পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘অনুমোদিত নয়’, ফের জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-07-29 20:31:42 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স

বাংলাদেশে বসে যে ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন করা যাবে না, সে কথা আবার মনে করিয়ে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, “কোনো ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত নয়।”

সবাইকে ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ‘ক্রিপ্টোকারেন্সিতে’ লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে মূলত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক চিঠির বরাত দিয়ে সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বাংলাদেশের আইনে ‘অপরাধ নয়’।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই মতামত কয়েকটি দৈনিকে ‘খণ্ডিতভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাখ্যা করেছে আর্থিক খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সেখানে বলা হয়, “একটি নির্দিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার গোপনীয় ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে পত্রের মাধ্যমে প্রেরিত মতামতের অংশ বিশেষ কোনো কোনো পত্রিকায় খণ্ডিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা কোনোক্রমেই সাধারণভাবে প্রচারযোগ্য নয়।”

এ বিষয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিটি বহাল আছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও ওই নোটিস আছে।

বিটকয়েন লেনদেন করবেন না: বাংলাদেশ ব্যাংক  

সেখানে বলা হয়, “ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যবহার বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭; সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর দ্বারা সমর্থিত হয় না। অনলাইনে নামবিহীন/ছদ্মনামিক প্রতিসঙ্গীর সাথে ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেনের দ্বারা অনিচ্ছাকৃতভাবে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।”

এছাড়া, অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেনকারী গ্রাহকরা ভার্চুয়াল মুদ্রার সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন বলেও সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৭ সালের নোটিসে ভার্চুয়াল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনসহ ইথেরিয়াম, রিপল ও লিটকয়েনের লেনদেন নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

বলা হয়েছিল, “এসব ভার্চুয়াল মুদ্রা কোনো দেশের বৈধ কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা বৈধ মুদ্রা নয়। ফলে এর বিপরীতে কোনো আর্থিক দাবির স্বীকৃতিও নেই।”

সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে যে কোনো ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন বা সহায়তা দেওয়া এবং প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।