শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতে চাই সামাজিক সংঘবদ্ধতা: বাংলাদেশ জাসদ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-03-31 19:42:55 BdST

bdnews24
করোনাভাইরাস সঙ্কটে ছুটির মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ঢাকার শ্যামলীতে টিসিবির ট্রাক থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনছে মানুষ। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

দেশে কোভিড-১৯ এর মহামারী ঠেকাতে চালু হওয়া ‘সামাজিক দূরত্ব’ শব্দবন্ধটি নিয়ে দৃশ্যত আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ।

ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে পরস্পরের দূরত্ব বজায় রাখার এই পদ্ধতিতে শারীরিক দূরত্ব হিসেবে উল্লেখ করে দলটি বলেছে, এটা নিশ্চিত করতে বরং সামাজিক সংঘবদ্ধতা গুরুত্বপূর্ণ।

নভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এক বিবৃতিতে সামাজিক সংঘবদ্ধতার আহ্বান জানান।

বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপ নেওয়া নভেল করোনাভাইরাসের দেশে ব্যাপক বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

এই সময় জরুরি প্রয়োজনে কাউকে বের হলেও ছোঁয়াচে এই রোগের সংক্রমণ এড়াতে একজন থেকে অন্যজনকে অন্তত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একে বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা।

বাংলাদেশ জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে এপর্যন্ত সীমিত সংখ্যক রোগী শনাক্ত হলেও কিছুদিনের মধ্যে অন্যান্য দেশের মতো এখানেও ব্যাপক সংখ্যায় রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। “সে ধরনের পরিস্থিতিতে রোগটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ও মহামারীকে বিলম্বিত করতে মানুষ থেকে মানুষে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে প্রধান কৌশল। কিন্তু সেটি নিশ্চিত করতে হলে পারিবারিক ও সামাজিক সংঘবদ্ধতা আরও সুদৃঢ় ও সংহত করা জরুরি।”

প্রবীণ ও দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষার পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনধারণের উপকরণ সরবরাহ করা ও বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করার জন্যও সামাজিক সংঘবদ্ধতা ‘জরুরি’ বলে মনে করেন দলটির নেতারা।

তারা বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষদের প্রতি সমাজের সহমর্মিতা ও সহযোগিতা মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য সমানভাবে আবশ্যক। এজন্যে সরকার ও সমাজের স্বচ্ছল গোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারী নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে আশা করছেন আম্বিয়া ও প্রধান।