পূজা-পার্বণে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে

  • তৃপ্তি গমেজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-10-25 14:38:45 BdST

bdnews24
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবারের দুর্গাপূজায় উৎসবের রঙ নেই। বৃহস্পতিবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের পূজা মণ্ডপ ছিল এমন ফাঁকা।

অনুষ্ঠানের দিনগুলোতে আমরা অনেকেই খানিকটা গা ছাড়া দেই।

মানে উৎসবের দিনগুলোতে পরিচিত অনেক মানুষ একসঙ্গে হওয়ায় সুরক্ষার বালাই থাকে না বললেই চলে, এতে বেড়ে যায় সংক্রমণের ঝুঁকি।

পূজার দিনগুলোতে সুরক্ষিত থাকার বিষয়ে পরামর্শ দেন সাভারের বিজিএমই হাসপাতালের ডাক্তার লিন্ডা সমদ্দার।

তিনি বলেন, “আমরা অন্যান্য দিনগুলোতে সতর্ক থাকলেও অনুষ্ঠানে খানিকটা অসতর্ক হয়ে যাই। যেমন সেজেগুজে বাইরে গেলে ছবি তোলার একটা প্রবণতা কাজ করে। আবার, মাস্ক খুলে যেখানে সেখানে রাখা, বা সঠিক উপায়ে রাখা হয় না এতে মাস্কে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।” 

তাছাড়া বাইরে গিয়ে সারাক্ষণ হাত স্যানিটাইজ করা হয় না। বিশেষ করে যখন মাস্ক খোলা ও পরার আগে। তাই হাতে ময়লা ও জীবাণু থাকলে তা সহজেই মাস্কে প্রবেশ করে আক্রান্ত করার আশংকা থাকে।

আবার অধিকাংশ সময়েই মোবাইল ফোন হাতে রাখা হয় এবং তা বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে আসে, এতেও ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।

এসকল বিষয়ে সতর্ক করে এই চিকিৎসক বলেন, “যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলা উচিত এবং মাস্ক না খোলাই ভালো। যদি একান্তই মাস্ক খোলার প্রয়োজন পড়ে তাহলে ভিড় নেই এমন জায়গা বেছে নেওয়াই উচিত।”

এছাড়াও বাইরে গিয়ে মাস্ক পরা ও খোলার সময়ের হাতের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন, ডাঃ লিন্ডা।

হাতের মোবাইল যেন যেখানে সেখানে রাখা না হয়। আর তা স্পর্শ করার ক্ষেত্রেও যতটা সম্ভব সতর্ক হয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “বাইরে থেকে বাসায় ফিরে যত দ্রুত সম্ভব পোশাক পরিবর্তন করতে হবে। সম্ভব হলে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। সাবান ও শ্যাম্পু ব্যবহার করে গোসল করা উচিত। এতে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। সব শেষে নিয়মিত গরম পানিতে কুলকুচি করা ও গরম পানি পান করতে হবে।”

নিজেরা সচেতন হলে ভাইরাসের সংক্রমণ ও প্রকোপ অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন এই চিকিৎসক।

আরও পড়ুন

রেস্তোরাঁয় ভাইরাসের ঝুঁকি সামলানোর উপায়  

শৌচাগারের ‘ফ্লাশ’ থেকে ভাইরাস সংক্রমণ  

হাত মুছতে টিস্যুই বেশি কার্যকর  

মহামারীর সময়ে খাবার ভাগাভাগিতে সতর্কতা  


ট্যাগ:  প্রতিবেদন