পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

মিয়ানমারের মান্দালয়ে শিক্ষার্থীদের জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ

  • নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2021-07-31 15:03:24 BdST

bdnews24
জাপানের টোকিওতে অলিম্পিক চলাকালে ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের বাইরে মিয়ানমারে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। ফাইল ছবি। রয়টার্স থেকে নেওয়া

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের ৬ মাস পূর্তির প্রাক্কালে মান্দালয়ে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছে শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট কয়েকটি দল।

শনিবার নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও এনেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলে নেয়। ১ অগাস্ট তার ৬ মাস পূর্তি হতে যাচ্ছে।

তার আগে শনিবার দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দল মোটরবাইক চালিয়ে মান্দালয়জুড়ে লাল ও সবুজ রংয়ের পতাকা উড়িয়ে সেনাশাসনের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মিয়ানমারে বেসামরিক শাসন ফেরাতে দরকষাকষির অংশ হিসেবে সামরিক জান্তার সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

“রক্তখেকোর সঙ্গে মধ্যস্থতা নয়,” লেখা ছিল তাদের হাতে থাকা এক প্ল্যাকার্ডে।

শনিবার নিউ ইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও বিরোধীদের গ্রেপ্তারে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর যে ধরনের সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে এবং নির্যাতন, খুনসহ যে ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে তা মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশনগুলোর লংঘন।

“মিয়ানমারের জনগণের ওপর এসব হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ; যারা এর জন্য দায়ী তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত,” বিবৃতিতে বলেছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস।

মানবাধিকার সংগঠনটির এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানতে মিয়ানমার সামরিক জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর ওপর নজর রাখা সংগঠন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্সের (এএপিপি) হিসাবে মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৯৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে মারা পড়েছে ৯৩৯ জন।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী শুরু থেকেই এএপিপি’র দেওয়া নিহতের সংখ্যা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। তারা তাদের বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে সন্ত্রাসী অ্যাখ্যা দিয়েছে; সংবিধান অনুযায়ীই ক্ষমতা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।