রেল ট্রানজিট পাচ্ছে নেপাল

  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-08-10 22:25:08 BdST

bdnews24
সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রেলপথে নেপালকে ট্রানজিট সুবিধা দিতে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য একটি প্রটোকল সংশোধনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “১৯৭৬ সাল থেকে নেপালের সঙ্গে আমাদের দ্বিপক্ষীয় ট্রানজিট এগ্রিমেন্ট আছে। সেই ট্রানজিট এগ্রিমেন্টের মধ্যে নেপাল একটি রিকোয়েস্ট করেছে আমাদের রোহনপুর আর ভারতের সিঙ্গাবাদ হয়ে যে রেলপথ আছে সেখানে আরেকটি ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার জন্য।

“১৯৭৬ সাল থেকেই এই প্রোটোকলটা আছে, নতুন আরেকটা ওপেন হল। রোহনপুর ও সিঙ্গাবাদ রেলপথের মাধ্যমে তারা মালামাল আনতে ও নিতে পারে সেটা।”

এই সংশোধনীর প্রস্তাব অনুমোদন পেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোহানপুর থেকে ভারতের সিঙ্গাবাদ হয়ে নেপালের বীরগঞ্জ পর্যন্ত রেলপথে পণ্য পরিবহন সুবিধা চালু হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, “নেপাল আমাদের সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট ব্যবহার করতে চায়। এটা আলোচনা চলছে, আজকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওই ভাবে আর উপস্থাপন করতে পারেনি। যদি এটায় এগ্রি হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে সেই প্রস্তাবও মন্ত্রিসভায় আসবে, আরেকটা অ্যামেন্ডমেন্ট আসবে।”

সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য একটি চুক্তির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আমাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অনেক যোগাযোগ আছে। সেই যোগাযোগের ক্ষেত্রে কাস্টমস একটি বড় ফ্যাক্টর। সেজন্য সৌদি আরবের শুল্ক সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান, শুল্ক ফাঁকি রোধে সহযোগিতা করা। কীভাবে বাণিজ্য সহজ করা যায়, যদি আমরা কাস্টমস ডিউটিগুলো সহজ করে ফেলতে পারি।

“এই চুক্তি করলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়বে। দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সুসংহত হবে। দুই দেশ অনলাইনে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে। পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও রাখবে এটা।”

আনোয়ারুল বলেন, “দুই দেশের অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও অন্যান্য স্বার্থ রক্ষায় এটা কার্যকর হবে। গোয়েন্দা কার্যক্রমের বিষয়ে দুই দেশ পরস্পরকে সাহায্য করতে পারবে। আমাদের দেশের কাস্টমস বিভাগের দক্ষতা বাড়াতেও সৌদি আরব সহায়তা করবে।”