খালে পলিথিনের সঙ্গে পচা পেঁয়াজ-গৃহস্থালি বর্জ্য

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-12-04 23:19:37 BdST

খালে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পঁচা পেয়াজ, ছেঁড়া টেবিল ক্লথ, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য দেখতে পেয়ে নগরবাসীকে এগুলো ফেলা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

শুক্রবার বন্দর নগরীর পূর্ব বাকলিয়া বির্জাখালে জমা ময়লা ও কচুরিপানা পরিষ্কার করতে যান সুজন। তার সঙ্গে ছিলেন সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

এ সময় সুজন বলেন, “খাল-নালা হল পানি চলাচলের পথ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, নগরবাসীর একটি অংশ অসেচতনভাবে খালে-নালায় ময়লা আবর্জনা ফেলছে। পূর্ব বাকলিয়া বির্জাখালেও দেখা গেল গৃহস্থালি বর্জ্য, পঁচা পেয়াজ, ছেড়া টেবিল ক্লথ, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য।

“এই খাল এখন কচুরিপানা, ময়লা আবর্জনা ও মশার প্রজনন আখড়ায় পরিণত হয়েছে। একদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে, অপরদিকে যদি মশার উৎপাত ও কামড়ে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ে তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।”

প্রশাসক সুজন বলেন, “তাই নগরবাসীর প্রতি আমার আহ্বান, আপনাদের চারপাশ বাড়ির অঙ্গিনা, পুকুর-জলাশয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। খাল-নালা ডাস্টবিন নয়। এখানে গৃহস্থালি বর্জ্যসহ কোনো প্রকার ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না।

“যদি ফেলেন তাতে আপনাদের পরিবেশের ক্ষতি ও রোগ বালাইয়ে আপনাদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আমরা ইতোপূর্বে ইছহাকের পোলের পাশে খাল পরিষ্কার করেছি। আজ এই বির্জা খাল পরিষ্কার শুরু করলাম। এলাকাবাসীকেও সচেতন হতে হবে। এরপর যদি কোনো ময়লা আবর্জনা খাল-নালায় ফেলা হয় তাহলে আশপাশের বাসিন্দাদের জরিমানা করা হবে।”

এ সময় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে মো. মুছা সওদাগর, কফিল উদ্দীন, সফিউল আজম বাহার, সিসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, নগর ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আহমেদ ইমু উপস্থিত ছিলেন।