পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

লাইসেন্স না দেখানোয় রাইদা পরিবহনের চালককে আটকাল শিক্ষার্থীরা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-12-01 17:42:05 BdST

bdnews24

হাফ ভাড়ার দাবির অনেকটা বাস মালিকরা মেনে নিলেও ঢাকার রামপুরায় বুধবারও সড়কে ছিল শিক্ষার্থীরা। আর এসময় রাইদা পরিবহনের এক চালক লাইসেন্স না দেখানোয় তাকে ধরে পুলিশে দিয়েছে তারা।

গত সোমবার রামপুরায় বাসের চাপায় নিহত হয়েছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. মাঈনউদ্দিন। তার প্রতিবাদে মঙ্গলবারও সড়কে বিক্ষোভে ছিল শিক্ষার্থীরা।

বুধবারও শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন বাস থামিয়ে চালকের লাইসেন্স দেখতে চাইছিল। দুপুর আড়াইটায় পশ্চিম হাজীপাড়া এলাকায় ডিআইটি রোডে লাইসেন্স পরীক্ষার সময় দিয়াবাড়ি-পোস্তগলা রুটের রাইদা পরিবহনের একটি বাসের চালককে আটকায়।

লাইসেন্স না দেখিয়ে চালক জাহাঙ্গীর বাসটি চালিয়ে যেতে থাকলে শিক্ষার্থীরা বাসটিকে আটকে চালককে নামিয়ে মারধর শুরু করলে সেখানে উপস্থিত হয় রামপুরা থানা পুলিশ।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত রামপুরা থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রতিদিনের মতো শিক্ষার্থীরা আজও গণপরিবহনের লাইসেন্স চেক করছিল। কিন্তু রাইদা পরিবহনের বাসটি রাস্তায় না থামায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে যায় এবং চালককে বাস থেকে নামিয়ে মারধর করে। তাদের বুঝিয়ে চালককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।"

তবে ওই চালকের লাইসেন্স রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা রফিক জানান। তবে তিনি বলেন, বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

প্রায় পৌনে একঘণ্টা বাক-বিতণ্ডার পর পুলিশ শিক্ষার্থীদের রাস্তা ছাড়ার অনুরোধ করলে দুপুর পৌনে ৩টায় শিক্ষার্থীরা ওই এলাকা ছাড়ে।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, “রাইদা পরিবহনেরই এত সমস্যা কেন? কিছুদিন আগে এই বাস থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। বাসগুলো বেপরোয়াভাবে চলবে, আর প্রাণ যাবে শিক্ষার্থীদের!”

গত সোমবার ঢাকার রামপুরায় ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজের এক শিক্ষার্থীকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে রাইদা পরিবহনের ৪০টি বাস দুই ঘণ্টা আটকে রেখেছিল তার সহপাঠীরা।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর রাইদা পরিবহনের একটি বাসের এক কর্মী আরেক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তখনও রাইদা পরিবহনের ৫০টি বাস আটকে রেখেছিল শিক্ষার্থীরা।