পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-07-10 22:12:19 BdST

bdnews24

বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান জানিয়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস-আইসিসিআর।

শনিবার আইসিসিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুই দেশের বোঝাপড়া বাড়ানোই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য।

আগামী সোমবার আইসিসিআরের মহাপরিচালক দিনেশ কে পাটনায়েক এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক পি সি জোশী ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবেন। আপাতত এর মেয়াদ হবে পাঁচ শিক্ষাবর্ষ।

বাংলাদেশ বিষয়ে অভিজ্ঞ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশি অধ্যাপক বা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে এই ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ পরিচালিত হবে। এর আওতায় যেসব গবেষণা হবে, তাতে ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং নৃবিজ্ঞান, বৌদ্ধশিক্ষা, ভূগোল, ইতিহাস, আধুনিক ভারতীয় ভাষা, সংগীত, চারুকলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজবিজ্ঞানর মত বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে আটক হওয়ার ঠিক আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর শুরু হয় প্রবাসী সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীও এ যুদ্ধে সরাসরি যুক্ত হয়। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত মিত্রবাহিনীর কাছে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। যুদ্ধে কয়েক হাজার ভারতীয় সেনা শহীদ হন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর জোড়া আয়োজনে অংশ নিতে গত মার্চে বাংলাদেশ সফর করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সে সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রতিষ্ঠার ওই সিদ্ধান্ত হয়।

আইসিসিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে শিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিনিময় শক্তিশালী হবে।”