পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

জ্বালানি তেলের সংকটের খবর ভিত্তিহীন: মন্ত্রণালয়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-11-11 17:53:06 BdST

bdnews24
কমিশন বৃদ্ধি ও ইজারার মাশুল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রোববার বিকাল ৩টা পর্যন্ত নয় ঘণ্টার ধর্মঘটে সারা দেশে পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়। ছবিটি রোববার বেলা আড়াইটায় মহাখালী থেকে তোলা। ছবি: আসাদুজ্জামান প্রামানিক

দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ ঘাটতির খবরকে ভিত্তিহীন বলে অস্বীকার করেছে সরকার।

সঙ্কটের গুজব ছড়িয়ে কোথাও জ্বালানির বাড়তি মূল্য আদায় করা হলে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবারই দেশের পেট্রোল অকটেনের মজুদ ও আমদানি পরিস্থিতি তুলে ধরে ব্যাখ্যা প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ‘প্রান্তিক বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে’ এবং ‘বেশি দামে পেট্রোল ও অকটেন’ কিনতে হচ্ছে– এসব বক্তব্য ভিত্তিহীন।

“সরকার নির্ধারিত মূল্যের (ডিপোর ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অকটেন প্রতি লিটার ৮৯ টাকা এবং পেট্রোল প্রতি লিটার ৮৬ টাকা) অতিরিক্ত মূল্যে কোনক্রমেই কোনো পেট্রোল পাম্প জ্বালানি তেল বিক্রয় করতে পারবে না।”

তবে পেট্রোল ও অকটেন সঙ্কট নিয়ে ‘ভিত্তিহীন’ খবরের উৎস জানায়নি মন্ত্রণালয়। জ্বালানি সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পেট্রোল ও অকটেনের সঙ্কটের খবরকে ভিত্তিহীন বলেছেন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হকও।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এধরনের কোনো কথা আমরা শুনিনি। আজকেও বিপিসির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। সেখানে এনিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।”

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) হিসাবে, ৯ নভেম্বর অকটেন ও পেট্রোলের মোট মজুত ছিল ৫৫ লাখ ৮০০ টনের বেশি। এছাড়া নভেম্বরে ৩৯ হাজার টনের বেশি এবং ডিসেম্বরে ৬৫ হাজার টনের বেশি অকটেন আমদানি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ও জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশীয় প্লান্টগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

দেশে প্রতিমাসে ৩০ হাজার টন অকটেন ও ৩৩ হাজার টন পেট্রোলের গড় চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন থেকেই পেট্রোলের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ হয়ে থাকে।