১৫ বছর পর জন্মভূমি ছেড়ে অন্য দলে সিডল

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-29 17:01:21 BdST

bdnews24

গত ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন পিটার সিডল। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারেও এখন গোধূলি বেলা। খেলা ছাড়ার পরের জীবন তাই ভাবাচ্ছে তাকে। ভবিষ্যতের দিকে চোখ রেখেই নিজ রাজ্য দল ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে ১৫ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে এই পেসার যোগ দিয়েছেন তাসমানিয়ায়।

খেলোয়াড়ী জীবন শেষে কোচিংয়ে নাম লেখাতে চান সিডল। তাসমানিয়ায় তরুণ পেসারদের ‘মেন্টর’ হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকবে তার। সিডল এটিকে দেখছেন কোচ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার একটি ধাপ হিসেবে। ৩৫ বছর বয়সী পেসারের সঙ্গে তাসমানিয়ার চুক্তি দুই বছরের। 

সিডলের জন্ম, বেড়ে ওঠা ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে এগিয়ে চলা, সবই ভিক্টোরিয়ায়। ২০০৫ সালে নিজ রাজ্য দলের হয়েই পা রাখেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে।

ভিক্টোরিয়ার হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে একসময় ডাক পান জাতীয় দলে। ১১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৬৭ টেস্ট। দীর্ঘদিন ছিলেন পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গত মৌসুমে জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও খেলে যাচ্ছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। ভিক্টোরিয়ার হয়ে সব মিলিয়ে খেলেছেন ৬২টি প্রথম শ্রেণির ও ৩৫টি একদিনের ম্যাচ। দুই সংস্করণে নিয়েছেন ২৩৪ ও ৪৩ উইকেট। শেফিল্ড শিল্ডে শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন দুবার, ওয়ানডে কাপে একবার।

ভিক্টোরিয়ার হয়ে গত মৌসুমেও দারুণ ছন্দে ছিলেন সিডল। শেফিল্ড শিল্ডে ৮ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৩২ উইকেট। তবু ভবিষ্যতে চোখ রেখেই ঠিকানার পরিবর্তন, শুক্রবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে জানিয়েছেন এই পেসার।

“আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া তাসমানিয়ায় আসা এবং ভালো ক্রিকেট খেলা। আশা করছি এখানে কিছু ম্যাচ জিতব, যেটা হবে আমার বড় লক্ষ্য। এখানে কিছু ক্রিকেটার আছে, যাদের সঙ্গে অনেক খেলেছি। কিছু তরুণ ক্রিকেটার আছে, যাদের সঙ্গে খেলার অপেক্ষায় আছি।”

“আমার জন্য এটা দারুণ সুযোগ গ্রিফের (অ্যাডাম গ্রিফিথ, তাসমানিয়ার মেন্টর) সঙ্গে কাজ করার। কোচিং দক্ষতায় আমি আরও উন্নতি করতে চাই এবং সেসব তরুণদের সাহায্য করতে চাই যারা এর মধ্যেই দারুণ প্রতিভার প্রমাণ রেখেছে। আমার কাছে এটি রোমাঞ্চকর একটি পদক্ষেপ, যেটির জন্য আমি মুখিয়ে আছি।”


ট্যাগ:  সিডল  অস্ট্রেলিয়া