১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬

সাকিবের নৈপুণ্যে শেষ চারের লড়াইয়ে থাকল বাংলাদেশ

  • অনীক মিশকাত, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-06-24 14:58:52 BdST

আফগানিস্তান চেয়েছিল অনুজ্জ্বল সাকিব আল হাসানকে। হলো উল্টো। ব্যাটে-বলে নিজেকে মেলে ধরলেন তিনি। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আফগানিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়ে জয়ে ফিরলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের ৬২ রানের জয়

ব্যাটে-বলে নিজেদের মেলে ধরল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়ে জয়ে ফিরল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

২৬২ রান তাড়ায় ৪৭ ওভারে ২০০ রানে অলআউট হয়ে যায় গুলবাদিন নাইবের দল। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে আফগানদের হারাল বাংলাদেশ। গত আসরে জিতেছিল ১০৫ রানে।

৭ ম্যাচে তৃতীয় জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের একটি ম্যাচ ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। সাত ম্যাচ খেলে সবকটিতে হেরেছে আফগানিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৬২/৭ (লিটন ১৬, তামিম ৩৬, সাকিব ৫১, মুশফিক ৮৩, সৌম্য ৩, মাহমুদউল্লাহ ২৭, মোসাদ্দেক ৩৫, সাইফ ২*; মুজিব ১০-০-৩৯-৩, দৌলত ৯-০-৬৪-১, নবি ১০-০-৪৪-১, গুলবাদিন ১০-১-৫৬-২, রশিদ ১০-০-৫২-০, রহমত ১-০-৭-০)

আফগানিস্তান: ৪৭ ওভারে ২০০ (গুলবাদিন ৪৭, রহমত ২৪, শাহিদি ১১, আসগর ২০, নবি ০, শিনওয়ারি ৪৯*, ইকরাম ১১, নাজিবউল্লাহ ২৩, রশিদ ২, দৌলত ০, মুজিব ০*; মাশরাফি ৭-০-৩৭-০, মুস্তাফিজ ৮-১-৩২-২, সাইফ ৮-০-৩৩-১, সাকিব ১০-১-২৯-৫, মিরাজ ৮-০-৩৭-০, মোসাদ্দেক ৬-০-২৫-১)

ফল: বাংলাদেশ ৬২ রানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: সাকিব আল হাসান

সাইফের শেষের আঘাতে থামল আফগানিস্তান

মুজিব উর রহমানকে বোল্ড করে আফগানিস্তানকে ২০০ রানে থামালেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বাংলাদেশ পেল ৬২ রানের জয়।

স্টাম্পের বলে ক্রস ব্যাটে খেলতে চেয়েছিলেন মুজিব। ব্যাটের কানা ফাঁকি দিয়ে এলোমেলো করে দেয় স্টাম্প।

৫১ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি। 

মুস্তাফিজের দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ

টানা দুই ওভারে উইকেট নিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। দৌলত জাদরানকে ফিরিয়ে দলকে নিয়ে গেলেন জয়ের আরও কাছে।

অফ স্টাম্পের বাইরের বল থার্ড ম্যান দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন দৌলত। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল জমা পড়ে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে।

আট বল খেলে শূন্য রানে ফরেন দৌলত। ৪৬ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১৯৫/৯। ক্রিজে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির সঙ্গী মুজিব উর রহমান।

রশিদকে দ্রুত ফেরালেন মুস্তাফিজ

গত এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ফিফটি করেছিলেন রশিদ খান। এবার তাকে দ্রুত ফিরিয়ে দিলেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

অফ স্টাম্প থাকা শর্ট বল পুল করেছিলেন রশিদ। টাইমিং করতে পারেননি। মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমান মাশরাফি বিন মুর্তজা।

৩ বলে ২ রান করেন রশিদ। ৪৪ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১৯১/৮। ক্রিজে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির সঙ্গী দৌলত জাদরান। জয়ের জন্য শেষ ৬ ওভারে আরও ৭২ রান চাই তাদের।

সাকিবের পঞ্চমে ভাঙল জুটি

নাজিবউল্লাহ জাদরানকে ফিরিয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি ভাঙলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপে ও ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে নিলেন পাঁচ উইকেট।

বাঁহাতি স্পিনারের আর্ম বল বেরিয়ে গিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন নাজিবউল্লাহ। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান পাননি বলের নাগাল। স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ কাজে লাগান মুশফিকুর রহিম। ভাঙে ৫৬ রানের জুটি।  

বিশ্বকাপে মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে কোনো ম্যাচে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলার সঙ্গে ৫ উইকেট নিলেন সাকিব। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপের একই আসরে সেঞ্চুরি ও পাঁচ উইকেট নিলেন তিনি।

২৩ বলে দুই চারে ২৩ রান করেন নাজিবউল্লাহ। ৪৩ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১৮৯/৭। ক্রিজে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির সঙ্গী রশিদ খান।

সামিউল্লাহ-নাজিবউল্লাহ জুটিতে পঞ্চাশ

শুরু থেকে আস্থার সঙ্গে খেলছেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি। ক্রিজে যাওয়ার পর থেকে শট খেলছেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। আফগানিস্তানকে উপহার দিলেন প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি।

সপ্তম উইকেটে ৪১ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করে জুটির রান। ৪২ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১৮৪/৬। সামিউল্লাহ ৩৬ ও নাজিবউল্লাহ ২২ রানে ব্যাট করছেন। জয়ের জন্য ৮ ওভারে ৭৯ রান চাই তাদের।

লিটনের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট ইকরাম

সরাসরি থ্রোয়ে আফগানিস্তানের কিপার ব্যাটসম্যান ইকরাম আলি খিলকে রান আউট করে দিলেন লিটন দাস।

মেহেদী হাসান মিরাজের বল ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি। ব্যাটে খেলতে পারেননি, প্যাডে লেগে বল যায় লেগ সাইডে। রানের জন্য একটু এগিয়ে গিয়েছিলেন দুই ব্যাটসম্যান। ইকরাম ফিরতে দেরি করেন। ব্যাটও প্লেস করেন আড়াআড়ি। জায়গায় পৌঁছানোর আগেই লিটনের থ্রো এলোমেলো করে দেয় স্টাম্পস।

১২ বলে ১ চারে ১১ রান করেন ইকরাম। ৩৬ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১৪১/৬। ক্রিজে সামিউল্লাহর সঙ্গী নাজিবউল্লাহ জাদরান।

সাকিবের চতুর্থ শিকার আসগর

আসগর আফগানকে ফিরিয়ে সাকিব আল হাসান নিলেন নিজের চতুর্থ উইকেট।

বাঁহাতি স্পিনারের ফুল লেংথ বল স্লগ সুইপ করে ওড়াতে চেয়েছিলেন আসগর। টাইমিং করতে পারেননি, সীমানায় সহজ ক্যাচ মুঠোয় নেন বদলি ফিল্ডার সাব্বির রহমান। বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো চার উইকেট পেলেন সাকিব। ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো বোলার পেলেন প্রথমবার।

৩৮ বলে একটি চারে ২০ রান করেন আসগর। ৩৩ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১১৯/৫। ক্রিজে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির সঙ্গী ইকরাম আলি খিল। জয়ের জন্য শেষ ১৭ ওভারে আরও ১৪৪ রান চাই তাদের।  

নবিকে শূন্যতেই ফেরালেন সাকিব

গুলবাদিন নাইবকে ফেরানোর পর একই ওভারে মোহাম্মদ নবিকে বোল্ড করে বিদায় করলেন সাকিব আল হাসান।

আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দারুণ খেলা নবি এবার রানের খাতা খুলতে পারেননি। অফ স্টাম্পের একটু বাইরে পড়ে স্কিড করে ভেতরে ঢোকা বল পা বাড়িয়ে ব্যাটে খেলতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল আঘাত হানে স্টাম্পে।

২৯ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ১০৬/৪। ক্রিজে আসগর আফগানের সঙ্গী দলে ফেরা সামিউল্লাহ শিনওয়ারি। জয়ের জন্য শেষ ২১ ওভারে ১৫৭ রান চাই তাদের। 

গুলবাদিনের প্রতিরোধ ভাঙলেন সাকিব

গুলবাদিন নাইবকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট পেলেন দারুণ বোলিং করে যাওয়া সাকিব আল হাসান।

অফ স্টাম্পের বাইরের বল কাভার ড্রাইভ মাটিতে রাখতে পারেননি আফগান অধিনায়ক। এই ধরনের শটের জন্যই শর্ট কাভারে দাঁড় করানো হয়েছিল লিটন দাসকে। চমৎকার এক ক্যাচ নেন তিনি। ৭৫ বলে তিন চারে ৪৭ রান করে ফিরেন নাইব।

মন্থর ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের একশ

স্পিনাররা আক্রমণে আসার পর কমেছে রানের গতি। ২৬তম ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে আফগানিস্তান। দ্বাদশ ওভারে পঞ্চাশ ছুঁয়েছিল তারা। 

২৬ ওভার শেষে আফগানিস্তারে স্কোর ১০১/২। গুলবাদিন ৪৫ ও আসগর আফগান ১২ রানে ব্যাট করছেন। জয়ের জন্য শেষ ২৪ ওভারে আরও ১৬২ রান চাই তাদের।

মোসাদ্দেকের বলে স্টাম্পড শাহিদি

হাশমতউল্লাহ শাহিদিকে ফেরালেন মোসাদ্দেক হোসেন। দারুণ স্টাম্পিং করে এতে বড় অবদান আছে মুশফিকুর রহিমেরও।

ঝুলিয়ে দেওয়া বল ব্যাটে খেলতে না পেরে একটু এগিয়ে গিয়েছিলেন শাহিদি। মুশফিক ফেলে দেন বেলস। ভাঙে ৩০ রানের জুটি।

৩১ বলে ১১ রান করেন শাহিদি। ২১ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৭৯/২। ক্রিজে গুলবাদিন নাইবের সঙ্গী আসগর আফগান। জয়ের জন্য শেষ ২৯ ওভারে আরও ১৮৪ রান চাই তাদের।

সাকিবের প্রথম ওভারেই এল উইকেট
 
একাদশ ওভারে বোলিংয়ে এসেই রহমত শাহকে ফিরিয়ে আফগানদের শুরুর জুটি ভেঙেছেন  সাকিব আল হাসান  

স্কিড করা লেংথ বল পুল করতে চেয়েছিলেন রহমত। টাইমিং করতে পারেননি, মিড অনে ধরা পড়েন তামিম ইকবালের হাতে। ভাঙে ৪৯ রানের জুটি।

৩৫ বলে তিন চারে ২৪ রান করেন রহমত। ১১ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৪৯/১। ক্রিজে গুলবাদিন নাইবের সঙ্গী হাশমতউল্লাহ শাহিদি।

পাওয়ার প্লেতে আফগানিস্তান ৪৮/০

সাবধানী শুরুর পর ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়াচ্ছেন রহমত শাহ ও গুলবাদিন নাইব। ১০ ওভার শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৪৮/০। রহমত ২৪ ও নাইব ১৫ রানে ব্যাট করছেন। জয়ের জন্য শেষ ৪০ ওভারে ২১৫ রান চাই তাদের।

প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো স্পিনার ব্যবহার করেননি বাংলাদেশ মাশরাফি বিন মুর্তজা।  অধিনায়ক  নিজে  করেছেন পাঁচ ওভার। মুস্তাফিজুর রহমান তিনটি, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন দুটি।

আঁটসাঁট বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরু

ইনিংসের শুরুতে আঁটসাঁট বোলিং করছে বাংলাদেশ। আফগান ব্যাটসম্যানদের খুব একটা সুযোগ দেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মুস্তাফিজুর রহমান।

৫ ওভার শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২১ রান। রহমত শাহ ৯ ও গুলবাদিন নাইব ৩ রানে ব্যাট করছেন। অতিরিক্ত থেকে এসেছে ৯ রান।

আফগানিস্তানকে ২৬৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

উইকেটে স্পিনারদের জন্য রয়েছে দারুণ সুবিধা। বল কখনও স্কিড করছে কখনও গ্রিপ করছে। রানের জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে ব্যাটসম্যানদের। এরই মধ্যে আফগান স্পিনারদের সামাল দিয়ে মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের ফিফটিতে কম রানের মাঠে বড় সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ।

৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬২ রান করে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

ইনিংসের শেষ বলে মোসাদ্দেক হোসেনকে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। শেষের দিকে বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ২৪ বলে চারটি চারে ৩৫ রান করেন চোট কাটিয়ে দলে ফেরা মোসাদ্দেক।

এই মাঠে, এই উইকেটে আগের ম্যাচে ভারতকে ২২৪ রানে থামিয়েছিল আফগানিস্তান। বোলারদের নৈপুণ্যে ১১ রানে জিতেছিল বিরাট কোহলির দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৬২/৭ (লিটন ১৬, তামিম ৩৬, সাকিব ৫১, মুশফিক ৮৩, সৌম্য ৩, মাহমুদউল্লাহ ২৭, মোসাদ্দেক ৩৫, সাইফ ২*; মুজিব ১০-০-৩৯-৩, দৌলত ৯-০-৬৪-১, নবি ১০-০-৪৪-১, গুলবাদিন ১০-১-৫৬-২, রশিদ ১০-০-৫২-০, রহমত ১-০-৭-০)।

দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ফিরলেন মুশফিক

ইনিংসের শেষ দিকে যত দ্রুত সম্ভব রান তোলার চেষ্টায় ছিলেন মুশফিকুর রহিম। দৌলত জাদরানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন সেই চেষ্টাতেই। 

কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন মুশফিক। টাইমিং করতে পারেননি। এক্সট্রা কাভারে মোহাম্মদ নবির হাতে ধরে পড়েন তিনি। ভাঙে দ্রুত এগোনো ৪৪ রানের জুটি।

৮৭ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৩ রান করেন মুশফিক। ৪৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২৫৪/৬। ক্রিজে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গী মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।  

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে ভাঙল জুটি

মাহমুদউল্লাহকে বিদায় করে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠা জুটি ভাঙলেন অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব।

আফগান অধিনায়কের বল উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। স্লোয়ার বলে টাইমিং করতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমান মোহাম্মদ নবি। ভাঙে ৫৬ রানের জুটি।

ক্রিজে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পায়ে চোট পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ব্যথা সয়ে ৩৮ বলে দুই চারে করেন ২৭ রান। ৪৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২০৭/৫। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ জুটিতে পঞ্চাশ

জুটির শুরুটা ছিল মন্থর। প্রথম ২৪ বলে এসেছিল ১২ রান। পরে দুই ব্যাটসম্যান বাড়িয়েছেন রানের গতি। পঞ্চম উইকেটে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর জুটির রান পঞ্চাশ স্পর্শ করেছে ৫৮ বলে।

শুরু থেকে আস্থার সঙ্গে খেলছেন মুশফিক। ক্রিজে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পায়ে চোট পাওয়া মাহমুদউল্লাহ ব্যথা সয়ে ব্যাটিং করে যাচ্ছেন। তাদের ব্যাটে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।   

বাংলাদেশের দুইশ

দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে টানছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। মিডল অর্ডারের দুই ভরসা দলকে নিয়ে গেছেন দুইশ রানে।

প্রায় এক ছন্দে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রান তিন অঙ্ক ছুঁয়েছিল ২১তম ওভারে। দুইশ রান স্পর্শ করল ৪১তম ওভারে।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২০০/৪। মুশফিক ৬৪ ও মাহমুদউল্লাহ ২২ রানে ব্যাট করছেন।

ছক্কায় মুশফিকের ফিফটি

দ্রুত সাকিব আল হাসান ও সৌম্য সরকারের বিদায়ের পর থমকে গিয়েছিল রানের গতি। ছক্কায় রানের চাকা সচল করলেন মুশফিকুর রহিম। তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ৩৫তম ফিফটি।

৫৬ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় পঞ্চাশ স্পর্শ করেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। দৌলত জাদরানের ওভারে তার ছক্কায় ৭৩ বল পর কোনো বাউন্ডারি পায় বাংলাদেশ। ম্যাচে এটাই তাদের প্রথম ছক্কা।

ইনিংসের শুরুতে দ্রুত একটি সিঙ্গেল নিতে গিয়ে চোট পান মাহমুদউল্লাহ। মাঠে দুইবার প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ব্যাট করছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। রান নিতে দৌড়াতে খানিকটা সমস্যা হচ্ছে।

৩৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৭২/৪। মুশফিক ৫২ ও মাহমুদউল্লাহ ৭ রানে ব্যাট করছেন।

টিকলেন না সৌম্য

ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডারে নেমে আসা সৌম্য সরকার টিকলেন না বেশিক্ষণ। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে এলবিডব্লিউ করে নিজের তৃতীয় উইকেট নিলেন মুজিব উর রহমান।

ফুল লেংথ বল ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন সৌম্য। ব্যাটে খেলতে পারেননি। বল প্যাডে লাগলে অনেকটা সময় নিয়ে এলবিডব্লিউ দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিলেন সৌম্য। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় লেগ স্টাম্পের বাইরের দিকে লাগতো বল। আম্পায়ার্স কলে সৌম্য আউট হওয়ায় টিকে থাকে বাংলাদেশের রিভিউ।

১০ বলে ৩ রান করেন সৌম্য। ৩২ ওভার শেষে বালাদেশের স্কোর ১৫১/৪। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।  

ফিফটির পর আউট সাকিব

পঞ্চাশ ছোঁয়ার কিছুক্ষণ পর মুজিব উর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেলেন সাকিব আল হাসান।

আক্রমণে ফেরা অফ স্পিনারের স্কিড করে দ্রুত ভেতরে ঢোকা বল পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন সাকিব। ব্যাটে খেলতে পারেননি, বল আঘাত হানে প্যাডে। ভাঙে ৬১ রানের জুটি।

৬৯ বলে ১ চারে ৫১ রান করেন সাকিব। ৩০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৪৩/৩। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী সৌম্য সরকার।

আস্থার সঙ্গে খেলে সাকিবের ফিফটি

এক ম্যাচ পরেই ফিফটির দেখা পেলেন সাকিব আল হাসান। আস্থার সঙ্গে খেলে এবারের আসরে নিজের পঞ্চম পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস তুলে নিলেন আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা অলরাউন্ডার।

৬৬ বলে ১ চারে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন সাকিব। ওয়ানডেতে তার ৪৫তম। উইকেট বুঝে সেই অনুযায়ী ব্যাট করছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। কাটসহ নিজের প্রিয় কিছু শট সামলে রেখে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে।

২৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৩৯/২। সাকিব ৫০ ও মুশফিকুর রহিম ৩০ রানে ব্যাট করছেন।

সাকিব-মুশফিক জুটিতে তিন হাজার

বাংলাদেশের প্রথম জুটি হিসেবে ওয়ানডেতে তিন হাজার রানের কীর্তি গড়লেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়ার পথে এই উচ্চতায় পৌঁছান তারা।

৪৮ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করে জুটির রান। ওয়ানডেতে এটি তাদের ১৯তম ফিফটি জুটি। শতরানের জুটি আছে ছয়টি।

২৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৩২/২। সাকিব ৪৮ ও মুশফিক ২৫ রানে ব্যাট করছেন।

বিশ্বকাপে সাকিবের হাজার রান

দারুণ ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে স্পর্শ করলেন ১ হাজার রানের মাইলফলক।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হাজার থেকে ৩৫ রান দূরে ছিলেন আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা অলরাউন্ডার। ম্যাচের ২১তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছুঁয়ে ফেলেন হাজারের উচ্চতা।

ডেভিড ওয়ার্নারের ৪৪৭ রান ছাড়িয়ে আবারও এই বিশ্বকাপে রান স্কোরারদের তালিকায় সবার ওপরে উঠে গেছেন সাকিব।

বাংলাদেশের একশ

সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২১তম ওভারে তিন অঙ্কে গেছে তাদের সংগ্রহ। পঞ্চাশ হয়েছিল দ্বাদশ ওভারে।

দুই ব্যাটসম্যান এক-দুই নিয়ে সচল রেখেছেন রানের চাকা। ২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১০৩/২। সাকিব ৩৫ ও মুশফিক ৯ রানে ব্যাট করছেন।  

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাকিব

রশিদ খানের বলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাকিব আল হাসান। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় স্টাম্পের ওপর দিয়ে যেত বল।

১৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮৫/২। সাকিব ২৭ ও মুশফিকুর রহিম ১ রানে ব্যাট করছেন। 

তামিম বোল্ড, ভাঙল জুটি
 
তামিম ইকবালকে বোল্ড করে পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি ভাঙলেন অফ স্পিনার মোহাম্মদ নবি। 

জায়গায় দাঁড়িয়ে পাঞ্চ করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। ব্যাটের কানা ফাঁকি দিয়ে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। ভাঙে ৫৯ রানের জুটি।

৫৩ বলে চারটি চারে ৩৬ রান করে ফিরেন তামিম। ১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮২/২। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

তামিম-সাকিবের টানা চতুর্থ ফিফটি জুটি

শুরুতেই লিটন দাসকে হারানো বাংলাদেশকে টানছেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান গড়েছেন টানা চতুর্থ পঞ্চাশ রানের জুটি।

৫৮ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রান করা দুই ব্যাটসম্যানের জুটি। শুরু থেকে আস্থার সঙ্গে খেলছেন সাকিব। সাবধানে এগোচ্ছেন তামিম। দুই ব্যাটসম্যানই এক-দুই নিয়ে সচল রেখেছেন রানের চাকা।

১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৭৩/১। তামিম ৩০ ও সাকিব ২৩ রানে ব্যাট করছেন।

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ৪৪/১

আফগানদের স্পিন আক্রমণ সামলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৪৪/১। তামিম ১৫ ও সাকিব ১০ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ হারিয়েছে লিটন দাসকে।

পঞ্চম ওভারে লিটন ফেরার পর দুই প্রান্তেই অফ স্পিনার দিয়ে বোলিং করায় আফগানিস্তান। প্রথম ১০ ওভারের ৮ ওভার করেছেন স্পিনাররা। মুজিব উর রহমান পাঁচটি, মোহাম্মদ নবি তিনটি।

শুরুতেই ফিরলেন লিটন

মুজিব উর রহমানের বলে শর্ট কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন ওপেনিংয়ে ফেরা লিটন দাস। 

অফ স্পিনারের বলে ড্রাইভ মাটিতে রাখতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। সামনের দিকে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমান হাশমতউল্লাহ শাহিদি। আম্পায়ার আউটের সফট সিগন্যাল দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠান। কয়েকবার রিপ্লে দেখে আউটের সিদ্ধান্ত জানান আলিম দার।

১৭ বলে দুই চারে ১৬ রান করেন লিটন। ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২৫/১। ক্রিজে তামিম ইকবালের সঙ্গী দারুণ ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান।

তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে লিটন

দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে লিটন দাসকে ওপেনিংয়ে ফিরিয়েছে বাংলাদেশ। সাধারণত প্রথম বলটি খেলেন তামিম, এবার খেলেছেন আগের দুই ম্যাচে পাঁচে খেলা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮/০। লিটন ৬ ও তামিম শূন্য রানে ব্যাট করছেন।

আফগানিস্তান দলে দুই পরিবর্তন

ভারতের বিপক্ষে খেলা ম্যাচ থেকে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে আফগানিস্তান। দলে ফিরেছেন পেসার দৌলত জাদরান। এবারের আসরে প্রথমারের মতো খেলছেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি। বাদ পড়েছেন ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও পেসার আফতাব আলম।

আফগানিস্তান: গুলবাদিন নাইব, সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শাহিদি, আসগর আফগান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান, ইকরাম আলি খিল, দৌলত জাদরান, মুজিব উর রহমান।

চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরলেন সাইফ-মোসাদ্দেক

চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন।

পিঠের সমস্যার জন্য সাইফ ও কাঁধের চোটের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেননি মোসাদ্দেক। তাদের জায়গায় সেই ম্যাচে খেলা পেসার রুবেল হোসেন ও সাব্বির রহমান বাদ পড়েছেন।

বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান।

ছবি: আইসিসি

ছবি: আইসিসি

টস হেরেও বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণ

বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং নিয়েছেন আফগানিস্তান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা জানান, ব্যবহৃত উইকেটে খেলা হওয়ায় টস জিতলে ব্যাটিং নিতেন তিনি।

“আগের দুই ম্যাচ যেমন উইকেটে খেলেছি তার চেয়ে এই উইকেট একটু ভিন্ন। উইকেট একটু মন্থর, টার্ন আছে। এটা ব্যবহৃত উইকেটও। আগে আমাদের ব্যাটসম্যানদের উইকেট বুঝতে হবে। এরপর একটা ভালো সংগ্রহ গড়তে হবে।”

বৃষ্টিতে টসে দেরি

গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির জন্য কাভার সরাতে দেরি হচ্ছে। তাই নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচের টস। নতুন করে বৃষ্টি না হলে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট পর স্থানীয় সময় সকালে ১০টা ১০ মিনিটে টস হবে। খেলাও শুরু হবে ১০ মিনিট দেরিতে, ১০টা ৪০ মিনিটে।

আফগানদের স্পিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ

সাউথ্যাম্পটনে সবশেষ ম্যাচে উইকেট ছিল বেশ মন্থর। রান করতে ধুঁকেছেন দুই দলের ব্যাটসম্যানরাই। এই মাঠের সীমানাও বেশ বড়। স্পিনারদের জন্য যথেষ্ট সহায়তা আছে এমন উইকেটে আফগানিস্তানের স্পিন পরীক্ষার সামনে পড়েছে বাংলাদেশ।

যে উইকেটে গত শনিবার হয়েছে ভারত ও আফগানিস্তানের ম্যাচ, হ্যাম্পশায়ার বৌলে সোমবার সেই উইকেটেই গুলবাদিন নাইবের দলের মুখোমুখি হবে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায়। 

ব্যবহৃত উইকেট মন্থর হতে পারে আরেকটু। বড় মাঠে এই উইকেটে বড় রান হবে বলে মনে করেন না স্টিভ রোডস। বাংলাদেশ কোচের মতে, এখানে চার-ছক্কার চেয়ে সিঙ্গেলস-ডাবলস হবে গুরুত্বপূর্ণ।

আগের ম্যাচে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপকে ২২৪ রানে আটকে রেখেছিল আফগানিস্তান। মূল কৃতিত্ব ছিল তাদের চার স্পিনারের। ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন অফ স্পিনার মোহাম্মদ নবি। ১০ ওভারে কেবল ২৬ রান দিয়ে ১টি নেন আরেক অফ স্পিনার মুজিব উর রহমান। রশিদ খান ১০ ওভারে ৩৮ রানে নেন ১ উইকেট, অনিয়মিত লেগ স্পিনার রহমত শাহ ৫ ওভারে ২২ রানে ১টি। বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানদের মূল অস্ত্র হবে এই স্পিন আক্রমণই।


ট্যাগ:  লাইভ  বাংলাদেশ  ওয়ানডে  আফগানিস্তান  ক্রিকেট বিশ্বকাপ