পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

কোভিড-১৯: ভারতে আড়াই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন দৈনিক শনাক্ত

  • নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-06-15 13:57:55 BdST

bdnews24

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কবল থেকে বের হয়ে আসতে থাকা ভারতে টানা আট দিন ধরে দৈনিক শনাক্ত এক লাখের নিচে রয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সকালের আগের ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৬০ হাজার ৪৭১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল, এই অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে সংক্রমণের সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলায় দেশটির রাজ্যগুলো শক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

নতুন সংক্রমণের সংখ্যা কমে আসায় দিল্লি, হরিয়ানাসহ আরও কয়েকটি রাজ্য লকডাউনজনিত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সেখানে জারি থাকা লকডাউনের মেয়াদ আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়েছে।

একই দিন ভারতে আরও ২৭২৬ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশটির কোভি-১৯ জনিত মৃত্যুর সংখ্যা তিন লাখ ৭৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যুর সংখ্যায় বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

এপ্রিলের প্রথমদিকে দেশটিজুড়ে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে শুরু করে। ৭ মে সকালের পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় চার লাখ ১৪ হাজারেরও বেশি রোগী শনাক্ত হওয়ার মধ্যে দিয়ে দৈনিক শনাক্তের বিশ্বরেকর্ড করে দেশটি। এরপর থেকে রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করার পর মঙ্গলবার আড়াই মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হল।

টানা আট দিন ধরে দেশটিতে পজিটিভির হার পাঁচ শতাংশের নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর হার ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ ছিল।

নতুন সংক্রমণের সংখ্যা কমে আসায় দিল্লি, হরিয়ানাসহ আরও কয়েকটি রাজ্য লকডাউনজনিত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ জারি করা লকডাউনের মেয়াদ আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়েছে।

টিকা কর্মসূচীর আওতায় ভারতজুড়ে এ পর্যন্ত ২৫ কোটিরও বেশি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে ১০৮ কোটিরও বেশি বাসিন্দাকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ কোটি ছাড়িয়ে গেছে আর মৃত্যু হয়েছে ৩৮ লাখেরও বেশি মানুষের।

সংক্রমণ হ্রাস পেলেও মাস্ক পরা ও জীবাণুনাশক ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার ও এর অন্যথা হলে বিপদ ঘটতে পারে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।