গুলশান ও পোস্তগোলায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-20 13:15:09 BdST

ঢাকার গুলশান এবং পোস্তগোলা সেতুতে অবস্থান নিয়ে বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার কয়েকশ শ্রমিক।

শ্যামপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত আবু আনছার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘সাত থেকে আটশ’ শ্রমিক বুধবার ভোরে পোস্তগোলা সেতু ও মূল সড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পুলিশের সহকারী কমিশনার (শ্যামপুর) শাহ আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সিভিক অ্যাপারেলস নামের একটি কারখানা এবং আলম মার্কেটের পোশাক শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে ওখানে বিক্ষোভ করছে। তারা বেতন আর ঈদ বোনাসের দাবি জানাচ্ছে।”

পুলিশ সেখানে শ্রমিকদের বোঝানোর চেষ্টা করছে এবং মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলেও জানান শাহ আলম।

এ বিষয়ে সিভিক অ্যাপারেলস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানতে পারেনি।  

এদিকে গুলশান এক নম্বর মোড়ে সমশের অ্যাপারেলস নামের একটি কারখানার তিন শতাধিক শ্রমিক সকালে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে বলে গুশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, সকাল ১০টার কিছু আগে তারা রাস্তায় নামে এবং শতভাগ বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ করে।”

পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের প্রতিনিধি এসে শ্রমিকদের ‘বুঝিয়ে নিয়ে’ চলে যায় জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকরা রাস্তা ছেড়ে চলে যায়। বিক্ষোভের কারণে আধা ঘণ্টার মত যানচলাচল বিঘ্নিত হয়।”

এর আগে ঢাকার মিরপুরে ওপেক্স গ্রুপের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মঙ্গলবার বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে।

বিজিএমইএর একজন কর্মকর্তা মঙ্গলবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মালিক-শ্রমিক-সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে তিনটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। মে মাসের বেতন দেওয়া হবে জুন মাসের প্রথম সাত কর্মদিবসে। ঈদের ছুটিতে শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়া-আসা ঠেকাতে ছুটি দেওয়া হবে মাত্র তিন দিন। আর বোনাসের ৫০ শতাংশ এখন দিয়ে বাকি ৫০ শতাংশ পরে ‘সক্ষমতা অনুসারে’ দেবেন কারখানা মালিকরা।

“এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যারা কারখানায় অনুপস্থিত, তাদেরও এপ্রিল মাসের বেতনের ৬০ শতাংশ দেওয়া হবে। আমার জানামতে, বেশিরভাগ কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন দিয়েছে। এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে মে মাসের বেতন ও বোনাস নিয়ে। অনেক কারখানায় বোনাসের ৫০ শতাংশ দিচ্ছে, আবার অনেকে শতভাগ বোনাস দিয়ে দিচ্ছে।”