পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

মানসিকভাবে উদাসীন সঙ্গীর লক্ষণ

  • লাইফস্টাইল ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-02-24 13:22:41 BdST

bdnews24

প্রেমে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত থাকলে সে সম্পর্ক টিকে থাকা কঠিন।

সঙ্গী মানসিকভাবে সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় এমন ইঙ্গিত পেলে আপনার উচিত হবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা। সময় নিতে হবে, যাচাই করতে হবে যার সঙ্গে সম্পর্কে যাচ্ছেন সে এই ব্যাপারে কতটুকু আগ্রহী।

সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানান হল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেমিক বা প্রেমিকা যদি মানসিকভাবে সম্পর্কের প্রতি উদাসীন হয়, তবে কেমন হতে পারে তার বহিঃপ্রকাশ।

খোলামেলা আলোচনায় অনীহা: ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার মাঝে আগ্রহের কমতি দেখা যায়। এমনকি দুজনের মধ্যকার কোনো সমস্যার সমাধানেও তার অংশগ্রহণ থাকে কম। শারীরিক অসুস্থতা, ব্যস্ততা ইত্যাদি নানা অজুহাতে আলোচনা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা চোখে পড়বে। দুজনের সম্পর্কে থাকার পরও নিজেকে একা মনে হতে পারে। কারণ এমনও হতে পারে সঙ্গী আপনার আবেগকেও গুরুত্ব দেয় না।

ব্যক্তিগত সময়ের চাহিদা বেড়ে যাওয়া: সম্পর্কে থাকলেও দুজনের কিছু ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন থাকবেই। তবে একাকী সময়ের চাহিদা যদি বেশি হয়ে গেলে নেপথ্যের সমস্যা হতে পারে নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতায় অনীহা। সম্পর্কে সময় দিতে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন। তার কাছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজের স্বাধীনতা। 

সম্পর্ক নিয়ে জানাজানি করতে অনীহা: সঙ্গী যদি নিজেদের সম্পর্কের কথা জানাজানি করতে না চায়, বা মানুষের সামনে তুলে ধরতে চায় সে কোনো সম্পর্কে নেই, তবে তা বেশ গুরুতর হুমকি। এমনটা তুলে ধরতে চাওয়া পেছনের কারণটা হতে পারে সে আসলেই আপনাদের মধ্যকার সম্পর্কে অনুপস্থিত। এমন সম্পর্ক কখনই স্বাস্থ্যকর নয়। আর এর কোনো ভবিষ্যতও নেই।

সম্পর্কের মাঝে খুঁত বের করার চেষ্টা: সম্পর্কের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি, মতের অমিল থাকবেই। তবে সকল সমস্যাতেই যদি তুলকালাম কাণ্ড বাঁধে, একে অপরকে দোষারোপ করার মতো পরিস্থিতি দাঁড়ায়- তবে ইঙ্গিতটা ভিন্ন। সম্পর্কে মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন সঙ্গী ভুল খোঁজার চেষ্টা করবে, যাতে সেই ভুলটাকে ব্যবহার করে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা যায়।

নিজের প্রয়োজনে আপস নয়: প্রতিটি সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হল পরস্পরের প্রতি ত্যাগ স্বীকার ও আপস। আর এই আত্মত্যাগগুলো দুজনার পক্ষ থেকেই হতে হবে, না হলে সম্পর্কে সফলতা আসে না। তবে সঙ্গী যদি কোনো ধরনের আপস করতে রাজি না হয়, সবকিছু তার মন মতো হতে হবে- এমন পরিস্থিতি দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সে সম্পর্কে অংশগ্রহণ নয় বরং নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। আর সেটা তার স্বার্থের জন্য। সবসময় সেই হতে চাইবে সম্পর্কের মধ্যমনি।

আরও পড়ুন

দীর্ঘদিনের সম্পর্কে একঘেয়েমি দূর করতে  

সফল সম্পর্কের জন্য যা জরুরি  

সুখী দাম্পত্যের ১০ উপায়