পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

ভারতে এক দিনে সাড়ে ২৭ হাজার কোভিড রোগী শনাক্ত

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2022-01-02 13:00:08 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের দাপটের মধ্যে ভারতে দ্রুত বাড়ছে সংক্রমণ, এক দিনে দিনে শনাক্ত হয়েছে ২৭ হাজার ৫৫৩ জন নতুন রোগী।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, নতুন রোগীদের নিয়ে ভারতে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩ কোটি ৪৮ লাখে। আগের দিন আরও ২৮৪ জনের মৃত্যুতে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৭০ জনে। 

এনডিটিভি জানিয়েছে, নয়া দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতার মত ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে মহামারী পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে দ্রুত। গত নভেম্বরে ভারতে ওমিক্রনের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫২৫ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫৬০ জনই মহারাষ্ট্র আর দিল্লির বাসিন্দা।

ভারতের ২৩টি রাজ্যে ইতোমধ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। দৈনিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশে।  

কেবল দিল্লিতেই রোববার ২ হাজার ৭১৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে দ্বিগুণ। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার সেখানে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ।  

ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় দিল্লির পাশের শহর হরিয়ানায় সিনেমা হল আর গুরগাঁওয়ের ক্রীড়া কমপ্লেক্সগুলো ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে স্কুলে।    

নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্রীয় সরকার ইতোমধ্যে রাজ্য সরকারগুলেকে অস্থায়ী হাসপাতাল আর বিশেষ মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করতে বলেছে, যাতে রোগীর চাপ আরও বেড়ে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে গতবছর বসন্তে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিল ভারত। এক পর্যায়ে এক দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার লাখও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

সেই ধাক্কা সামলে গত কয়েক মাস দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের নিচেই ছিল। এখন ওমিক্রন আবার সংক্রমণের হার বাড়িয়ে তুলেছে। 

গত নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের এ ধরনটি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ১০৬টি দেশে। ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে আধিপত্য বিস্তার করেছে ওমিক্রন।   

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের টিকাগুলোর দুই ডোজ নতুন এই ধরনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারছে না। তবে কয়েকটি টিকার তৃতীয় ডোজ ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় বুস্টার ডোজের তোড়জোড় চলছে বিভিন্ন দেশে।