ধোনিকে ছন্দে ফেরার পথ দেখালেন কপিল

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-11-03 09:29:00 BdST

bdnews24

পরের আইপিএলেও খেলবেন বলে নিশ্চিত করেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, কিন্তু পারফর্ম করার নিশ্চয়তা কীভাবে মিলবে! সেটির একটি পথ দেখালেন কপিল দেব। ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের জন্য ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের পরামর্শ, গোটা বছরে শুধু আইপিএল খেললে পারফর্ম করা যাবে না, খেলতে হবে ঘরোয়া অন্যান্য ক্রিকেটও।

আইপিএলে ১১ বারের অভিযানে এবারই প্রথম শীর্ষ চারে থাকতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। ১৩ মৌসুম খেলে ধোনির নিজের জন্যও সবচেয়ে বাজে আসর ছিল এটি। ১৪ ম্যাচ খেলে মোটে ২০০ রান করেছেন তিনি এবার, স্ট্রাইক রেট মাত্র ১১৬.২৭। মৌসুমে ২৮০ রানের কম করেছেন এই প্রথমবার, ব্যাটিং গড়ও (২৫) সবচেয়ে কম এবার।

কপিল মূল সমস্যা দেখছেন ম্যাচ অনুশীলনের ঘাটতিতে। গত বছরের বিশ্বকাপের পর থেকে সব ধরনের ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন ধোনি। আইপিএল দিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছেন ১৪ মাস পর।

কিছুদিন আগে অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এখন বিশ্রামে আছেন কপিল। কিংবদন্তি এই অলরাউন্ডার এবিপি নিউজের সঙ্গে কথোপকথনে ধোনির জন্য দেখালেন ভবিষ্যতের পথ।

“ধোনি যদি ঠিক করে থাকে যে প্রতি বছর শুধু আইপিএলই খেলবে, তাহলে তার জন্য পারফর্ম করা অসম্ভব। বয়স নিয়ে কথা বলা ভালো কিছু নয়, কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই বয়সে (৩৯ বছর) সে যত খেলবে, তার শরীর ততটাই মানিয়ে নেবে।”

“ বছরে ১০ মাস না খেলে হুট করে শুধু আইপিএল খেললে কী হতে পারে, সেটা তো দেখাই গেছে (এই আসরে)। এমনিতে এত লম্বা সময় ক্রিকেট খেললে দুই-এক মৌসুমে এদিক-সেদিক হবেই। কিন্তু পারফর্ম করতে হলে ধোনির উচিত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট (এবং লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি) খেলা।”

এই মৌসুমের যে অভিজ্ঞতা, তাতে ধোনির জন্য সামনে কাজটি সহজ হবে না বলে মনে করেন কপিল।

“ কেউ যখন এত কিছু অর্জন করে, তার পর ফর্ম পড়তির দিকে থাকলে তা প্রভাব ফেলেই এবং এটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। দেখা যাক, সে কিভাবে এখান থেকে বের হয়ে আসে।”

২০১৪ সালে টেস্ট থেকে অবসরের পর আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি ধোনি। ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাকে দেখা গেছে সবশেষ সেই ২০০৮ সালের ইরানি ট্রফিতে। জাতীয় দলের ওয়ানডে ম্যাচের বাইরে লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ সবশেষ খেলেছেন ২০১৭ সালে ঝাড়খন্ডের হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে। জাতীয় দল ও আইপিএলের বাইরে সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০০৭ সালে ঝাড়খন্ডের হয়ে।