বাম্পার ফলনের পর পেঁয়াজ রপ্তানি শুরু করছে ভারত

  • নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-02-27 00:36:40 BdST

bdnews24
ভারতের পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে অস্থির বাংলাদেশে এই পণ্যের বাজার।

উৎপাদন সঙ্কটে পড়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পাঁচ মাস পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত সরকার।

এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন ভারতের খাদ্যমন্ত্রী  রাম বিলাস পাসোয়ান।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশে এই পণ্যের বাজারে দেখা দেয় অস্থিরতা। এই নিত্যপণ্যের দাম প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা থেকে আড়াইশ’ টাকায় উঠে যায়।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার চীন, তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার থেকে আমদানি করে বাজার সামলানোর চেষ্টা চালালেও পেঁয়াজের দর এখনও একশ কেজির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে।

এর মধ্যেই ভারত থেকে ফের পেঁয়াজ আমদানির পথ খুলল।

বুধবার এক টুইটে পাসোয়ান বলেন, “যেহেতু পেঁয়াজের বাজার এখন স্থিতিশীল, ফলনও হয়েছে বাম্পার, তাই সরকার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

তিনি জানান, এ মৌসুমে ভারতে প্রতিমাসে ক্ষেত থেকে ৪০ লাখ টনের মতো পেঁয়াজ উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে গত বছর উঠত মাসে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টন।

পেঁয়াজ নিয়ে ধুঁকছে ভারতও

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো ভারত  

রাঁধুনীকে বলে দিয়েছি, রান্নায় পেঁয়াজ বন্ধ: দিল্লিতে শেখ হাসিনা

প্রতিবেশীর সমস্যা ভারত আমলে নেয় না: কৃষিমন্ত্রী  

পেঁয়াজ নিয়ে নানা মত

পেঁয়াজে আমাদের ভুল থাকতে পারে: কৃষিমন্ত্রী

বাংলাদেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৮ লাখ টন বলে ধরা হয়। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ১৮ লাখ টনের মতো। চাহিদার বাকিটা ভারত থেকে আমদানি করে মেটানো হচ্ছিল।

গতবার ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে দেশের ব্যবসায়ীরা মজুদ রেখে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগ ওঠে।