২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

চাক্তাই খালের ৩ কিলোমিটার এলাকা দখলমুক্ত

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-07-22 20:41:21 BdST

চট্টগ্রামের চাক্তাই খালে অভিযানের প্রথম দিনে ৬০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে মোট তিন কিলোমিটার এলাকা দখলমুক্ত করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

সোমবার সকাল থেকে চাক্তাই খালের বহদ্দারহাট সংলগ্ন অংশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমদ মঈনুদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজ চাক্তাই খালের বহদ্দারহাট সংলগ্ন অংশ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

“প্রায় ৬০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে তিন কিলোমিটার জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি তিনতলা এবং একটি পাঁচতলা ভবন আছে। বাকি ভবনগুলোও ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ করা হবে।”

নগরীর ১৩ খালে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী স্থাপনা উচ্ছেদে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ২ জুলাই অভিযান শুরু করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

উচ্ছেদের প্রথম দিনে রাজাখালী ২৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পরদিন নোয়া খালেও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এরপর ধারাবাহিকভাবে কয়েকদিন নোয়া খালে উচ্ছেদ চলে। খালের জমিতে স্থাপনা নির্মাণকারীদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেরাই অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলে। নোয়া খালের মোট ৭০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

তারপর ভারি বর্ষণে নগরীতে কয়েক দফায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে উচ্ছেদ কার্যক্রমে বিরতি পড়ে।

‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিসরনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক মেগা প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ১৩টি খালের অবৈধ স্থাপনা ও অপসারণযোগ্য স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়।

জরিপকারী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এর দেয়া তালিকা অনুসারে এসব স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে।

ওই তালিকা অনুসারে এই ১৩টি খালের প্রায় ১২৩ দশমিক ৯২ একর জমি অবৈধ দখলে আছে।

১৩টি খালে মোট স্থাপনা চিহ্নিত করা হয় এক হাজার ৫৭৬টি। এরমধ্যে পানি চলাচলের জন্য উচ্ছেদ করতে হবে ৮৬৬টি স্থাপনা এবং খালের পাশে রাস্তা নির্মাণের জন্য ৭১০টি স্থাপনা অপসারণ করা হবে।

এরমধ্যে চাক্তাই খালের ৮ দশমিক ১৩ একর জমি দখল করে বিভিন্ন সময় স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। এগুলোর মধ্যে ৩০০টি স্থাপনা উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হবে।