ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের শহীদ উল্লাহ রিমান্ডে

  • আদালত প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-07-07 23:20:57 BdST

bdnews24
করোনাভাইরাস মহামারীকালে অফিস গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী নিপা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার ঢাকায় ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে তাদের সাংবাদিকদের সামনে আনা হয়।

করোনাভাইরাস মহামারীকালে বিনিয়োগকারীদের টাকা আত্মসাত করে অফিস গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদ উল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

সেই সঙ্গে শহীদ উল্লাহর স্ত্রী নিপা সুলতানা নুপুরকে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল।

গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ হোসেন মঙ্গলবার শহীদ উল্লাহকে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পল্টন থানায় দায়ের করা প্রতারণার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে বিচারক ধীমান চন্দ্র মণ্ডল একদিনের হেফাজতে নিয়ে আসামি শহীদ উল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কমকর্তা এস আই মোতালেব হোসেন জানান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, শহীদ উল্লাহ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদের স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

শহীদ উল্লাহর আইনজীবীরা শুনানিতে রিমান্ডের বিরোধিতা করলেও তা ধোপে টেকেনি।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে অফিস গুটিয়ে লাপাত্তা হওয়া শহীদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী নিপা সুলতানা নুপুরকে সোমবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আবদুল বাতেন মঙ্গলবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারেজ হাউজ ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের মাধ্যমে প্রায় ২২ হাজার বিও হিসাবধারী শেয়ার কেনাবেচা করতেন।

“গ্রেপ্তাররা তাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২২ হাজার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর অগোচরে ১৮ কোটি টাকা অন্য এক হিসাবে সরিয়েছেন। গত ২২ জুন ব্রোকারেজ হাউজ বন্ধ করে তারা পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় পল্টন থানায় তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে।”

গোয়েন্দা কর্মকর্তা বাতেন সেদিন সাংবাদিকদের বলেন, মুনাফা দেওয়ার শর্তে আরও ৪৪-৪৫ জনের কাছ থেকে ৩০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন শহীদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী। ওই টাকা আত্মসাৎ করতেই তারা আত্মগোপন করেন।