অভিজ্ঞতা আছে বলেই সত্য বলতে পারি: স্বাগতা

  • রুম্পা সৈয়দা ফারজানা জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-02-21 11:14:12 BdST

bdnews24

ভালোবাসা দিবসের কাজ নিয়ে কথার শুরু কথা জিনাত সানু স্বাগতার সঙ্গে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলাপে আসে সিনেমা - নাটকের পরিস্থিতি- প্রতিবন্ধকতা এবং তার অভিজ্ঞতার নানা মোড়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের গ্লিটজের আমন্ত্রণে হাজির হয়ে  অকপটে জানালেন যা ভাবেন সেটাই। 

ইউ গট দ্যা লুক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মিডিয়ার যাত্রা শুরু। এরপর কেটে গেছে পনোরটি বছর। নাচে, গানে, বড়পর্দায়, ছোট পর্দায়, ওয়েবকন্টেন্টে - সব ক্ষেত্রে রেখেছেন প্রতীভার স্বাক্ষর।  

প্রথমেই ভালোবাসা দিবসের কাজ নিয়ে কথা বলে তিনি ফিরে গেলেন গানে। গান সাধনার বিষয় বলেই আপাতত নিজের ব্যান্ড মহাকাল নিয়ে যাত্রাটাকে থামিয়ে রেখেছেন। কিন্তু আদতে সুর ছাড়েননি তিনি।

জানালেন, একটি মঞ্চ নাটকের নির্দেশনা দিচ্ছেন স্বাগতা। সেটিও সুরনির্ভরেই বটে। তাহলে কি করে আর সুর থেকে দূরে সরে থাকা!

এরপর সিনেমার প্রসঙ্গে আসতেই জানালেন তার যাত্রা শুরু হওয়ার সময়কার পরিস্থিতির কথা। হয়তো তখন সিনেমার ঐ ভাষাটা অনুপস্থিত ছিল যে ভাষাটা তিনি চেয়েছিলেন থাকুক তার জীবনে। তাই বড় পর্দাতে তিনি অনিয়মিত হলেও অনুপস্থিত ঠিক ছিলেন না। বরং এখন অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে করছেন নিজের সঙ্গে মানায় এমন সিনেমা।

অকপটে বললেন, সিনেমার সেই পরিস্থিতি তার দৃষ্টিভঙ্গীতে ‘সুস্থ’ ছিল না। এক্ষেত্রে তিনি এক ‘নায়ক’তন্ত্রকে উল্লেখ করলেন। তবে তিনি সিনেমােই করতে চান।

কারণ মাত্র তিন বছর বয়সে যিনি সিনেমায় অভিনয় করেছেন- তিনি সিনেমা থেকে দূরে থাকবেন- এমন হতেই পারেনা। এমনটাই হেসে জানান এই অভিনয় শিল্পী।

নাটকের সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি সোজাসাপ্টা বলেন, ‘সিন্ডিকেট করে যাদের মেধা নিয়ে নিজেদের শঙ্কা আছে।’

‘তবে এটা সত্য - কোনও সিন্ডিকেট কোনও শিল্পীর ক্ষতি করতে পারে না। বরং সিন্ডিকেটের কারণে কোনও শিল্পীকে বেশি দেখা গেলে তার উতা্তর দর্শকই দেয়’- বলে হেসে উত্তর দিলেন স্বাগতা। 

তবে শেষ অবধি স্বাগতা সকল প্রতিবন্ধকতা প্রতিহত করতে সদা প্রস্তুত - সেটাও বললেন হেসে। কারণ যে কাজ করবে- সে করবেই। মেধাকে কেউ আটকে রাখতে পারে না- বলে জানান তিনি।

জিনাত সানু স্বাগতা যিনি নিজেকে মিডিয়ার মানুষ বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তার কাছে মিডিয়া ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দুই বটে।

একারণেই সব ব্যস্ততায় পাশাপাশি  চারটি বছর ধরে স্বাগতা কাজ করছেন বাংলাদেশ বেতারেও। কণ্ঠ নিয়ে ‘কারবার’ তার বেশ বিস্তৃতই বলা চলে।

সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা এবং মেধা দিয়ে বাকী পথটা সাজাতে চান স্বাগতা আরও নতুন রূপে। যেখানে ফুল থাকবে আবার কাঁটাও হয়তো থাকবে। কিন্তু তাই বলে কাঁটা ফেলে মালা গাঁথা শেষ হবে না।