মালিকের সঙ্গে পেরে উঠল না বাংলাদেশ

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-01-24 14:37:19 BdST

বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

সাদামাটা ব্যাটিং-বিবর্ণ ফিল্ডিংয়ে ৫ উইকেটের হার

ব্যাটসম্যানরা এনে দিতে পারেননি বড় পুঁজি। ফিল্ডারদের কাছ থেকে মেলেনি সহায়তা, তারপরও লড়াই করেছেন বোলাররা। ১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তান জিতেছে ৫ উইকেটে, ৩ বল বাকি থাকতে।

যে শটে জয় এলো সেই শটে আউট হতে পারতেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ছক্কায় ম্যাচ শেষ করতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন এই কিপার-ব্যাটসম্যান। সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমাতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন।    

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪১/৫ (তামিম ৩৯, নাঈম ৪৩, লিটন ১২, মাহমুদউল্লাহ ১৯*, আফিফ ৯, সৌম্য ৭, মিঠুন ৫*; ইমাদ ৩-০-১৫-০, আফ্রিদি ৪-০-২৩-১, হাসনাইন ৪-০-৩৬-০, রউফ ৪-০-৩২-১, মালিক ১-০-৬-০, শাদাব ৪-০-২৬-১)

পাকিস্তান: ১৯.৩ ওভারে ১৪২/৫ (বাবর ০, এহসান ৩৬, হাফিজ ১৭, মালিক ৫৮*, ইফতিখার ১৬, ইমাদ ৬, রিজওয়ান ৫*; শফিউল ৪-০-২৭-২, মুস্তাফিজ ৪-০-৪০-১, আল আমিন ৪-০-১৮-১, সৌম্য ২.৩-০-২২-০, আমিনুল ৪-০-২৮-১, আফিফ ১-০-৬-০)

ফল: পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: শোয়েব মালিক

ইমাদকে ফেরালেন আল আমিন

ম্যাচ জুড়ে দারুণ বোলিং করলেও সাফল্য মিলছিল না। অবশেষে দেখা মিলল উইকেটের। ইমাদ ওয়াসিমকে বোল্ড করে দিলেন আল আমিন হোসেন।

স্লোয়ার শর্ট বল পুল করতে চেয়েছিলেন ইমাদ। বল খুব একটা উঁচুতে ওঠেনি; ব্যাটে-বলে করতে পারেননি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। আঘাত হানে স্টাম্পে।

৪ বলে এক চারে ৬ রানে ফিরেন ইমাদ। পরের বলে মিলতে পারত আরেক উইকেট। একটুর জন্য এক্সট্রা কাভারের ফিল্ডারের হাতে যায়নি মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ।

১৯ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ১৩৬/৫। জয়ের জন্য শেষ ওভারে স্বাগতিকদের চাই ৫ রান।  

মালিকের ফিফটি

হতে পারতেন আউট, পেয়ে গেলেন বাউন্ডারি, স্পর্শ করলেন ফিফটি। শোয়েব মালিকের ব্যাটে জয় দিয়ে সিরিজ শুরুর পথে পাকিস্তান।

মুস্তাফিজুর রহমানের বলে লং অফে ক্যাচ দিয়েছিলেন মালিক। নাজমুল হোসেন শান্ত অনেকটা দৌড়ে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমিয়েছিলেনও। কিন্তু মাটিতে পড়ার পর হাত থেকে ছুটে যায় বল, স্পর্শ করে সীমানা দড়ি।

শফিউলের দ্বিতীয় শিকার ইফতিখার

শোয়েব মালিককে সঙ্গ দিয়ে যাওয়া ইফতিখার আহমেদকে বিদায় করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নিলেন শফিউল ইসলাম।

অফ স্টাম্পের বাইরের বল ঠিকমতো খেলতে পারেননি ইফতিখার। ব্যাটের কানায় লেগে আসা ক্যাচ গ্লাভসে জমান লিটন দাস। ভাঙে ৩৬ রানের জুটি।

দুই চারে ১৩ বলে ১৬ রান করেন ইফতিখার। শোয়েব মালিক ৪৫ ও ইমাদ ওয়াসিম ৫ রানে ব্যাট করছেন। ১৭ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ১২৩/৪। জয়ের জন্য শেষ ৩ ওভারে ১৯ রান চাই স্বাগতিকদের।

জুটি ভাঙলেন আমিনুল

দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া পাকিস্তান এগিয়ে যাচ্ছিল তৃতীয় উইকেট জুটির দৃঢ়তায়। এহসান আলিকে ফিরিয়ে জমে যাওয়া জুটি ভাঙলেন আমিনুল ইসলাম।

লেগ স্পিনারকে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন এহসান। টাইমিং করতে পারেননি। এগিয়ে এসে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমান বদলি ফিল্ডার নাজমুল হোসেন শান্ত। ভাঙে ৪৬ রানের জুটি।

৩২ বলে চারটি চারে ৩৬ রান করেন এহসান। ১২ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ৮২/৩। ক্রিজে শোয়েব মালিকের সঙ্গী ইফতেখার আহমেদ। জয়ের জন্য শেষ ৮ ওভারে ৬০ রান চাই স্বাগতিকদের।

হাফিজকে থামালেন মুস্তাফিজ

পরপর দুটি বাজে বলে হজম করেছিলেন বাউন্ডারি। শেষ পর্যন্ত সেই ওভারটি হাসিমুখেই শেষ করলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ফিরিয়ে দিলেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজকে।

সিঙ্গেলের জন্য স্কয়ার লেগে বল ঘুরাতে চেয়েছিলেন হাফিজ। ঠিক মতো খেলতে পারেননি, ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যাওয়া সহজ ক্যাচ শর্ট এক্সট্রা কাভারে মুঠোয় নেন আমিনুল ইসলাম। তিন চারে ১৬ বলে ১৭ রান করেন হাফিজ।    

৫ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ৩৫/২। ক্রিজে এহসান আলির সঙ্গী শোয়েব মালিক।

শুরুতেই বাবরকে ফেরালেন শফিউল

বোলিংয়ে শুরুটা দারুণ হলো বাংলাদেশের। দ্বিতীয় বলেই মিলল উইকেট। বাবর আজমকে শূন্য রানে ফেরালেন শফিউল ইসলাম।

অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে আসা ক্যাচ গ্লাভসে জমান লিটন দাস।

টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো শূন্য রানে আউট হয়ে রিভিউ নিয়েছিলেন বাবর। পাল্টায়নি সিদ্ধান্ত। দেশের মাটিতে অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম ইনিংসে ফিরলেন রিভিউ নষ্ট করে।

১ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ৫/১। ক্রিজে অভিষেক এহসান আলির সঙ্গী মোহাম্মদ হাফিজ।

আগে ব্যাট করে লাহোরে সর্বনিম্ন

শুরু থেকে মন্থর ব্যাটিং করে যাওয়া বাংলাদেশ শেষটায়ও ঝড় তুলতে পারেনি। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে করেছে ১৪১ রান। লাহোর গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে এটাই সর্বনিম্ন।

আগের সর্বনিম্ন ছিল গত অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার ৭ উইকেটে ১৪৭। বাংলাদেশের জন্য আশার ব্যাপার, ১৩ রানে জিতেছিল সফরকারীরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪১/৫ (তামিম ৩৯, নাঈম ৪৩, লিটন ১২, মাহমুদউল্লাহ ১৯*, আফিফ ৯, সৌম্য ৭, মিঠুন ৫*; ইমাদ ৩-০-১৫-০, আফ্রিদি ৪-০-২৩-১, হাসনাইন ৪-০-৩৬-০, রউফ ৪-০-৩২-১, মালিক ১-০-৬-০, শাদাব ৪-০-২৬-১)

বোল্ড সৌম্য

ক্রিজে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন সৌম্য সরকার। তবে এরপর যেতে পারেননি বেশিদূর।

শাহিন শাহ আফ্রিদির কাটার বুঝতে পারেননি সৌম্য। জায়গা করে নিয়ে খেলার চেষ্টায় ফিরেন বোল্ড হয়ে। ৫ বলে এক চারে করেছেন ৭।

১৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১২৮/৫। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী মোহাম্মদ মিঠুন।

রানের গতিতে দম দিতে ব্যর্থ আফিফ

পরিস্থিতির দাবি ছিল বড় শট। চেষ্টাও করেন আফিফ হোসেন। তবে ব্যাটে-বলে করতে পারেননি। ফিরেছেন বোল্ড হয়ে।

বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে বিদায় করে নিজের প্রথম উইকেট নিয়েছেন অভিষিক্ত পেসার হারিস রউফ। ১০ বলে আফিফ করেছেন ৯ রান। ইনিংসে নেই কোনো বাউন্ডারি।

১৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২৪/৪। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী সৌম্য সরকার। 

নাঈম-লিটনের বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ

মন্থর শুরুর পর বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ঝড়ো ইনিংস। সেখানে উল্টো একই ওভারে ফিরে গেলেন লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

শাদাব খানের গুগলি ঠিক মতো বুঝতে পারেননি নাঈম। ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন, বল ব্যাটের কানায় লেগে যায় লং অনে। অনেকটা দৌড়ে বল ধরে সরাসরি থ্রোয়ে বেলস ফেলে দেন শাদাব।

১৩ বলে দুই চারে ১২ রান করে রান আউট হয়ে ফিরেন লিটন।

পরের বলে শাদাবকে ওড়ানোর চেষ্টায় লং অনে ধরা পড়েন নাঈম। তরুণ বাঁহাতি এই ওপেনারের ৪১ বলে খেলা ৪৩ রানের ইনিংস সাজানো তিন চার ও দুই ছক্কায়।

১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১০০/৩। ক্রিজে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী আফিফ হোসেন।

রান আউট তামিম

শাদাব খানকে স্লগ সুইপ করে ছক্কায় উড়িয়ে মাত্রই গা ঝাড়া দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তবে ফিরে গেলেন সেই ওভারেই। ভাঙল ১১ ওভার স্থায়ী ৭১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

ডিপ মিডউইকেটে বল পাঠিয়ে দুই রান নিতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই ওপেনার। শেষে মরিয়া হয়ে ডাইভও দিয়েছিলেন, কিন্তু সময় মতো পৌঁছাতে পারেননি জায়গায়। ৩৪ বলে এক ছক্কা ও চারটি চারে ফিরলেন ৩৯ রান করে।

৩২ বলে ৩০ রানে ব্যাট করছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান লিটন দাস।

শুরুর জুটিতে পঞ্চাশ

প্রত্যাশিত ঝড় ওঠেনি। গা ঝাড়া দেননি তামিম ইকবাল। শুরুতে কয়েকটি বড় শট খেলা মোহাম্মদ নাঈম শেখও যেন গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। এরই মধ্যে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছে শুরুর জুটির রান। দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের লেগেছে ৪৬ বল।

৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫১/০। তামিম ২৫ বলে ২৬ ও নাঈম ২৩ বলে ২৫ রানে ব্যাট করছেন।

পাওয়ার প্লেতে শান্ত বাংলাদেশ

প্রচুর ডট বল খেলে নিজেরাই চাপ নিজেদের ওপর নিয়ে এসেছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

পাওয়ার প্লেতে ৬ ওভারে সফরকারীরা বিনা উইকেটে করেছে ৩৫ রান। ১৯ বলে দুই বাউন্ডারিতে ১৫ রানে ব্যাট করছেন তামিম। নাঈম ১৭ বলে এক ছক্কা ও তিন চারে করেছেন ২০ রান।

৬ ওভারে দুই ওপেনার খেলেছেন ২২টি ডট বল। প্রান্ত বদল করে খেলতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে নাঈমকে। তার প্রথম ১৮ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে।

সাকিবকে ছাড়িয়ে তামিম

টেস্ট ও ওয়ানডেতে আগে থেকেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তামিম ইকবালের। টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি এই ওপেনারকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্রিকেটের বাইরে থাকা বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টিতেও দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তামিম।

এক হাজার ৫৫৬ রান নিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি শুরু করেন তিনি। এক হাজার ৫৬৭ রান নিয়ে চূড়ায় ছিলেন সাকিব। তাকে ছাড়িয়ে যেতে বেশি সময় নেননি তামিম।

সাকিব কেবল দেশের হয়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তামিম চার ম্যাচ খেলেছেন বিশ্ব একাদশের হয়ে। সেখানে করেছেন ৫৭ রান।

ওপেনিংয়ে তামিম-নাঈম

দলে ছয় ওপেনার। তামিম ইকবালের সঙ্গে কে ইনিংস উদ্বোধন করবেন, তা নিয়ে ছিল প্রবল কৌতুহল। সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন যে নয়, তা নিশ্চিতই ছিল। একাদশে নাজমুল হোসেন শান্ত না থাকায় লড়াইটা ছিল লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম শেখের মধ্যে। ভারত সফরে দারুণ ব্যাটিং করা নাঈম পেলেন প্রথম সুযোগ। দলে ফেরা তামিমের সঙ্গে তিনিই ইনিংস উদ্বোধন করছেন।

এহসান-রউফের অভিষেক

পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হচ্ছে এহসান আলি ও হারিস রউফের। বিগ ব্যাশ লিগ মাতিয়ে সুযোগ পেয়েছেন রউফ। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলার পুরস্কার পেয়েছেন এহসান। অনুমিতভাবে অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ হাফিজ জায়গা পেয়েছেন একাদশে। 

পাকিস্তান একাদশ: বাবর আজম (অধিনায়ক), এহসান আলি, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, ইফতিখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), শাদাব খান, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, মোহাম্মাদ হাসনাইন ।

নেই মেহেদি-মাহমুদ

বিপিএলে নজরকাড়া দুই তরুণ মেহেদি হাসান ও হাসান মাহমুদের জায়গা হয়নি প্রথম টি-টোয়েন্টিতে। নেই অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন ও তরুণ ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তও।

প্রত্যাশিতভাবে একাদশে ফিরেছেন তামিম ইকবাল। ভারতের বিপক্ষে খেলা সবশেষ ম্যাচের একাদশে খুব একটা পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। তিন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, আলি আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলামের সঙ্গে আছেন লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ নাঈম, আফিফ হোসেন, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, আমিনুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ।

র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দলকে হারানোর আশা

সবশেষ সিরিজে জিততে না পারলেও ভারতকে তাদেরই মাটিতে কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও সময়টা ভালো যাচ্ছে না পাকিস্তানের। ফল হওয়া সবশেষ ৯ ম্যাচের আটটিতেই হেরেছে তারা। নিজেদের ভালো সময় আর বাবর আজমদের বাজে সময় মিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের আশা নিয়ে মাঠে নামছে মাহমুদউল্লাহর দল। 

নিরাপত্তা শঙ্কায় সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা, নানা টানাপোড়েন আর ঘটনাবহুল সব অধ্যায়ের পর অবশেষে শুরু হচ্ছে মাঠের ক্রিকেট। বাংলাদেশ-পাকিস্তান তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুক্রবার। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায়।

২০০৮ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তানে কোনো ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ।

কে আছে, কে নেই ভাবছে না কেউ নিষেধাজ্ঞার জন্য নেই সাকিব আল হাসান। পরিবারের চাওয়ায় নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন মুশিফকুর রহিম। কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি, রায়ান কুকরা থেকে গেছেন বাংলাদেশেই। অনুপস্থিতদের নিয়ে ভাবছে না কেউ। দলে থাকা তরুণদের ওপর আস্থা রেখে পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

পাকিস্তান দলে জায়গা হয়নি মোহাম্মদ আমির, ওয়াহার রিয়াজ, মোহাম্মদ ইরফান, হারিস সোহেলদের। তাদের অনুপস্থিতিতে বাড়তি সুবিধা দেখছে না বাংলাদেশ। যে কেউ গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য। তাই স্বাগতিকদের সব খেলোয়াড়কে নিয়েই পরিকল্পনা নিয়ে নামছে রাসেল ডমিঙ্গোর দল।


ট্যাগ:  লাইভ  বাংলাদেশ  পাকিস্তান  বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ  টি-টোয়েন্টি