ওরসের যাত্রায় সাগরে ট্রলার ডুবে তিনজনের মৃত্যু

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-02-19 18:27:39 BdST

bdnews24
ফাইল ছবি

কুতুবদিয়ায় ওরসে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুইটি ট্রলার ডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার জলকদর খালে ও গণ্ডামারা ইউনিয়নের খাটাখালী এলাকায় বঙ্গোপসাগরে টলার দুটি ডুবে যায়।

যারা মারা গেছেন তারা হলেন- কাথারিয়া ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের মো. আক্কাস (৩০), মো. মিনহাজ (১২), খানখানাবাদ ইউনিয়নের আব্দুল মালেক (৫৫)।

বাঁশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বিডিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, কাঠের মাছ ধরার ট্রলারে করে স্থানীয় লোকজন কুতুবদিয়া শাহ আব্দুল মালেক কুতুবীর বার্ষিক ওরসে যাচ্ছিল।

“দুপুরে উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার জলকদর খালে ও গণ্ডামারা ইউনিয়নের খাটাখালী এলাকায় বঙ্গোপসাগরে দুর্ঘটনায় পড়ে ট্রলার দুটি।”

ইউএনও মোমেনা বলেন, “স্থানীয়রা চারজনের মৃত্যুর কথা বললেও আমরা তিনজনের লাশ পেয়েছি। আরেকজনের বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”

ফায়ার সার্ভিস বাঁশখালী স্টেশনের পরিদর্শক মাহবুব এলাহী জানান, কাঠের তৈরি একটি ফিশিং ট্রলার কাথারিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার জলকদর খালে ডুবে যায়। অধিকাংশ যাত্রী সাঁতারে তীরে উঠতে পারলেও স্থানীয় লোকজন আক্কাসের লাশ উদ্ধার করে।

পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা এসে মিনহাজের লাশ উদ্ধার করে বলে জানান তিনি।

ট্রলারটিতে শতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি জানান।

খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদর উদ্দিন জানিয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় লোকজন প্রতিবছরই কুতুবদিয়ায় শাহ আব্দুল মালেক কুতুবীর বার্ষিক ওরসে যায়। এবছরও তার ইউনিয়নের কদমরসুল গ্রামের কিছু বাসিন্দা ট্রলারে রওনা হয়েছিল।

পথিমধ্যে গণ্ডামারা ইউনিয়নের খাটাখালি নামক স্থানে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারটি ডুবে যায় জানিয়ে তিনি বলেন,  “ডুবে যাওয়ার পর ট্রলার থেকে বেশ কয়েকজন সাঁতারে তীরে চলে আসলেও দুইজন মারা গেছে বলে শুনেছি। তবে আব্দুল মালেক নামে একজনের লাশ গ্রামে আনা হয়েছে। জব্বার নামের একজন মারা গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করলেও এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি।”

অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে জলকদর খালে এবং ঢেউয়ের কারণে খাটাখালি এলাকায় ট্রলার দুটি ডুবে গেছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।