জমি-ঘর না থাকলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী: অর্থমন্ত্রী

  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-02-23 23:14:28 BdST

bdnews24

দেশে যাদের জমি বা থাকার বাসস্থান নেই তাদের সবার জমি বা নিজস্ব আবাসনের ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের (ডিজেএফবি) নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে ‘উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “এবার তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ঘোষণা দিলেন, যাদের জায়গা জমি নেই, বসবাস করার মতো ব্যবস্থা নেই, যাদের আবাসনের ব্যবস্থা নেই- সবাইকেই জায়গা-জমি দেবেন এবং আবাসনের ব্যবস্থা করে দেবেন।”

মুস্তফা কামাল বলেন, “এটা আমেরিকাতে সম্ভব না, গোটা ইউরোপেও সম্ভব না। এর চেয়ে বড় শক্তিশালী ভূমিকায় কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী অবতীর্ণ হতে পারেন, এটা কল্পনা করতেও ভয় লাগে।”

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষাণার ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই ২০৩০ এর স্বপ্ন পূরণ হবে এবং ২০৪১-এর স্বপ্নও বাস্তবায়ন করতে পারব। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হবে।”

বক্তব্যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য সাংবাদিকদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, “অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করুন। আমার পক্ষ থেকে সম্পূর্ণরূপে সাহায্য-সমর্থন পাবেন। আমরা সবাই চাই, তথ্যপ্রবাহ অবাধ হোক।”

এতে শুধু সাংবাদিক নয়, সরকারও লাভবান হবে মন্তব্য করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “আপনারা যে কদিন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন, আমি বলছি, সম্পূর্ণ শতভাগ অবাধ সহযোগিতা দেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “তৃণমূলে ৭০-৮০ ভাগ মানুষ যারা বসবাস করেন, তারা উন্নয়ন চান। শুধু কথায় নয়, চোখে উন্নয়ন দেখতে চান।

“সেতু কালভার্ট ইমিডিয়েটলি দেখতে চান তারা। ঘরে বিদ্যুৎ তারা এই বেলায় চান। ভাতা বা অবলম্বন, পরিষ্কার পানির স্বপ্ন এগুলোই চান তারা।”

অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক মো. সাইফুল আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল আমিন, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সদস্য (সচিব) আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব বেগম ফাতেমা ইয়াসমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।