২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

গর্ভাবস্থায় জলীয়ভাব

  • কামরুন নাহার সুমি, আইএএনএস/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2014-09-25 20:25:29 BdST

bdnews24

গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মহিলাই স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং শারীরিক সুস্থতার প্রতি মনযোগী থাকেন। এই সময়ে দেহে পর্যাপ্ত জলীয়ভাব আছে কিনা তা পরীক্ষা করাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফিমেলফার্স্ট ডট কো ডট ইউকের এক রিপোর্টে বলা হয় - গর্ভাবস্থায় বা শিশুদের স্তন্যদানের সময় নারীদের সাধারণের তুলনায় শরীরে বেশি পরিমাণে পানীয়ভাব প্রয়োজন হয়। এছাড়াও শিশুকে ঘিরে রাখা অ্যামনিওটিক ফ্লুইড গঠন, ‘ব্লাড প্লাসমা’র পরিমাণ বাড়াতে এবং বুকের দুধ তৈরিতে পানির প্রয়োজন হয়।

শরীরে সঠিক মাত্রার পানীয়ভাব গর্ভাবস্থার কিছু সমস্যা উপশমে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় হাইড্রেইশনের গুরুত্ব বোঝাতে ‘নিউট্রেশন ইন দ্যা চাইল্ডবিয়ারিং ইয়ার্স’-এর লেখক এমা ডার্বিশায়ার এ সম্পর্কে কিছু টিপস দেন।

* পানীয় হিসেবে পানি পান করা মায়ের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। তাছাড়া পানি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং ক্যালোরি ও চিনি গ্রহণ করা ছাড়াই পানি রিহাইড্রেইট করতে সাহায্য করে।

* গর্ভাবস্থায় দৈনিক বাড়তি ৩শ' মিলি এবং স্তন্যদানের সময় দৈনিক বাড়তি ৭শ' মিলি পানি পান করা উচিত।

* হাইড্রেইশনের ক্ষেত্রে পানিই হওয়া উচিত প্রথম পছন্দ।

* সুপ, স্ট্যু, দই, ফল এবং শাকসবজি দেহে পানির পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

* গর্ভবতী মহিলাদের ঘন ঘন পানি পান করা উচিত। সন্তান জন্মদানের পরও মায়ের কিছুক্ষণ পর পর পানি পান করা প্রয়োজন।

* সন্তানকে দুধ পান করানোর সময় মায়ের তরল খাবার খাওয়া উচিত। তাই শিশুকে খাওয়ানোর সময় মনে করে হাতের কাছে পানি রাখতে হবে।

* গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকালীন সময়ে মহিলাদের ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উচিত।

 

ছবি সৌজন্যে: সাদাকালো।