২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত: হাছান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2019-02-20 18:19:54 BdST

bdnews24
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। (ফাইল ছবি)

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠনের অপরাধে বিএনপিরও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বুধবার দুপুরে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য দেশের মানুষের কাছে  ‘ক্ষমা না চাওয়ার’ কারণ দেখিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি লন্ডন থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে দল ছাড়ার ঘোষণা দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রাজ্জাক।

হাছান মাহমুদ বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি যে জামায়াতে ইসলামীর ভেতর থেকে দাবি উঠে এসেছে ক্ষমা চাওয়ার। তাদের কয়েকজন নেতা ঘোষণা দিয়েছে পদত্যাগ করার। 

“আমি মনে করি এই পদত্যাগের ঘোষণা বা তাদের মধ্য থেকে ক্ষমা চাওয়ার যে কথাবার্তা বলা হচ্ছে এগুলো দেশি-বিদেশি চা মুক্ত হওয়ার একটি কৌশল।”

তবে ক্ষমা চাইলেও একাত্তরের অপরাধের জন্য জামায়াতের দায়মুক্তি নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

“জামায়াতে ইসলামী দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও  মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা, গণহত্যা- অগ্নিসংযোগ ও নারী নির্যাতন থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। দায়মুক্তি পাবে না।”

এসময় জামায়াতের রাজনৈতিক জোটসঙ্গী বিএনপিকেও ক্ষমা চাইতে বলেন আওয়ামী লীগ নেতা হাছান।  

“তাদের (জামায়াতে ইসলামী) নিয়ে রাজনৈতিক জোট গঠন করে একসাথে নির্বাচন করা ও সরকার গঠন করার জন্য বিএনপিও একই অপরাধে অপরাধী।  বিএনপিও দায়মুক্তি পেতে পারে না। জামায়াতে ইসলামের ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত।”

তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, “আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর সমস্ত দেশ বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আজকে শেখ হাসিনার কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলতে বাধ্য হয় বাংলাদেশে সমস্ত সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে গেছে।

“অথচ আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক দল, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অগ্রযাত্রাকে টেনে ধরার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রুখে দিতে চায়, তারা নানামুখি ষড়যন্ত্র করছে।”

গোলাম রব্বানী বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান এবং ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  শাহে আলম মুরাদ।