পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

কেশ পরিপাটির ১০ উপায়

  • লাইফস্টাইল ডেস্ক,, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2016-11-23 19:04:11 BdST

bdnews24

ঘুম থেকে উঠেই দেখলেন চুল উশকোখুশকো। শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার দিয়ে ঠিক করারও সময় নেই। এমন পরিস্থিতির জন্য রয়েছে কিছু সহজ উপায়।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে অগোছালো চুলগুলো কিছুটা গুছিয়ে রাখার সহজ কয়েকটি পন্থা উল্লেখ করা হয়।

ড্রাই শ্যাম্পু: চুলে তেল চিটচিটেভাব ঝটপট দূর করতে ড্রাই শ্যাম্পু বিশেষ উপযোগী। চুলের গোড়ায় খানিকটা শ্যাম্পু স্প্রে করে আলতো ভাবে মালিশ করে নিতে হয়। দুতিন মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেললেই চুল ঝরঝরে হয়ে যাবে।

অল্প তেলের ব্যবহার: চুলের উশকোখুশকোভাব দূর করতে ক্যাস্টর অয়েল বেশ উপকারী। হাতে কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর তেল নিতে চুলে বুলিয়ে নিন। চাইলে অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলও নেওয়া যেতে পারে। খুব অল্প পরিমাণে তেল নিতে হবে নয়তো চুল চিটচিটে হয়ে যেতে পারে।

ঝটপট কোঁকড়া চুল: চুলের স্টাইলে ভিন্নতা আনতে কোঁকড়া চুলের জুড়ি নেই। ‍তবে এর প্রক্রিয়াটি বেশ সময় সাপেক্ষ। চুল দুই ভাগ করে ঝুঁটি বানিয়ে কার্লারের সাহায্যে চুল কোঁকড়া করে নিন। এভাবে সময় তুলনামূলক কম লাগবে।

চুলের আগা ছাঁটা: লম্বা চুল দেখতে আকর্ষণীয় হলেও আগা ফাটা চুল মোটেই সুন্দর নয়। তাই যখনই মনে হবে আগা ফাটার মাত্রা বেড়েছে তখনই চুল ছেঁটে নিতে হবে। আর কাটতে না চাইলে চুল কিছুটা রোল করে এমনভাবে পেঁচিয়ে নিতে হবে যেন ফাটা আগাগুলো লুকিয়ে রাখা যায়।

খোঁপা: এলোমেলো চুল সামলে রাখতে সব থেকে উপযোগী হল খোঁপা। যে কেনো স্টাইলে খোঁপা করে নিলেই অগোছালো চুলের ঝঞ্ঝাট থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

চুলের ঘনত্ব বেশি দেখাতে: মাথার সঙ্গে চুল লেপ্টে থাকা দেখতে মোটেও ভালো দেখায় না। যাদের চুল পাতলা তারা এই সমস্যায় ভোগেন আরও বেশি। তবে কিছু সহজ টোটকা চুল কিছুটা ফোলা এবং ঘন দেখাতে সাহায্য করে। এ জন্য ভেজা চুল উল্টে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। এতে চুল গোড়া থেকে কিছুটা ফোলাভাব আসে। এছাড়া ‘টিজিং কোম্ব’ দিয়ে চুল উল্টো করে আচড়ে নিলেও চুল ফুলে থাকে কিন্তু নিয়মিত ওইভাবে চুল আঁচড়ালে চুলের ক্ষতি হয়।

বেণি: এলোমেলো চুল গুঁছিয়ে রাখতে বেশ উপযোগী উপায় হল বেণি করে রাখা। যেদিন মনে হবে চুল ঠিক মনের মতো নেই সেদিন যে কোনো স্টাইলে বেণি করে নিতে পারেন।

ব্যাংস ঠিক করে নেওয়া: সামনের ছোট চুল বা ব্যাংস এলোমেলো হয়ে থাকলে বা পেঁচিয়ে থাকলে দেখতে মোটেও ভালো লাগে না। সেক্ষেত্রে চট জলদি সমাধান হল- হাতে খানিকটা পানি নিয়ে সামনের চুলগুলো কিছুটা ভিজিয়ে, চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।

চুল সব সময় পরিপাটি থাকবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। তাই মাঝে মাঝে চুলের প্রতি বাড়তি নজর দিতে হয়। তবে উপরের কোনো একটি পদ্ধতি করারও সময় না থাকে তবে, সাধারণত যেদিকে চুলের সিঁথি করেন তার উল্টা দিকে সিঁথি করে নিন। এতে চুলের স্টাইলেও পরিবর্তন আসবে এবং চুলেও ফোলাভাব আসবে।

ছবি: রয়টার্স।