করোনাভাইরাস: ডিসিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

  • শহীদুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-03-30 14:22:57 BdST

bdnews24
ফাইল ছবি

নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী সামলাতে মাঠ প্রশাসন কীভাবে কাজ করছে তা জানার পাশাপাশি তাদের দিকনির্দেশনা দিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে ডিসিদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন।

সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে সকল বিভাগীয় কমিশনারদের ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত করা হবে। বিভাগীয় কমিশনাররা তাদের আওতাধীন জেলার ডিসিদের যুক্ত রাখবেন।

“প্রধানমন্ত্রী যখন যে ডিসির সঙ্গে কথা বলতে চাইবেন তখন সেই ডিসিকে যুক্ত করা হবে। এভাবে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।”

বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিসিরা কীভাবে কাজ করছেন সে বিষয়ে জানবেন সরকারপ্রধান। এছাড়া এই সময় তাদের কীভাবে কাজ করতে হবে এবং অসহায়দের কাছে কীভাবে খাবার পৌঁছে দিতে হবে সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দেবেন বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

সরকারের আরেকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সম্পৃক্ত বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিবদেরও মঙ্গলবারের ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত রাখা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা ওই ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকবনে বলে জানান ওই মন্ত্রী।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ২৬ মার্চ থেকে দেশে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সেই সঙ্গে সড়ক, নৌ, আকাশ পথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রেখে সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।

এই অবরুদ্ধ দশার মধ্যে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ যেন খাদ্য সঙ্কটে না পড়ে সে বিষয়ে ২৫ মার্চ রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।  

তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের ‘ঘরে-ফেরা’ কর্মসূচির আওতায় নিজ নিজ গ্রামে সহায়তা প্রদান করা হবে।

গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, ৬ মাসের খাদ্য এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। জেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভাষাণচরে ১ লাখ মানুষের থাকার ও কর্মসংস্থান উপযোগী আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে কেউ যেতে চাইলে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিনামূল্যে ভিজিডি, ভিজিএফ এবং ১০ টাকা কেজি দরে চাল সরবরাহ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একইভাবে বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা ও দেওয়া হচ্ছে।