‘সারভাইভালের’ পথ খুলবেই: সেলিম

  • গ্লিটজ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-27 22:42:30 BdST

bdnews24
ছবি: ফেইসবুক থেকে নেওয়া।

করোনাভাইরাসের ধাক্কায় নাটক ও চলচ্চিত্র শিল্পের চলমান সঙ্কট কাটিয়ে নতুন পথ খোলার প্রত্যাশা করছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রায় আড়াই মাস ধরে সব সিনেমা হল বন্ধ রয়েছে; বন্ধ রয়েছে চলচ্চিত্র, নাটক ও বিজ্ঞাপনের শুটিং।

সারভাইভালের প্রশ্নে ঘরে বসেই ‘কোয়ারেন্টিন’ শিরোনামে একটি অনলাইন কনটেন্ট বানিয়েছেন সেলিম।

তিনি বলেন, “করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবের মধ্যে সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। ঘরে বসে জুমের মাধ্যমে ডিরেকশন দিয়ে যার যার ঘর থেকে মোবাইল ফোনে কনটেন্টটি বানিয়েছি। এটি খুব চ্যালেঞ্জিং আর নতুন অভিজ্ঞতা।”

তবে এভাবে ঘরে বসে দুয়েকটি কনটেন্ট নির্মাণ করা গেলেও পুরো ইন্ডাস্ট্রির কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রের এ নির্মাতা।

তিনি আশা করছেন, নির্মাতা ও কলাকুশলীদের ‘সারভাইভালের’ প্রশ্নে শুটিংয়ে কোনো না কোনো উপায় বের হবেই।

“ইউনিট ছোট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিংয়ের উপায় বের করতে হবে। না হলে আমরা সারভাইভ করতে পারব না। যত ক্রিটিক্যাল সময়ই আসুক না কেন একটা একটা একটা উপায় বের হবেই।

“লাইট, ক্যামেরা, আর্ট ডিরেক্টর নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। সঙ্কটকালে আপাতত ঘরে বসে শুটিং করা গেলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি কন্টিনিউ করা সম্ভব না।”

ইউনিট ছোট করে নিজের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে সেলিম বলেন, “খেয়ে পড়ে বাঁচতে চাইলে কাজ করতে হবে; ঘরে বসে কেউ খাওয়াবে না। নির্মাতাদের পেনশন নাই। আমাদের নগদ টাকাও জমার সুযোগ সুবিধা থাকে না। বিজ্ঞাপন যারা বানায় তাদের জমানো টাকা থাকতে পারে। সারভাইভালের প্রশ্নে বুদ্ধি বের করতেই হবে। সামনের বাস্তবতা কেউই জানি না। যে অবস্থার মধ্যে পড়ব সেই অবস্থা বুঝে কৌশল নির্ধারণ করব।”

ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আলফা-আই স্টুডিওর ব্যানারে তিনিসহ মোট ৭ নির্মাতা ৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ঈদের দিন থেকে রাত থেকে টানা সাতদিন সাড়ে ৯টায় সেগুলো দীপ্ত টিভিতে প্রচার হচ্ছে।

 


ট্যাগ:  সাক্ষাৎকার