যথাযথ প্রস্তুতি থাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম: কাদের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-21 16:38:11 BdST

bdnews24

সরকার যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “আপনারা জানেন সুপার সাইক্লোন আম্পান ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অতিক্রম করে স্থল নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক না হলেও কম হয়নি। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, যশোর, হাতিয়াসহ বেশকিছু এলাকায় জলোচ্ছাস, ঘরবাড়ি ধ্বংস, বেড়িবাঁধ ক্ষতিসহ সম্পদহানি ঘটেছে, ঘটেছে প্রাণহানি।

“যারা এই দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

তিনি বলেন, “ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে, সরকার দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীণ এবং দুর্যোগ পরবর্তী পূনর্বাসন প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসনে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।”

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ করোনার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিও মোকাবেলা করছে। তাদের দুটো চ্যালেঞ্জ অতিক্রমে পাশে দাঁড়াতে আমি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানাচ্ছি।

“আল্লার অশেষ রহমতে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রজনীতে মানুষের দোয়া এবং শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি আমাদেরকে ঘূর্ণিঝড় হতে অল্প ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে উত্তরণ ঘটিয়েছে। এর পাশাপাশি সুন্দরবান সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করেছে।

“দুর্যোগ পরবর্তী পূনর্বাসন, পানিবন্দি মানুষের সুরক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে রয়েছে।”

সামাজিক দূরত্ব না মেনে অনেকেই জেনে-শুনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

“কিছুদিন ধরে আমাদের অসাবধানতা-অসচেতনতার জন্য করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে চলছে। যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন না, অহেতুক যেখানে সেখানে সমাগম করছেন তারা-জেনে শুনেই সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছেন।”