আসবাব বিন্যাসে লক্ষণীয় বিষয়

  • তৃপ্তি গমেজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2015-01-05 17:30:17 BdST

সঠিকভাবে আসবাবপত্র না সাজালে ঘরে হাঁটাচলা করতে যেমন সমস্যা হয়, তেমন দেখতেও ভালোলাগে না। তাই ঘরের সৌন্দর্য্য বাড়াতে আসবাব বিন্যাসের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত।

এ বিষয়ে কথা বলেন ‘বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ’য়ের গৃহব্যবস্থাপনা ও গৃহায়ন বিভাগের প্রধান নাসিমা নাসরিন। তিনি জানান ঘরে আসবাব বিন্যাসের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। যেমন:

- আসবাবপত্র স্থাপনের সময় চলাচলে যেন অসুবিধা না হয় সেদিকে সবার আগে খেয়াল রাখা হবে।

- সবসময় দেয়াল থেকে কিছুটা দূরে আসবাব স্থাপন করা উচিত, যেন দেয়ালের সঙ্গে ঘষা না লাগে, কারণ এতে করে দেয়ালের রং

  নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং দাগ পড়তে পারে।

- বড় ও ভারি আসবাব বড় দেয়াল (দেয়ালের যে পাশে কোন জানালা বা দরজা নেই) এর দিকে এবং ছোটো আসবাব জানালার দিকে রাখা ভালো। যতটা সম্ভব দরজা ও জানালা বাদ দিয়ে আসবাব রাখা উচিত।

- ঘরের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য ছোট আসবাব কোনাকুনি-ভাবে রাখা যায়। তবে কখনও বড় আসবাব কোনাকোনি-ভাবে রাখা ঠিক না।

- ঘরে জায়গা কম থাকলে বহুমুখি আসবাব ব্যবহার করা উচিত।

- আসবাব বিন্যাসের ক্ষেত্রে অধিক জায়গা নষ্ট করা ঠিক নয়, তবে চলাচলের জন্য অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা রাখা উচিত।

- সোফা ও চেয়ারের সামনে দুই থেকে আড়াই ফুট এবং খাওয়ার টেবিলের চারপাশে তিন ফুট জায়গা খালি রাখা উচিত।

- আলমারি বা দেরাজ খোলার জন্য এর সামনে অন্তত চার ফুট জায়গা খালি রাখা উচিত।

- বড় সোফার সামনে বড় টেবিল বা ল্যাম্পশেইড রাখা যায়। তবে ছোটো সোফার সামনে কোন ডেস্ক বা টেবিল রাখা ঠিক নয়।

- ঘরে একই বা কাছাকাছি নকশার, উপাদানের ও রংয়ের আসবাব রাখলে দেখতে ভালো লাগে।

- ছোট ঘরে বেশি আসবাব না রাখাই ভালো এতে ঘর আরও ছোট দেখায়। সেক্ষেত্রে ঘরে কেবিনেটের ব্যবস্থা করা যায়।

- ঘরের একপাশের দেয়ালে বড় আসবাব ও অন্য পাশের দেয়ালে কেবল ছোট আসবাব না রেখে ব্যবহার অনুযায়ী বড় বা ছোট আসবাব মিলিয়ে মিশিয়ে রাখা ভালো। এতে ঘরে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে।

- ঘরের মেঝে ও ছাদের রং এবং নকশার সঙ্গে মিল রেখে আসবাব নকশা করা হলে দেখতে ভালো দেখাবে। তবে অবশ্যই সাধ্যের উপর নির্ভর করে।

- আসবাবপত্রের মাধ্যমে ঘর আকর্ষণী করা যায়। এ ক্ষেত্রে ঘরে এমন একটি আসবাব রাখতে হবে যেটি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। যেমন— ড্রয়িং রুমে সেন্টার টেবিল, বেড রুমে সো-পিস বা ল্যাম্পশেইড, ডাইনিং রুমে খাবার টেবিল বা দেয়ালের কোন আলোকচিত্রের মাধ্যমে প্রাধান্য সৃষ্টি করা যায়।

ঘর সাজাতে কার্পেট

বাঁশ-বেতের আসবাবপত্র

লেপ কম্বলের দরদাম

ঘরের সৌন্দর্যে পর্দা

আকর্ষণীয় ছোট রান্নাঘর

পুরানো আসবাবপত্রের খোঁজে