাজনীতির কারণে খারাপ হয়ে যাচ্ছে, তারাও কিন্তু ভালো হিসাবে এখানে এসেছে। যে কালচার তৈরি হয়েছে, সেটা থেকে ফেরার জন্য এটা ছাড়া আমাদের আর উপায় নাই।”

শিক্ষক সমিতির এই সিদ্ধান্ত কীভাবে কার্যকর হবে, তার কোনো সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা আসেনি।

নিজেদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও কামনা করেন অধ্যাপক মাসুদ।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে দুজন সকালের সংবাদ সম্মেলনে ১০ দফা দাবি পড়ে শোনান।

তাদের একজন প্রতিনিধি বলেন, “বেঁধে দেওয়া সময়ে দাবি পূরণ না করা হলে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাসহ সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের ১০ দফা

>> আবরার ফাহাদের খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুসারে শনাক্ত খুনিদের প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

>> সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জড়িতদের শনাক্ত করে শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার করতে হবে।

>> মামলার সব খরচ এবং আবরারের পরিবারের ক্ষতিপূরণ বুয়েট প্রশাসনকে বহন করতে হবে। শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করতে হবে।

>> দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে স্বল্পতম সময়ে আবরার হত্যা মামলার নিষ্পত্তি করার জন্য বুয়েট প্রশাসনকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। বুয়েট প্রশাসনকে সক্রিয় থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া নিয়ামত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং নিয়মিত ছাত্রদের তথ্য দিতে হবে।

>> আবরার হত্যা মামলার অভিযোগপত্রের কপি অবিলম্বে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করতে হবে।

>> বুয়েটে ‘সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি’ নিষিদ্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরে বুয়েটে হলে হলে ‘ত্রাসের রাজনীতি’ কায়েম করে রাখা হয়েছে। জুনিয়র ব্যাচকে সবসময় ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে রাজনৈতিক মিছিল মিটিংয়ে যুক্ত করা হয়েছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে কোনো সময় যে কোনো হল থেকে সাধারণ ছাত্রদের হল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে হলে হলে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংগঠনের এহেন কর্মকাণ্ডে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা ক্ষুব্ধ। তাই ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বুয়েটে সকল রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

>> বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কেন ৩০ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরও ঘটনাস্থলে যাননি এবং ৩৮ ঘণ্টা পরে উপস্থিত হয়ে কেন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেছেন, কোন তিনি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেছেন, তাকে ক্যাম্পাসে এসে বুধবার দুপুর ২টার  মধ্যে জবাবদিহি করতে হবে।

>> আবাসিক হলগুলোতে র‌্যাগের নামে এবং ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর সকল প্রকার শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং এ ধরনের সন্ত্রাসে জড়িত সকলের ছাত্রত্ব প্রশাসনকে বাতিল করতে হবে। একই সাথে আহসানউল্লাহ হল এবং সোহরাওয়ার্দী হলের পূর্বের ঘটনাগুলোতে জড়িত সকলের ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে ১১ অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে।

>> আগে ঘটা এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ এবং পরবর্তীতে তথ্য প্রকাশের জন্য একটি কমন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে  কোনো ওয়েবসাইট বা ফর্ম থাকতে হবে এবং নিয়মিত প্রকাশিত ঘটনা রিভিউ করে দ্রুততম সময়ে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বুয়েটের বিআইআইএস অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। ১১ অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রদর্শন করতে হবে এবং পরবর্তী ১ মাসের মধ্যে কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবগুলো হলের প্রত্যেক ফ্লোরের সবগুলা উইংয়ের দুই পাশে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করতে হবে।

>> রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে আবাসিক হল থেকে ছাত্ৰ উৎখাতের ব্যাপারে নীরব থাকা এবং ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হওয়ায় শেরে বাংলা হলের প্রভাস্টকে ১১ অক্টোবর বিকাল ৫টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে।

আবরার ফাহাদ স্মরণে বুধবার রাতে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি মিছিল ক্যাম্পাস ঘুরে শেষ হয় বুয়েট শহীদ মিনারে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

আবরার ফাহাদ স্মরণে বুধবার রাতে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি মিছিল ক্যাম্পাস ঘুরে শেষ হয় বুয়েট শহীদ মিনারে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

দিনভর অবস্থান চলার মধ্যে ক্যাম্পাসে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা ৭টায় মোমবাতি হাতে মৌন মিছিল বের করেন তারা।

বুয়েট ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার বুয়েট মিনারে এসে শেষ হয় মিছিল। সেখানে আবরার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পুনরায় বুয়েট শহীদ মিনারে অবস্থান শুরুর ঘোষণা দিয়ে তৃতীয় দিনের মতো কর্মসূচি শেষ করেন শিক্ষার্থীরা।

তোপের মুখে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক

দুপুরে শিক্ষক সমিতি নেতাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি এলাকায় এসে তোপের মুখে পড়েন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে বুধবার বুয়েটের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে বুধবার বুয়েটের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

আবরারকে হত্যার দিন সিসিটিভ ফুটেজের স্ক্রিনশট দিয়ে ছাপানো একটি ডিজিটাল ব্যানার সেখানে প্রদর্শন করেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক মিজানও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় এক প্রশ্নে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক দাবি করেন, আবরারকে হত্যা করার পর যা যা করার ছিল, তাই করেছে প্রশাসন।

”তবে কিছু ছাত্র ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ঘটনা তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল।”

‘এই ছাত্র কারা, কোন রাজনৈতিক দলের, সেই নাম বলেন’- এমন দাবি জানালে অধ্যাপক মিজান কোনো উত্তর দেননি।

অতীতে ছাত্রলীগের কর্তৃক র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতন বিষয়েও একে একে প্রশ্ন করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নে নির্যাতন বন্ধে নিজের অসহায়ত্বের প্রকাশ ঘটান অধ্যাপক মিজান। ”আমরা চেষ্টা করি, কিন্তু ফেরে উঠি না। অনেক সময় তথ্যও আমার কাছে আসে না,” বলেন তিনি।

ব্যর্থতার দায় নিয়ে দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন না কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ”দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আমরা যদি এভাবে চলে যাই, তাহলে এই অবস্থায় কোনো শিক্ষক দায়িত্ব নেবে না।”

শিক্ষার্থীদের বহু প্রশ্নে সদুত্তর দিতে না পেরে এবং ভুয়া ভুয়া স্লোগানের মধ্যে মানববন্ধনের কথা বলে তাকে সেখান থেকে রক্ষা করেন বুয়েট শিক্ষক সমিতি সভাপতি।

আগের দিন মঙ্গলবার ব্যর্থতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নে উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে জর্জরিত করেছিল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষক সমিতি ও সাবেকদের মানববন্ধন

আবরার হত্যার প্রতিবাদে বুয়েট ক্যাম্পাসে পৃথক মানববন্ধন করেছে বুয়েট শিক্ষক সমিতি ও বুয়েটের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

আবরার ফাহাদের খুনিদের বিচারের দাবিতে বুধবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

আবরার ফাহাদের খুনিদের বিচারের দাবিতে বুধবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বুয়েট শহীদ মিনারে হয় শিক্ষকদের মানববন্ধন। সেখানে শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে।