জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় জয়ে শুরু

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-03-09 17:37:39 BdST

শুরুর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মঞ্চ তৈরি করে দিলেন লিটন দাস। ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে দলকে রানের পাহাড়ে নিয়ে গেলেন সৌম্য সরকার। মিলিত অবদানে বাকিটুকু সারলেন বোলাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ পেল নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিতল ৪৮ রানে।

রেকর্ড গড়া জয়
 
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ। কার্ল মুম্বাকে ফিরিয়ে দলকে ৪৮ রানের জয় এনে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
 
লং অফে লিটন দাসের ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় মুম্বার লড়াই। ১৬ বলে ২৫ রান করেন এই লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান। ২০১ রান তাড়ায় ১ ওভার বাকি থাকতে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
 
টি-টোয়েন্টিতে তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের আগের বড় জয়টি ছিল ৪৩ রানের। ২০০৬ সালে খুলনায় নিজেদের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সেই জয়টি পেয়েছিল তারা।  
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
 
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ২০০/৩ (তামিম ৪১, লিটন ৫৯, সৌম্য ৬২*, মুশফিক ১৭, মাহমুদউল্লাহ ১৪*; রাজা ৪-০-৩১-১, মুম্বা ২-০-২৪-০, টিরিপানো ৪-০-৩৯-০, এমপোফু ৪-০-৫৮-১, মাধেভেরে ২-০-১৫-১, উইলিয়ামস ৪-০-৩১-০)
 
জিম্বাবুয়ে: ১৯ ওভারে ১৫২ (কামুনহুকামউই ২৮, টেইলর ১, আরভিন ৮, মাধেভেরে ৪, উইলিয়ামস ২০, রাজা ১০, মুতুমবামি ২০, মাটোমবোদজি ২, টিরিপানো ২০, মুম্বা ২৫, এমপোফু ২*; মুস্তাফিজ ৪-০-৩২-৩, শফিউল ৩-০-১৯-১, সাইফ ৩-০-১৯-১, মেহেদি ৪-০-২৯-০, আমিনুল ৩-০-৩৪-৩, আফিফ ২-০-১৮-১)

ফল: বাংলাদেশ ৪৮ রানে জয়ী

সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০তে এগিয়ে

 

টিরিপানোকে ফিরিয়ে সাইফের প্রথম


ফেরার ম্যাচে নিজের তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট পেলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। ডানহাতি পেসার ফিরিয়ে দিয়েছেন আগ্রাসী হয়ে ওঠা ডনাল্ড টিরিপানোকে।


স্লোয়ার বলে আগেই ব্যাট চালিয়েছিলেন টিরিপানো। বল তার ব্যাট ছুঁয়ে ভেঙে দেয় স্টাম্প। ১৩ বলে ৩ ছক্কায় ২০ রান করেন টিরিপানো।


১৭ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১৩২/৯। ক্রিজে কার্ল মুম্বার সঙ্গী এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান ক্রিস এমপোফু।

জীবন পেলেন মুম্বা

দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা জুটি ভাঙার একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেল। কার্ল মুম্বার ক্যাচ ছাড়লেন সৌম্য সরকার।

আফিফ হোসেনকে লং অফ দিয়ে ওড়াতে চেয়েছিলেন মুম্বা। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানা থেকে ছুটে এসে বল মুঠোয় জমাতে পারেননি সৌম্য। সে সময় ৫ রানে ছিলেন মুম্বা।

ফিরেই মুস্তাফিজের আঘাত

আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে দুই ছক্কায় ওড়িয়ে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন রিচমন্ড মুতুমবামি। তবে তাকে ডানা মেলতে দেননি মুস্তাফিজুর রহমান। আক্রমণে ফিরেই বিদায় করেছেন কিপার-ব্যাটসম্যানকে।

এক্সট্রা কাভারে পিছিয়ে গিয়ে চমৎকার ক্যাচ নেন লিটন দাস। মুতুমবামি দুই ছক্কায় ১৩ বলে করেন ২০।
 
১৫ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১১৩/৮। ক্রিজে ডনাল্ড টিরিপানোর সঙ্গী কার্ল মুম্বা।

আমিনুলের তৃতীয় শিকার মাটোমবোদজি
 
রিচমন্ড মুতুমবামির ব্যাটে দুটি বড় ছক্কা হজম করলেও এলোমেলো হয়ে যাননি আমিনুল ইসলাম। ঠাণ্ডা মাথায় বোলিংয়ের পুরস্কার মেলে একটু পরেই। পেয়ে যান টিনোটেন্ডা মাটোমবোদজির উইকেট।
 
শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ মুঠোয় নেন মুস্তাফিজুর রহমান। মাটোমবোদজি ৪ বলে করেন ২। ১৩ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১০০/৭। জয়ের জন্য শেষ ৭ ওভারে প্রয়োজন ১০১ রান। ক্রিজে মুতুমবামির সঙ্গী ডনাল্ড টিরিপানো।

এসেই রাজাকে ফেরালেন আফিফ

বোলিংয়ে এসেই উইকেট পেলেন আফিফ হোসেন। সিকান্দার রাজাকে কট বিহাইন্ড করে দলকে আরেকটু এগিয়ে নিলেন জয়ের পথে।

নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেট পেতে পারতেন আফিফ। রাজার ক্যাচ গ্লাভসে নিতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। পরের বলে আবার সুযোগ আসে। এবার ভুল করেননি, ক্যাচ গ্লাভসে নেন মুশফিক।

১৪ বলে দুই চারে ১০ রান করেন রাজা। ১২ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৮৫/৬। ক্রিজে রিচমন্ড মুতুমবামির সঙ্গী টিনোটেন্ডা মাটুমবোদজি।

আমিনুলের জোড়া আঘাত

দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা দুই ব্যাটসম্যানকে পরপর দুই বলে ফিরিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

লেগ স্পিনারের প্রথম বলে বোলারের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন টিনাশে কামুনহুকামউই। পরের বলে একই চেষ্টা করতে গিয়ে লং অফে ধরা পড়েন ওই ওপেনার। ২০ বলে এক ছক্কা ও চারটি চারে করেন ২৮ রান।

পরের বলটি ছিল ফুলটস। যে কোনো জায়গায় পাঠাতে পারতেন শন উইলিয়ামস। তিনি ক্যাচ দেন ডিপ স্কয়ার লেগে। প্রায় তালগোল পাকিয়ে ফেলেছিলেন সৌম্য সরকার। তবে শেষ পর্যন্ত মুঠোয় রাখতে পারেন ক্যাচ। ১২ বলে দুই ছক্কা ও এক চারে ২০ রান করেন উইলিয়ামস।

আমিনুলের হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়ে দেন রিচমন্ড মুতুমবামি। ক্রিজে তার সঙ্গী সিকান্দার রাজা। ৮ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৭১/৫।

মুস্তাফিজের শিকার আরভিন

অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরে ক্রেইগ আরভিনের শুরুটা ছিল দারুণ। প্রথম বলেই দৃষ্টিনন্দন কাভার ড্রাইভে পেয়েছিলেন বাউন্ডারি। তবে তাকে অল্পতেই থামালেন মুস্তাফিজ।   

অফ স্টাস্পের বাইরে পিচ করে সিমে পড়ে বল ভেতরে ঢোকে একটু। লেগ-মিডলে থাকা বল লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন আরভিন। ব্যাটে-বলে করতে পারেননি। আবেদনে সাড়া দিতে সময় নেননি আম্পায়ার। 

৯ বলে ৮ রান করে বিদায় নিলেন আরভিন। জিম্বাবুয়ের রান ২ উইকেটে ৩০। 

প্রথম আঘাত শফিউলের

বাংলাদেশ সফরটা যেন দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে ব্রেন্ডন টেইলরের। টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে নেমে দ্রুত ফিরেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।

শফিউল ইসলামের বল ফ্লিক করেছিলেন টেইলর। ঠিক মতো পারেননি। মিডউইকেটে ক্যাচ মুঠোয় নেন সৌম্য সরকার।

৫ বলে ১ রান করেন টেইলর। ২ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১১/১। ক্রিজে টিনাশে কামুনহুকামউইর সঙ্গী ক্রেইগ আরভিন।

 

সৌম্যর ফিফটিতে বাংলাদেশের দুইশ
 
মিডল অর্ডার থেকে টপ অর্ডারে ফিরেই ফিফটি পেলেন সৌম্য সরকার। ৩০ বলে তিন ছক্কা ও চারটি চারে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ছুঁয়েছেন পঞ্চাশ। আগের সেরা ৫১ ছাড়িয়ে করলেন অপরাজিত ৬২। তার ৩২ বলের ইনিংস গড়া পাঁচ ছক্কা ও পাঁচ চারে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ২০০ রান করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এটাই সর্বোচ্চ। টি-টোয়েন্টিতে তাদের এর চেয়ে বড় স্কোর আছে কেবল দুটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের সেরা ছিল গত বছর চট্টগ্রামে করা ৭ উইকেটে ১৭৫।

সৌম্যর সঙ্গে ২৫ বলে ৫৪ রানের জুটিতে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর অবদান ৯ বলে ১৪।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
 
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ২০০/৩ (তামিম ৪১, লিটন ৫৯, সৌম্য ৬২*, মুশফিক ১৭, মাহমুদউল্লাহ ১৪*; রাজা ৪-০-৩১-১, মুম্বা ২-০-২৪-০, টিরিপানো ৪-০-৩৯-০, এমপোফু ৪-০-৫৮-১, মাধেভেরে ২-০-১৫-১, উইলিয়ামস ৪-০-৩১-০)

দুই ছয় মেরে ফিরলেন মুশফিক

সময়ের দাবি বড় শট। সেই চেষ্টায় ফিরলেন মুশফিকুর রহিম। এর আগে অবশ্য হাঁকালেন দুটি ছক্কা।

ক্রিস এমপোফুকে লং অফ দিয়ে ওড়াতে চেয়েছিলেন মুশফিক। টাইমিং করতে পারেননি। মিড অফে ক্যাচ মুঠোয় নেন শন উইলিয়ামস। ভাঙে ১৮ বল স্থায়ী ৪০ রানের জুটি।

৮ বলে দুই ছক্কায় ১৭ রান করেন মুশফিক। ১৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৪৭/৩। ক্রিজে সৌম্য সরকারের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

ফিফটির পর আউট লিটন

তামিম ইকবাল ফিরে যাওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকলেন না লিটন দাস। সিকান্দার রাজার বল ভুল লাইনে খেলে ফিরলেন এলবিডব্লিউ হয়ে।

একটু টার্ন করে ভেতরে ঢোকা বল ব্যাটে খেলতে পারেননি লিটন। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নেন। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেছে বল আঘাত হানতো অফ স্টাম্পে। 

৩৯ বলে তিন ছক্কা ও পাঁচ চারে ৫৯ রান করেন লিটন। ১৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১০৬/২। ক্রিজে সৌম্য সরকারের সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

তামিমের বিদায়ের পর লিটনের ফিফটি

দলকে দারুণ শুরু এনে দিয়ে ফিরলেন তামিম ইকবাল। ওয়েসলি মাধেভেরেকে ওড়ানোর চেষ্টায় ক্যাচ দিয়ে শেষ হলো তার ইনিংস। ভাঙে ৯২ রানের উদ্বোধনী জুটি।

বেরিয়ে এসে অফ স্পিনারকে লেগ দিয়ে ওড়াতে চেয়েছিলেন তামিম। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। ধরা পড়েন এক্সট্রা কাভারে। একটুর জন্য ‘নো’ বল হয়নি। ৩৩ বলে তিন চার ও দুই ছক্কায় ৪১ রান করেন তামিম।

সেই ওভারেই সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি করেন লিটন। ৩১ বলে পঞ্চাশ ছোঁয়ার পথে তার ব্যাট থেকে এসেছে চারটি চার ও তিনটি ছক্কা।

১১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯৫/১। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী সৌম্য সরকার।

সেরা উদ্বোধনী জুটি

সবশেষ ম্যাচে গড়েছিলেন ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা উদ্বোধনী জুটি। পরে অবশ্য থেমেছেন সব জুটি মিলিয়ে সর্বোচ্চ রান করে। পরের ম্যাচেই গড়লেন আরেক রেকর্ড। তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটে বাংলাদেশ পেল টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সেরা উদ্বোধনী জুটি।

আগের জুটিও অবশ্য ছিল তামিম-লিটনেরই। ২০১৮ সালে কলম্বোয় ৫.৫ ওভারে ৭৪ রানের জুটি গড়েছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

১০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯১/০। তামিম ৪১ ও লিটন ৪৭ রানে ব্যাট করছেন।

আম্পায়ার্স কলে বাঁচলেন লিটন
 
আম্পায়ার্স কলে এলবিডব্লিউ হওয়া থেকে বেঁচে গেলেন লিটন দাস। তামিম ইকবালের সঙ্গে তার শুরুর জুটি স্পর্শ করল পঞ্চাশ।

৩২ বলে এসেছে দ্রুত এগোনো জুটির ফিফটি। এতে অগ্রণী লিটন। সাবধানী শুরুর পর শট খেলতে শুরু করেছেন তামিমও।

৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৫৯/০। লিটন ১৬ বলে ৩৩ ও তামিম ২০ বলে ২৪ রানে ব্যাট করছেন। প্রথম ৩ ওভারে স্বাগতিকরা তুলেছিল ২৩ রান। পাওয়ার প্লের পরের ৩ ওভারে এসেছে ৩৬ রান। 

সাবধানী তামিম, আত্মবিশ্বাসী লিটন

তৃতীয় ওয়ানডে যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই যেন শুরু করেছেন লিটন দাস। শুরু থেকে চড়াও হয়েছেন জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর। সুইপ করে ছক্কায় খোলেন রানের খাতা। এরপর তার ব্যাট থেকে এসেছে দুটি চার।

একটু সময় নিচ্ছেন তামিম ইকবাল। কার্ল মুম্বার বাজে ডেলিভারিতে পেয়েছেন একটা বাউন্ডারি। এরপর খেলছেন সিঙ্গেল নিয়ে।

৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৩/০। তামিম ১১ বলে ৭ ও লিটন ৭ বলে ১৬ রানে ব্যাট করছেন।

অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন আরভিন

টেস্টের পর থেকে অসুস্থতার জন্য বাইরে ছিলেন ক্রেইগ আরভিন। ওয়ানডে সিরিজে খেলতে না পারা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ফিরেছেন টি-টোয়েন্টিতে। বাইরেই থেকে গেছেন নিয়মিত অধিনায়ক চামু চিবাবা। তার জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শন উইলিয়ামস।

চার্লটন সুমার জায়গায় দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার ক্রিস এমপোফু।

জিম্বাবুয়ে: শন উইলিয়ামস (অধিনায়ক), টিনাশে কামুনহুকামউই, ব্রেন্ডন টেইলর, সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্রেইগ আরভিন, রিচমন্ড মুতুমবামি, টিনোটেন্ডা মাটুমবোদজি, ডনাল্ড টিরিপানো, কার্ল মুম্বা, ক্রিস এমপোফু।

মুশফিকের সঙ্গে ফিরলেন সাইফ, নেই নাঈম

পাকিস্তান সফরে না যাওয়া মুশফিকুর রহিম অনুমিতভাবে দলে ফেরার পর একাদশেও ফিরেছেন। চোট কাটিয়ে ওয়ানডে দলে ফেরা মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ফিরেছেন টি-টোয়েন্টিতেও। ভারত ও পাকিস্তানে খেলা ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ নেই একাদশে। 
 
বাংলাদেশ: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে জিম্বাবুয়ে

তৃতীয় ওয়ানডের পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও টস জিতলেন শন উইলিয়ামস। জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নিলেন ফিল্ডিং। টস জিতলে মাহমুদউল্লাহও নিতেন ফিল্ডিং। ১৭০ থেকে ১৮০ ভালো স্কোর মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

বিশ্বকাপে নজর রেখে দল গোছানোর পালা
 
শক্তিশালী ভারত-পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের শক্তি-দুর্বলতা জেনেছে বাংলাদেশ। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার পালা। সিরিজ জয়ের পাশাপাশি নিজেদের আরও শাণিত করার পালা মাহমুদউল্লাহর দলের।
 
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টি শুরু হবে সন্ধ্যা ছয়টায়।
 
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রতিটি ম্যাচ ধরে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে চান। জয় আর ভালো খেলার সমন্বয়ে গড়ে তুলতে চান আত্মবিশ্বাস।
 
টিকেট কেবল ৪-৫ হাজার
 
করোনাভাইরাসের জন্য সতর্কতার অংশ হিসেবে টিকেট বিক্রিতে রাশ টেনেছে বিসিবি। ছেড়েছে সব মিলিয়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টিকেট। একজন কেবল একটি টিকেটই কিনতে পারছেন। যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা রেখে যেন দর্শকরা বসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।


ট্যাগ:  লাইভ  জিম্বাবুয়ে  বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজ  টি-টোয়েন্টি