পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

পদ্মা সেতুতে ‘বাড়তি ব্যয়’ দেখানোর দাবি আমীর খসরুর

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2022-05-27 20:56:10 BdST

bdnews24

পদ্মা সেতু নির্মাণে ৩০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি খরচ দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, “১০ হাজার কোটি টাকার সেতু ৪০ হাজার কোটি টাকায় তৈরি করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার কোটি টাকা কোথায়? আমরা জানি, কোথায় গেছে। এগুলো সব বের হবে।”

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে ‘বেগম খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর হত্যার হুমকির’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব অভিযোগ করেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

খসরু বলেন, “পদ্মা ব্রিজ থেকে নাকি বেগম খালেদা জিয়াকে ফেলে দেবে! মনে হয়, বাপের টাকা দিয়ে ব্রিজ করেছে, এখানে কেউ উঠলে তাদের ফেলে দেব। আরে টাকাটা কার? বড় বড় কথা বলার আগে উত্তর দিতে হবে।

“আমরা জানি টাকা কোথায় গেছে। এগুলো সব বের হবে। দুবাইয়ের কোন অ্যাকাউন্টে গেছে? আমেরিকার কোন অ্যাকাউন্টে গেছে? কোন অ্যাকাউন্টে মালয়েশিয়ায় গেছে? কোন অ্যাকাউন্টে কানাডায় গেছে, কয়টা বাড়ি করা হয়েছে। সব জানি। কতগুলো প্রোপার্টি কিনেছেন? সব বের হবে।”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা নিয়ে শেখ হাসিনা ‘ভয়ে থাকেন’ দাবি করে খসরু বলেন, “বেগম খালেদা জিয়াকে নাকি ঠুস করে ফেলে দেবে! এর অনেকগুলো কারণ হতে পারে।

“একটি হলো- শেখ হাসিনার চেয়ে খালেদা জিয়া জনপ্রিয়। যিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে এরশাদের পতন ঘটিয়েছেন; কিন্তু আপনি সেই এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের সঙ্গে বেঈমানি করেছেন।”

ঋণের টাকায় পদ্মা সেতু করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “পদ্মা ব্রিজের কথা বলছেন, কোনো ঋণ নিই নাই। এই যে প্রতিবছর টাকা পরিশোধ করছেন, এটি কিসের টাকা পরিশোধ করছেন?”

তার দাবি, সব টাকা ঋণের এবং এ নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যা বলছে।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম।

চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান।