পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

ব্যাটিং গ্রেট হাটন ফিরলেন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে

  • স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-10-14 10:12:12 BdST

bdnews24

পুরনো দায়িত্বে নতুন অভিযান শুরু করলেন ডেভ হাটন। জিম্বাবুয়ের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন দেশের ক্রিকেটে ফিরলেন কোচিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব নিয়ে।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সব পর্যায়ে ও সব সংস্করণে কোচিং প্রোগ্রাম উন্নত করা ও বাস্তবায়ন করা হবে তার কাজ। পাশাপাশি দেশজুড়ে বিশেষ ক্রিকেট ক্যাম্পও পরিচালনা করবেন তিনি। তার এসব দায়িত্বের চূড়ান্ত লক্ষ্য, কোচদের এমন দক্ষতায় গড়ে তোলা যেন তারা ক্রিকেটারদের সেরাটা বের করে আনতে পারেন।

এর আগে ২০০৯ সালেও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে একই দায়িত্ব পেয়েছিলেন হাটন।

বোর্ডের দায়িত্বের পাশাপাশি ৬৪ বছর বয়সী সাবেক অধিনায়ক ঘরোয়া দল মাউন্টেনিয়ার্সের আগামী মৌসুমের প্রধান কোচের দায়িত্বও পালন করবেন।

গত মাসেই ইংলিশ কাউন্টি দল ডার্বিশায়ারের কোচিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব ছাড়েন হাটন। এই দলে ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্তও একই দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ছিলেন দলটির ব্যাটিং কোচ। এছাড়াও উস্টারশায়ার, মিডলসেক্স ও সমারসেটে নানা ভূমিকায় কোচিং স্টাফে ছিলেন তিনি।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটেও কোচ হিসেবে তার সাফল্য আছে বেশ। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে তার কোচিংয়েই বিশ্বক্রিকেটে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলে নেয় জিম্বাবুয়ে। দলের স্মরণীয় পারফরম্যান্সের ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তিনিই ছিলেন কোচ, যেবার তারা হারিয়ে দেয় ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

কোচিংয়ের আগে তার খেলোয়াড়ী জীবনও বেশ সমৃদ্ধ। দেশের ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন তিনি। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের আবির্ভাবের আগে হাটনকেই মনে করা হতো অবিসংবাদিত সেরা।

বড় মঞ্চে ও বড় উপলক্ষে প্রায়ই পাওয়া যেত তার সেরাটা। দেশের প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। দেশের ও নিজের অভিষেক রাঙিয়ে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরিতে। যদিও ততদিনে তার বয়স হয়ে গেছে ৩৫, পেছনে পড়ে গেছে তার সেরাটা। তার পরও ২২ টেস্ট খেলে ৪টি সেঞ্চুরি করেন। ১৯৯৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করা তার ২৬৬ এখনও টেস্টে জিম্বাবুয়ের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

১৯৮৭ বিশ্বকাপে হায়দরাবাদে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ১৩৭ বলে ১৪২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস, যেটিকে রাখা হয় জিম্বাবুয়ের ইতিহাসের সেরা ইনিংসগুলোর ছোট্ট তালিকায়। ২৪৩ রান তাড়ায় ১০৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে অবিশ্বাস্য এক জয়ের কাছে নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত তার বিদায়ের পর দল হেরে যায় ৩ রানে।

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও তিনি ছিলেন দুর্দান্ত। ১৯৯৭ সালে খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি নাম লেখান কোচিংয়ে। ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্কের জন্য পরিচিত আছে তার।