‘লকডাউনে’ যা সংগ্রহে রাখা উচিত

  • লাইফস্টাইল ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-04-07 18:02:02 BdST

bdnews24
ছবি: রয়টার্স।

করোনাভাইরাসের জন্য ঘরে আবদ্ধ থাকতে হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংরক্ষণে রাখা উচিত যেন যতটা সম্ভব কম বাইরে যেতে হয়।

জীবনযাপন-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে মহামারীর সময় যে সকল পণ্য সংরক্ষণে রাখা উচিত তা জানানো হল।

শুকনা খাবার: প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার যেমন- চাল, আটা, ময়দা, ডাল, বিন, মটর ইত্যাদি সংরক্ষণে রাখুন। ওটস বা অন্যান্য শস্য  পরবর্তী ১৪ দিনের জন্য সংরক্ষণ করুন। 

টিন-জাত খাবার: ক্যান বা টিনের কৌটা-জাত খাবারের পুষ্টিমূল্য নিয়ে আত্মবিশ্বাস থাকলে মেয়াদ ঠিক মতো দেখে নিয়ে পছন্দসই ক্যান-জাত খাবার সংরক্ষণে রাখতে পারেন। চাইলে ক্যান-টুনা, ফল ও সবজি কিনতে পারেন। 

‘ফ্রোজেন ফুড’: যারা বাসায় বাড়তি নাস্তার ঝামেলায় যেতে চান না কেবল তারা ‘ফ্রোজেন ফুড’ কিনে রাখতে পারেন। এটা রান্নার ঝামেলা কমিয়ে দেয় এবং দ্রুত খাবারের নিশ্চিত ব্যবস্থা করে।

তাজা খাবার: রেফ্রিজারেইটরে জায়গা থাকলে তাতে অনেকদিন ভালো থাকে এমন ফল ও সবজি কিনে সংরক্ষণে রাখতে পারেন। কাজ চালানোর জন্য আলু ও পেঁয়াজ কিনে রাখতে পারেন এবং তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।

প্যাকেট ও বোতল জাত খাবার: দুধ বা ফলের জুস কিনতে চাইলে মেয়াদ দেখে নিন। এছাড়াও রান্নার তেল সংরক্ষণ করার কথাও মনে রাখতে হবে। 

শুকনা ফল ও বাদাম: পুষ্টির চাহিদা পূরণে কিছু বাদাম, শুকনা ফল, খেজুর বা শুকনা বেরি সংরক্ষণে রাখতে পারেন। এছাড়াও সূর্যমুখীর বীজ, চিয়া, কুমড়ার বীজ ইত্যাদি সংরক্ষণে রাখতে পারেন। এসব ফল, বীজ ও বাদাম মিশিয়ে স্বাস্থ্যকর বাস্তা বানানো যায়।

মুখরোচক খাবার: এই সময় যখন তখন পছন্দের খাবার হাতের কাছে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজের পছন্দ মতো চকোলেট, চিপ্স, বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার সংরক্ষণে রাখতে পারেন। তবে তা যেন পরিমিত হয়। এছাড়া চা ও কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তাও সংরক্ষণে রাখা ভালো।

সাবান ও জীবাণুনাশক: মহামারীর সময় জীবাণুনাশক অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তাই ঘরে প্রয়োজনীয় সাবান, স্যানিটাইজার, কাপড় ধোয়ার ডিটারজেন্ট, ঘর পরিষ্কারের জীবানুনাশক ইত্যাদি কিনে রাখতে পারেন।

শিশুর প্রয়োজনীয় জিনিস: বাড়িতে শিশু থাকলে তার প্রয়োজনীয় খাবার, ডায়াপার ও অন্যান্য জিনিসপত্র কিনে সংরক্ষণে রাখতে পারেন।

পোষা প্রাণির যত্ন: বাড়িতে পোষা প্রাণি থাকলে তার জন্য পর্যাপ্ত খাবার সংরক্ষণে রাখুন। এছাড়াও তার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যও সংরক্ষণে রাখুন। 

প্রতিদিনকার ওষুধ: নিজের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখে নিন। প্রয়োজনীয় ওষুধ কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য সংরক্ষণ করুন।

সংযুক্ত থাকুন: প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য যে বাইরে যেতে হবে তা নয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাজার করা, চারপাশের খোঁজ রাখা আত্মিয়স্বজন, সহকর্মী বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।

 

আরও পড়ুন

পেঁয়াজ সংরক্ষণের উপায়  

দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে যা সংরক্ষণ করা উচিত  

খাবার অনেক্ষণ টাটকা রাখার পন্থা  

মহামারীর সময়ে নিরাপদে বাজার করতে  

যেসব খাবার এক সঙ্গে রাখা উচিত নয়