পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

বিশ্বকাপ আয়োজনে আইসিসির ভাবনায় ওমান

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-06-02 09:15:17 BdST

bdnews24
ভারতীয় বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ মরিয়া চেষ্টা করছেন বিশ্বকাপ ভারতেই রাখতে। ছবি : আইসিসি।

সময় যত গড়াচ্ছে, আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে হওয়ার সম্ভাবনা ততই কমছে। আপাতত সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ঘিরেই পরিকল্পনা সাজানোর ইঙ্গিত মিলেছে আইসিসির সভায়। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি দেশও আছে সংক্ষিপ্ত তালিকায়। আরব আমিরাতের তিন ভেন্যুর সঙ্গে খেলা হতে পারে ওমানেও।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, আইসিসির মঙ্গলবারের সভায় আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে ভারতকে। এই সময়ের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদেরকে। তবে শেষ পর্যন্ত খেলা যেখানেই হোক, মূল আয়োজক থাকবে ভারতই।

আইসিসির বেশিরভাগ বোর্ড সদস্যের চাওয়া ছিল, এই সভায়ই ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা। তবে ভারতীয় বোর্ডের প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলির অনুরোধের পর তাদেরকে সময় দেওয়া হয়। সৌরভ সভায় জানান, ভারতের কোভিডের সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে বলে তারা আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।

ভারতে কোভিড মহামারীর ভয়ঙ্কর অবস্থার কারণেই শঙ্কা দেখা দিয়েছে সেখানে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে। আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে হওয়ার কথা বিশ্বকাপ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই সময় ভারতে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে। আইসিসির মূল শঙ্কার জায়গা এখানেই।

তাছাড়া, অনেক দেশই ভারতকে লাল তালিকায় রেখে যোগাযোগ নিষিদ্ধ রেখেছে। ভ্রমণ জটিলতাও তাই একটি দুর্ভাবনার জায়গা।

বিশ্বকাপের জন্য ভারত ৯টি ভেন্যুর নাম প্রস্তাব করেছে। গত এপ্রিলে ভেন্যুগুলো পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল আইসিসি কর্তাদের। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এতগুলো ভেন্যুতে যাওয়ায় ভ্রমণের প্রবল ঝুঁকির কথা তুলে ধরা হয়েছিল তখন।

মূলত আর্থিক কারণেই নিজ দেশে বিশ্বকাপ আয়োজনে মরিয়া ভারত। বিশ্বকাপের প্রতি ম্যাচের জন্য স্রেফ আয়োজক হিসেবেই আড়াই থেকে তিন লাখ ডলার পাবে ভারত। সঙ্গে অন্যান্য আয় তো আছেই। অন্য দেশে আয়োজন করলে সেই আয় ভাগাভাগি করতে হবে।

টুর্নামেন্টের বাকি আছে আর কেবল সাড়ে চার মাস। আইসিসির শঙ্কা, শেষ মুহূর্তে গিয়ে যদি ভারতে আয়োজন না করা যায়, তাহলে টুর্নামেন্ট বাতিলই করে দিতে হবে। কারণ আর কোনো সময় ফাঁকা নেই। তাই এই মাসের শেষ দিকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলতে চায়।