ছাত্রের কাছে শিক্ষকের চাওয়া

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-09-28 00:40:58 BdST

bdnews24

প্রায় চার দশক আগের ছাত্র খোরশেদ আলম সুজনের কাছে চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার চাওয়ার কথা জানালেন সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন।

রোববার বিকেলে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উপাচার্য ড. অনুপম সেনের সঙ্গে দেখা করতে যান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সুজন।

এসময় ছাত্রের কাছে নিজের প্রত্যাশার কথা জানান শিক্ষক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অনুপম সেন। 

চার দশক আগের স্মৃতিচারণ করে একুশে পদকজয়ী সমাজবিজ্ঞানী অনুপম সেন বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানে আমার সরাসরি ছাত্র ছিলেন খোরশেদ আলম সুজন। সেই সময়েই আমি দেখেছি তিনি একজন ভালো ছাত্র, কিন্তু অসাধারণ বাগ্মী।

“বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের প্রান্তরে তিনি যখন বক্তৃতা করতেন, তা শুনে শুধু শিক্ষার্থীরাই মুগ্ধ হতো তা নয়, এমনকি শিক্ষকরাও মুগ্ধ হতেন। এখনও তার সেই অসাধারণ বাগ্মী-প্রতিভা সম্পূর্ণভাবে লয় হয়নি। এখনও তার অবশেষ রয়েছে। এখনও তিনি একজন খুব ভালো বক্তা, যদি সুযোগ পান।”

১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন সেসময়ের ছাত্রলীগ নেতা সুজন। এরপর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখে ১৯৭৬-৭৮ মেয়াদে ছিলেন চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

এরপর ১৯৭৯-৮২ ছিলেন চবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিও ছিলেন সুজন। এর প্রায় ৩৮ বছর পর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পদ পেয়েছেন তিনি।

প্রশাসক হিসেবে রোববার বিকেলে নিজের শিক্ষকের সাথে দেখা করতে যান সুজন। এসময় শিক্ষক অনুপম সেন ফুল দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করেন।

অনুপস সেন ছাত্রের কাছে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেন, “পত্র-পত্রিকার মারফত জেনেছি এবং প্রত্যক্ষভাবেই দেখছি, চট্টগ্রামের রাস্তাঘাট যেরকম ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল, তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর সেইসব রাস্তার অনেকগুলোই ভালোভাবে মেরামত করে চলাচল উপযোগী করেছেন।

“আমি শিক্ষক হিসেবে সবসময় তার শুভাকাঙ্ক্ষী। আমি এখনও চাই যে, তিনি সত্যিকার অর্থে চট্টগ্রামবাসী এবং বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের রাজনীতিতে গভীরভাবে সম্পৃক্ত থাকবেন। কোনরকম অন্যায় যেন তাকে স্পর্শ না করে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর একেএম তফজল হক, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, রেজিস্ট্রার জনাব খুরশিদুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব শেখ মুহম্মদ ইব্রাহিম, স্থপতি শহিদুল হক প্রমুখ।