১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫

২০১৮: যে ঘটনা জীবন থেকে মুছে ফেলতে চান তারা

  • সাইমুম সাদ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-01-02 22:05:31 BdST

bdnews24

ফেলে আসা বছরে নিজেদের জীবনের সবচেয়ে বিব্রতকর ঘটনা গ্লিটজের পাঠকদের শোনালেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী; সম্ভব হলে সেগুলো ‘জীবন থেকে মুছে ফেলতে’ চান তারা।

বাংলা চলচ্চিত্রে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ উঠা অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে বছর ছিল গত বছরটা। গত বছর মুক্তি পেয়েছে তার ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’, ‘জান্নাত’, ‘মনে রেখো’, ‘পবিত্র ভালোবাসা’, ‘মনে রেখো’সহ আরও বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। কিন্তু কোনোটিই দর্শকরা গ্রহণ করেননি। বরং অনেক চলচ্চিত্রই হল থেকে নেমে গেছে সপ্তাহের মাথায়।

তাই ‘ফ্লপ’ বছরটাকে আগাগোড়ায় নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলতে এ নায়িকা।

“ক্যারিয়ারের হিসেবে বছরটা খুবই বাজে গেছে। আমি চাইব ২০১৮ সালটাই জীবন থেকে মুছে যাক। আমি মনে করতে চাই, গত বছর আমার কোনও সিনেমাই রিলিজ হয়নি। কোনও ভাবেই বছরটাকে মনে রাখতে চাই না।”

ব্যর্থতাকে পাশ কাটিয়ে নতুন উদ্যমে শুরু করতে চান নতুন বছরটা। নতুন বছরে তার একটাই চাওয়া, “দশ-বারোটা কাজ আর করব না; এই বছর একটা সিনেমা করব আর সেটাই ক্লিক করবে।”

চলতি বছরটা মিস ওয়ার্ল্ড-বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার কল্যাণে আলোচনার প্রাদপ্রদীপে উঠে আসা জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর চোখে স্বপ্নের মতো কাটলেও ছোট্ট একটি ঘটনা এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় তাকে।

কী সেই ঘটনা?

সবে ১৮ পেরোনো এ তরুণী বললেন, “একটি ভিডিওর কারণে মিউ ওয়ার্ল্ডে অনেকটা পিছিয়ে গেছি। এই ঘটনাটি ভুলে যেতে চাই কিন্তু এটিই মাথায় আসছে বারবার।”

‘অসুস্থতার কারণে’ ভিডিও পরিপূর্নভাবে নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি জানালেন তিনি। তার ব্যক্তিগত ধারণা, ভিডিওটি মোটেই ৫০ ভাগের মতো কাজ করেছে। ঠিকঠাকভাবে নির্মাণ করা গেলে চীনে আয়োজিত মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় আরও ভালো কিছু হতে পারত তার জন্য।

সেই আক্ষেপ নিয়েই গ্র্যান্ড ফিনালে সেরা ৩০ থেকে সেরা ১২তম হয়ে দেশের ফেরেন ঐশী।

আক্ষেপ ভুলে মাহির মতো ঐশীও নতুন উদ্যমে বছরটা শুরু করেছেন বলে জানালেন। বছরটাকে ঘিরে ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন , “অটিস্টিক শিশুদের জন্য একটি ফাউন্ডেশনের স্বপ্ন ছিল আমার। এই বছরই কাজটি করতে চাই। এখানে বাচ্চাদের পড়াশোনা ও স্কলারশীপের ব্যবস্থা করতে চাই। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজেও লাগাতে চাই। এর জন্য আর্থিক ও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা দরকার।”