কোভিড: সীমান্ত জেলাগুলোর অবস্থা কতটা খারাপ?

  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-06-09 01:23:59 BdST

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ কে এম জাহিনের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। ছুটিতে সেখানে গিয়ে সোমবার বিকেলে চেম্বারে বসে ১৫ জন রোগী দেখেছেন তিনি। তাদের মধ্যে ১৪ জনই এসেছিলেন জ্বর নিয়ে।

এই চিকিৎসক ফেইসবুকে লিখেছেন, “করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী দেখে আশ্চর্য হয়েছি। বলতে পারেন এ ধরনের রোগীর স্রোত। তবে অনেকেই টেস্ট করাতে রাজি হচ্ছেন না, এমনকি তারা মানতেও রাজি নন যে তাদের কোভিড হতে পারে।”

কেবল ঠাকুরগাঁও নয়, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জেলার পরিস্থিতিই এরকম।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের বিস্তারে সংক্রমণের নতুন ‘হটস্পট’ হয়ে উঠেছে ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলো, কিন্তু পরীক্ষার সংখ্যা কম হওয়ায় পরিস্থিতির আসল চিত্র মিলছে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ওই তিন বিভাগ মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৩৩১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা দেশের আট বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর ৫৭ শতাংশের বেশি।

অথচ এই তিন বিভাগে গত এক দিনে সব মিলিয়ে ৬ হাজার ৪৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যা সারা দেশে মোট পরীক্ষার ৩২ শতাংশের মতো।

ফলে পরীক্ষা বেশি হলে এই তিনি বিভাগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত বলেই চিকিৎসকদের ধারণা।

তারা বলছেন, দেড় বছর ধরে দেশ মহামারী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেলেও মানুষকে এখনও করোনাভাইরাসের বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন করা যায়নি। অনেকেই ভয়ে থাকেন, সংক্রমিত হওয়ার খবর জানাজানি হলে সামাজিকভাবে তারা একঘরে হয়ে পড়বেন। অসুস্থ হয়েও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে গিয়ে তারা আরও বেশি ছড়াচ্ছেন করোনাভাইরাস।

চিকিৎসকদের ওই বক্তব্যের প্রতিধ্বনি পাওয়া গেল বাগেরহাট পৌরসভার হাড়িখালি এলাকার মাদ্রাসা শিক্ষক আসলামুল হকের কথায়।

আসলাম ও তার স্ত্রী এক মাস আগে জ্বরে আক্রান্ত হন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অনেক রোগীর যেমন হয়, তেমনি তাদেরও স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি লোপ পেয়েছিল।

পরে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে থেকেই ওষুধ খান ওই দম্পতি। ১৭ দিন পর তারা সুস্থ হন। তবে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা আর করাননি।

কেন করাননি জানতে চাইলে আসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “করোনা পজিটিভ হইলে পরে লাল পতাকা তুলবে বাড়িতে, পাড়া-প্রতিবেশী আত্মীয় স্বজন সবাই জানবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের গোগর এলাকার গৌরাঙ্গ দাসের স্ত্রীও গত মাসে জ্বরে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি খাবারের স্বাদ ও গন্ধও পাচ্ছিলেন না।

পরিচিত একজন চিকিৎসককে ফোন করলে তিনি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু পরিস্থিতি তেমন ‘খারাপ না’- এই বিবেচনায় তারা আর পরীক্ষা করাতে যাননি।

গৌরাঙ্গ বলেন, “এই পরীক্ষা করাতে কত ভেজাল। লাল পতাকা দিবে, সবাই জানবে। ভয় তো আছেই।”

গ্রামের পরিস্থিতি শঙ্কাজনক

জেলা শহরের বাসিন্দাদের জন্য করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও বিস্তীর্ণ গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের জন্য বিষয়টি তেমন নয়। ফলে চাইলেও অনেকের পরীক্ষা করানোর উপায় নেই।

তাছাড়া বড় শহরের মানুষ মহামারীর যে ভয়াবহতা দেখেছে, গ্রামের সাধারণ মানুষের সেই ধারণা নেই। ফলে এ ভাইরাস নিয়ে গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা তাদের অনেকের মধ্যে কাজ করছে।

অসুস্থ হলে অনেকে চিকিৎসকের কাছেও যাচ্ছেন না। নিজেরাই ওষুধের দোকান থেকে জ্বর কাশি কমানোর ওষুধ কিনে খাচ্ছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা বাজারে ওষুধের ফার্মেসি চালান মাকসুদুর রহমান রতন। তিনি বলছেন, গত কিছুদিন ধরে তার দোকানে যারাই আসছেন, তাদের চার ভাগের তিন ভাগই আসছেন করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে।

“কারও জ্বর, কারও বা কাশি, কারও ঠাণ্ডা লেগেছে। তাদের ওষুধের পাশাপাশি করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছি, তবে অনেকেই তা করছে না।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামালও জানালেন, গত কিছুদিন ধরে দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে নতুন রোগী পাওয়া যাচ্ছে বেশি।

“এসব গ্রামের বাসিন্দাদের বিনা কারণে ঘরের বাইরে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। আমরা উপসর্গ থাকলেই পরীক্ষা করাতে বলছি। তবে অনেকে আসছেন না, এমন কথাও আমরা শুনতে পাচ্ছি।”

রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে চলছে করোনাভাইরাসের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা

রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পে চলছে করোনাভাইরাসের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা

দামুড়হুদা উপজেলার গরু হাটগুলোর খ্যাতি রয়েছে ওই অঞ্চলে। ভাইরাসের প্রার্দুভাব বেড়ে গেলে ৬ জুন হাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানান চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, “আমার জেলার মধ্যে গত কিছু দিনে দামুড়হুদা উপজেলাতেই বেশি রোগী পাওয়া যাচ্ছে। বেশি ঝুঁকির গ্রামগুলোতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে রোগী দেখে ঢাকায় ফেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ কে এম জাহিন বলেন, তিনি যাদের দেখেছেন, তাদের ৮০ শতাংশই সীমান্তবর্তী ও সদর উপজেলার গ্রামগুলো থেকে আসা। রোগীরা তাকে বলেছেন গ্রামের ঘরে ঘরে মানুষের জ্বর হচ্ছে। যাদের অবস্থা খারাপ হচ্ছে, তারাই কেবল ডাক্তার দেখাতে আসছেন।

“অনেকে ৬/৭ দিনের জ্বর নিয়ে আসছেন। প্রবল ক্ষুধামান্দ্য ও দুর্বলতায় আক্রান্ত হওয়ার পরই তারা ডাক্তারের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এদের অনেকেই এসেছেন হঠাৎ মাথা ঘোরার সমস্যা নিয়ে। এসব করোনাভাইরাসের উপসর্গ।”

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক হাবিব এ রসুল লিটনও জানালেন, গত কিছুদিন ধরে জ্বরের রোগী বেড়েছে তার হাসপাতালে।

“জ্বর নিয়ে যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই গ্রামের মানুষ। তাদের অনেকে ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে ভাল হচ্ছেন। আর যাদের একটু বেশি সমস্যা হচ্ছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, তারাই কেবল শহরে ডাক্তারের কাছে আসছেন।”

এক ফেইসবুক পোস্টে চিকিৎসক লিটন লিখেছেন, ‘...এতদিন করোনা গ্রামে হচ্ছে না বলে আত্মতুষ্টিতে যারা ভুগছিলাম, তাদের বলি, যা রোগী পাচ্ছি ৬০ শতাংশ গ্রামের। খুব দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ৫/৭ দিন আগেও এত খারাপ অবস্থা ছিল না। খুব দ্রুত রোগীরা খারাপও হচ্ছে।... হাসপাতালের আইসোলেশন মোটামুটি ভর্তি হয়ে যাচ্ছে।”

অনেকের উপসর্গ নেই, অনেকে গোপন করছেন

সীমান্ত জেলা নওগাঁয় ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছিল ঈদের পর থেকেই। দৈনিক শনাক্ত রোগী বাড়তে থাকায় ৩ থেকে ৯ জুন নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় লকডাউনের বিধিনিষেধ জারি করে জেলা প্রশাসন।

প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই জেলায় শনাক্তের বাইরে থেকে যাওয়া আক্রান্তের সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা পেতে স্বাস্থ্য বিভাগ রবি ও সোমবার নওগাঁ সদরসহ ১১ উপজেলায় দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে পথ চলতি মানুষের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা চালায়।

দুই দিনে জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৫৮০ জনের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। তাতে ৮.০৮ শতাংশ মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে, যদিও তাদের বেশিরভাগ উপসর্গহীন ছিলেন।

নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আবু হানিফ বলেন, নানা কারণে যারা করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেননি, এরকম বিভিন্ন বয়সের পথচারী, যানবাহনের যাত্রী, ছাত্র/ছাত্রী, দিনমজুর, চা-পান দোকানীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনা খরচে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করিয়েছিলেন তারা।

“পরীক্ষার ফলাফল দেখে মনে হয়, জেলায় আনসিন এবং উপসর্গ আছে এমন আক্রান্তের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৩ থেকে ৫ শতাংশও হতে পারে।”

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তারেক হোসেন বলেন, উপসর্গ আছে, অথচ বাড়িতে লকডাউনের ভয়ে পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা গোপন করছেন- এমন ব্যক্তির সংখ্যা কিন্তু কম নয়। তাছাড়া উপসর্গবিহীন আক্রান্তরাও আছেন।”

একই ধরনের কথা বললেন বাগেরহাট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা সুব্রত দাস।

“আমার কাছে আসা রোগীদের মধ্যে অনেকেই আসছেন উপসর্গ নিয়ে। পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে বলা হলে তারা উল্টে বলছেন, তেমন কিছু নয়, এটা মৌসুমি জ্বর। ওষুধ খেলে দুদিনেই ঠিক হয়ে যাবে। শিক্ষিত, অশিক্ষিত সব ধরনের মানুষের মধ্যেই করোনার উপসর্গ গোপন করার প্রবণতা লক্ষ্য করছি।”

প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অনেকের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখতে পাওয়ার কথা জানালেন বাগেরহাট সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ডা. এস এম শাহনেওয়াজও। তার অভিজ্ঞতাও মোটামুটি একই রকম।

“নমুনা পরীক্ষার কথা বললে তারা এড়িয়ে যান। তাদের মধ্যে একটা ভয়, যদি এই রোগের কথা প্রতিবেশী-স্বজনেরা জানতে পারে, তাহলে একঘরে হয়ে যেতে হবে। এই ভয়ে তারা নমুনা পরীক্ষা করাতে নারাজ। ভয় দূর করতে নিজের বেঁচে থাকার জন্য যে পরীক্ষাটা করা জরুরি, তা বুঝিয়েও লাভ হয়নি।”

রাজশাহী বরেন্দ্র মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. গোলাম রাব্বানী চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালেও প্র্যাকটিস করেন।

তিনি জানান, তার কাছে গড়ে প্রতিদিন ১৫ জন রোগী করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আসেন। তাদের চিকিৎসাপত্র দেওয়ার আগে কোভিড পরীক্ষা করাতে বলা হয়। কিন্তু তাদের এক-তৃতীয়াংশই পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হন না।

“কেউ ভয়ে করেন না, আবার অনেকের কাছে আর্থিক বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই সপ্তাহে পরীক্ষার হার কিছু বেড়েছে, তবে গ্রামাঞ্চলের বিরাট অংশ এখনও পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হচ্ছে না।”

ব্যর্থতা কোথায়?

মহামারীর শুরুর দিকে ‘বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট ভয়ের বিস্তার ও আতঙ্কের উৎস সন্ধান’ শীর্ষক এক গবেষণা কাজে যুক্ত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজীব নন্দী।

তার মতে, করোনাভাইরাস নিয়ে সরকারের সচেতনতামূলক বার্তাগুলো জনগণের কাছে ‘আরও গ্রহণযোগ্য করে’ উপস্থাপন করা যেত।

পাঁচটি কেইসস্টাডি ভিত্তিক ওই গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে রাজীব বলেন, “করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ফলে সমাজে একটা উল্লেখযোগ্য ভীতির সঞ্চার হয়েছে। এই ভয় অতিমারীকে আরও জটিল করে তুলছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত তথ্যের প্রবাহ এবং যোগাযোগে সমন্বয়হীনতা।”

ওই ‘সমন্বয়হীনতার’ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “হঠাৎ আলোচনায় আসা লকডাউন, আইসোলেশন, হোম কোয়ারেন্টিন– এসব শব্দগুলো সমাজে ফলপ্রসূ যোগাযোগ ঘটাতে পারেনি। যে ভাষায় পোস্টার, নোটিস জারি করা হয়েছে বা প্রচার চালানো হয়েছে, টেলিভিশন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করা হয়েছে, তা আরও কার্যকর করা যেত।”

স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষা বাড়ানোর জন্য মানুষকে যেমন সচেতন করা দরকার, তেমনি আতঙ্কের পরিবেশও দূর করা প্রয়োজন। লাল পতাকা লাগিয়ে একঘরে করে ফেলা সমাধান নয়, বরং সবাইকে বোঝাতে পারলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

মহামারী নিয়ন্ত্রণে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআরকে পরামর্শ দিয়ে আসা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, “যারা উচ্চ সংক্রমণশীল এলাকায় আছে, তাদের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিন যেন কার্যকরী হয়, সেই বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে তাদের মধ্যেই অনেকে সংক্রমিত, যারা হয়ত শনাক্ত হচ্ছে না, কিন্তু তাদের শনাক্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাদের ঘরে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই আর সংক্রমণ ছড়াবে না।”

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নওগাঁ, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি]