মাস্ক ছাড়া না বেরোনোর আহ্বান চট্টগ্রাম আ. লীগ নেতাদের

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-11-24 21:33:56 BdST

bdnews24
চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়ানোর দিনে মাস্ক ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

মঙ্গলবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শতকরা হিসেবে যা ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।

শনাক্ত রোগীর মধ্যে ১৫৫ জনই নগরীর বাসিন্দা। আর বাকি ২৮ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪ হাজার ৫৩ জনে, যাদের মধ্যে ১৮ হাজার ছয়জনই নগরীর বাসিন্দা।

এর আগে সোমবার আগের ২৪ ঘণ্টায় ২৪২ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছিল চট্টগ্রাম জেলায়।

মঙ্গলবার নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন এক বিবৃতিতে নগরবাসীকে মাস্ক ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, “শীত শুরুর সাথে সাথে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করেছে। প্রতিদিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

“করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গত জুলাই থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ‘মাস্ক নাই তো সেবা নাই’ কর্মসূচি শুরু করেছে। নানামুখী উদ্যোগ নেওয়ার পরও মাস্ক ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত হয়নি। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে সংক্রমণের শঙ্কা।”

এমন পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাত প্রতিরোধে আপামর জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, “ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক পরে বের হতে হবে।”

মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১৫ জন। সরকারি হিসেবে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলায় দুই জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০১ জনে।

এরপর গত ৪০ দিনে (রোববার পর্যন্ত) ১২ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১৩ জনে। এর মধ্যে বেশ কয়েক দিন জেলায় করোনাভাইরাসে কোনো রোগী মারা যায়নি।

সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় দুইজন রোগী মারা গেল। মৃতদের মধ্যে ২২১ জন নগরীর বাসিন্দা।