২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫

ব্যাংক সুদহার এক অঙ্কে নামাতে ফের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

  • সংসদ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-02-17 22:18:54 BdST

bdnews24

উদ্যোক্তাদের সুবিধায় ব্যাংক ঋণে সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার আশ্বাস আবার দিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সরকারের তৎপরতায় ইতোমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ ব্যাংক সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে এনেছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, সব ব্যাংকে সুদের হার শতকরা ৯ ভাগে নামিয়ে আনতে সরকার ‘বদ্ধপরিকর’।

রোববার সংসদে এক নোটিসের জবাব দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী একথা বলেন। বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁর ৭১ বিধিতে নোটিসটি এনেছিলেন।

ব্যাংক ঋণে সুদের হার নিয়ে ব্যবসায়ীরা অসন্তোষ জানিয়ে আসছিল। রোববারই এক সভায় সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে সরকারের সঙ্গে দর কষাকষির জন্য এফবিসিসিআই নেতাদের পরামর্শ দেন ব্যবসায়ীরা।

নোটিসে জাতীয় পার্টির নেতা রাঙ্গাঁ বলেন, সরকারের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দেশের ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদের হার এখনও এক অঙ্কের ঘরে নেমে আসেনি।

উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বক্তব্যটি পুরোপুরি সত্য না হলেও আংশিক সত্য।”

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক ঋণে সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেলেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, “সেই নির্দেশনার ফলশ্রুতিতে এরইমধ্যে দেশের ২১টি ব্যাংক ঋণের উপর সুদ হার এক অংকের ঘরে তথা শতকরা ৯ ভাগে নামিয়ে এনেছে। এবিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য সকল ব্যাংকগুলোর সাথে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

“আশা করা যাচ্ছে, বাকি ব্যাংকগুলোও প্রদত্ত ঋণের সুদ হার অল্প সময়ের মধ্যে এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনতে সক্ষম হবে।”

বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি ব্যাংক ঋণে অব্যবসাবান্ধব অতিরিক্ত সুদ হার ধার্য করা হলে দেশের অর্থনীতি সাবলীলভাবে এগিয়ে যেতে পারে না। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বাধাপ্রাপ্ত হয় আমাদের কর্মসংস্থান। সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক অবস্থার সৃষ্টি হয়।”

খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে সরকারের তৎপরতার বিষয়টি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা ঘোষণা দিয়েছি ক্লাসিফাইড ঋণের পরিমাণ আর বাড়বে না। ঋণ খেলাপির সংস্কৃতি দীর্ঘকাল ধরে আমাদের এই সমাজে বহমান। আমরা সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। আমি আশ্বস্ত করতে পারি আমরা সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসব। আমাদের ঋণের পরিমাণ বাড়বে না।”