পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

শিক্ষার্থীরা টিকা পেলে ১৭ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে খুলবে চবির হল

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-09-16 21:37:02 BdST

bdnews24
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ফাইল ছবি)

শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হলে আগামী ১৭ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এক্সট্রা অর্ডিনারি’ সিন্ডিকেট সভায় এ নীতিগত সিদ্ধান্ত হয় বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. বেনু কুমার দে।

তিনি বলেন, “সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল শিক্ষার্থীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধনের চেষ্টা চলছে।

“নিবন্ধনকৃত শিক্ষার্থীদের যদি অন্তত এক ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে ১৭ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে।”

“সবকিছুই নির্ভর করছে ভ্যাকসিনের উপর,” বলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, “এখনও পর্যন্ত আমাদের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বাকিদের যদি আগামী মাসের ১৭ তারিখের মধ্যে অন্তত এক ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে আগামী মাসেই হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। এরপর ক্লাস শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।”

শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধক টিকা দিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গুগল ফরমে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আবেদনকারীদের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

তারপর সেখান থেকে দেওয়া তথ্য সংযুক্ত হওয়ার পর সুরক্ষা অ্যাপে আবার শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হয়। এ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা টিকা দিতে পারেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ২২ হাজার ৯০২ জন। এরমধ্যে ১২টি হলে আসন রয়েছে চার হাজার ৯০০টি।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর গত বছরের মার্চ থেকে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয় বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের।

আবাসিক হল বন্ধ রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৬ অগাস্ট থেকে সশরীরে বিভিন্ন বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে বিভাগগুলো।