পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

‘এটি ক্লাব ক্রিকেট নয়’, ম্যাচ কমানোয় চটেছেন ইনজামাম

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-07-28 14:13:25 BdST

bdnews24

কোভিডের ছোবলে ওলট-পালট হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সূচি। সেটির প্রভাবে কেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান সিরিজের ম্যাচ কমে গেল, তা বুঝেই উঠতে পারছেন না ইনজামাম-উল-হক। এতে পাকিস্তান ক্রিকেটের মর্যাদাহানি করা হয়েছে বলেই মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাপোর্ট স্টাফের একজন কোভিড পজিটিভ হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের ওয়ানডে সিরিজের দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়। গত শনিবার সিরিজ শেষ হওয়ার কথা থাকলে শেষ হয় সোমবার।

পরদিনই ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওই ম্যাচটি বাতিল করা হয়। পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাঁচ ম্যাচের সিরিজ হয়ে যায় চার ম্যাচের সিরিজ।

ইনজামাম এটির কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথোপকথনে তিনি কাঠগড়ায় তুললেন দুই দেশের বোর্ডকেই।

“আমি বুঝতে পারছি না, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোর্ড এমন একটা প্রস্তাব কিভাবে দিল, পিসিবি এই প্রস্তাবে কিভাবে রাজী হলো। কোভিডের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের সূচিতে বদল আনতে হয়েছে। সেটার সঙ্গে পাকিস্তান সিরিজের সম্পর্ক কি? পিসিবি কিভাবে এতে রাজি হলো?”

“আমি হতবাক হয়ে গেছি যে এমন অমর্যাদার শিকার হতে পাকিস্তান রাজি হয়েছে। এটা কেউ কোনোভাবেই করতে পারে না। এসব আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কোনো ক্লাব ক্রিকেট নয় যে, কেউ বলে দেবে অমুক দলের সঙ্গে খেলব, তমুক দলের সঙ্গে খেলব না।”

পাকিস্তানের সফরের যে সূচি, তাতে আরেকটি টি-টোয়েন্টি অনায়াসেই জায়গা পেতে পারত বলে মনে করেন ইনজামাম।

“টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ ৩ অগাস্ট। টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ১২ অগাস্ট। মধ্যে অনেক বিরতি তাই আছে। অনায়াসেই এখানে একটি টি-টোয়েন্টির জায়গা হয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো ম্যাচ বাতিল করতে চাইলে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে করত! ওয়েস্ট ইন্ডিজ যা করেছে, তা পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য মর্যাদাহানিকর।”

পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন বলে বিবেচিত এই ক্রিকেটারের মতে, আইসিসিরও এসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা উচিত।

“আইসিসির এসব খতিয়ে দেখা উচিত। আগে আমরা একটি টেস্ট কমানোয় রাজি হলাম, এখন একটি টি-টোয়েন্টি। টেস্ট ম্যাচ কমানো নাহয় বুঝতে পারলাম যে সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এই সংস্করণ বেশি খেলা জরুরি। কিন্তু টি-টোয়েন্টিও কমিয়ে দেওয়ার মানে কোনোভাবেই বুঝলাম না।”

“সমস্যার তৈরি হলো অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে, ম্যাচ কমে গেল আমাদের সিরিজে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই প্রস্তাব দেওয়াই উচিত হয়নি, পাকিস্তানের এতে রাজি হওয়া কোনোভাবেই উচিত হয়নি।”