পছন্দের খবর জেনে নিন সঙ্গে সঙ্গে

প্রবাসীর ডায়েরি: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির মিল-অমিল

  • মোমিনুল আজম, কানাডা থেকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2022-01-26 11:00:50 BdST

bdnews24
শিল্পী পল ক্লে, ওরিয়েন্টাল ব্লেস, তেলরঙ

যদি দেশের গড় আয়ু চিন্তা করে বলি, তবে দেশেই ছিলাম দুই তৃতীয়াংশ সময়। দেশের সংস্কৃতি, জীবনাচরণেই অভ্যস্ত। দেশীয় সংস্কৃতির প্রতিটি বিষয় পইপই করে উপভোগ করেছি।

এক দশকের বেশি সময় আছি প্রবাসে। এখানকার সংস্কৃতি, জীবনাচরণ খুব সতর্কতার সঙ্গে খেয়াল করি এবং তা মেনে চলারও চেষ্টা কি। নাচতে নেমে তো ঘোমটা দিয়ে লাভ নেই। মাঝে মাঝে তা দেশের সঙ্গে মেলাই, ফারাকটা চিন্তা করি। কখনও হতাশ হই, আবার কখনও দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিতে ভরে যায় বুক। গুরুগম্ভীর না, হালকা কিছু সাংস্কৃতিক বা জীবনাচরণের মিল-অমিলের কথা বলতেই এ লেখা।

আপ্যায়নে বাঙালি যে সেরা জাতি, তা মনে হয় অস্বীকার করার উপায় নেই। কত ধরনের অনুষ্ঠানে যে এ আপ্যায়ন পর্ব সারা হয়! গায়ে হলুদ, বিয়ে, বিয়েবার্ষিকী, জন্মদিন, খাতনা আরও কত কী! এসব অনুষ্ঠানের জন্য বলরুম, হলরুম, রেস্টুরেন্ট রিজার্ভ করা হয়। খাওয়া-দাওয়ার জন্য বাবুর্চি, বাজার সদাই, ক্যাটারিং। যৌতুক, উপহার, উপটৌকন তো আছেই, রাজকীয় সব ব্যাপার স্যাপার।

পাশ্চাত্যের লোকজন এতোকিছুর ধার ধারে না। তারা বিয়ের ড্রেস বানাবে ডিজাইনার দিয়ে, লিমোজিনে চড়ে বিয়েতে আসবে, কাছের খুব কম সংখ্যক লোককে দাওয়াত করবে। খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে কোন বাড়াবাড়ি নেই, তবে ড্রিংকস রাখবে বেশ দামি। বাঙালি কমিউনিটি বিদেশে এসেও দেশের কালচার খানিকটা ধরে রেখেছে, তারপরও বিয়েবাড়ির সেই কাচ্চি বিরিয়ানি, মোরগ মোসাল্লাম, জালিকাবাব, বোরহানি আর জর্দার তো দেখা পাই না এ পরবাসে।

বলা হয় ‘স্যার’ প্রথা ব্রিটিশদের সৃষ্টি। এদেশ শাসন করতে এসে তারা তাদের আভিজাত্য প্রমানের জন্য এ এলাকার লোকজনকে বাধ্য করতো ‘স্যার’ বলতে। সেটি দুশো বছরের পুরনো ইতিহাস। সেই ব্রিটিশরা ‘স্যার’ পদবি ছেড়ে দিয়েছে অনেক আগে। এখন ব্রিটেনের রানি সমাজের কিছু ডিগনিটরিজ মাঝে মাঝে ‘ স্যার’ উপাধি পান।

সরকারি চাকরি করতে এসে অভ্যস্ত হয়েছিলাম ‘স্যার’ কালচারে। সরকারি অফিসে ‘ইয়েস স্যার’ ছাড়া ‘নো স্যার’ বলতে কোন শব্দ নেই। বস ভুল করলে, ভুল বললেও বলতে হয় ‘ইয়েস স্যার’। আর্মিতে নাকি ইয়েস স্যারের সঙ্গে বুটের ‘খট’ শব্দও দিতে হয়। সরকারি অফিসের কিছু লোকতো এটি অভ্যাসে পরিণত করেছেন। তারা কথা বলেন ঠিক এভাবে ‘প্লিস স্যার, আপনি স্যার, আমাকে স্যার, একটু স্যার, দেখবেন স্যার।’ অর্থাৎ কথার আগে পিছে স্যার না বললে মনে করেন স্যারকে যথাযথ সন্মান দেওয়া হলো না। এইতো সেদিন কিশোরগঞ্জের এক ম্যাজিস্ট্রেটকে স্যার না বলায় পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয় এক সাংবাদিককে।

প্রবাসে এসে দেখলাম এর ভিন্ন চিত্র। যে যত বড় বসই হোক না কেন, সবাই সবাইকে ডাকে নাম ধরে। আমার ছেলেরা স্কুলে তার শিক্ষকদের দিব্যি নাম ধরে ডাকছে। এখানে এসে কাজে ঢোকার কয়েকদিন পরের ঘটনা। সকালবেলা অফিসে ঢুকতেই দেখা হয়ে গেল জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে। আমি ‘গুড মর্নিং স্যার’ বলে চলে গেলাম। তিনিও মর্নিং বলে কেন জানি থামলেন। আমাকে ডেকে বললেন, ‘আজম, মে বি ইউ ডন্ট নো মাই নেম, মাই নেম ইজ হার্টপ্রিট।’ আমি বুঝে গিয়েছিলাম তিনি আমাকে তার নাম ধরে সম্বোধন করতে উৎসাহিত করছেন। স্যার সম্বোধন করা মানে নাম না জানার কারণে ‘গণ সম্বোধন’ করা বুঝায়, যা এরা অসম্মানজনক মনে করে।

ভিক্ষাবৃত্তি মনে হয় সব দেশেই আছে, কোথাও বেশি, কোথাও কম, আবার ভিক্ষার বাহ্যিক রূপ দেশকালভেদেও ভিন্নতা দেখা যায়। ছোটবেলায় এক ফকিরকে দেখতাম আমাদের বাড়িতে ভিক্ষা করতে আসতেন ঘোড়ায় চড়ে। দাদার কাছে শুনেছিলাম সেই ফকিরের পূর্বপুরুষ ছিলো জমিদার। কালের বিবর্তনে তাদের সব গিয়েছে। আভিজাত্য ধরে রাখতেই নাকি সে অনেক কষ্টে এ ঘোড়াটা কিনেছিল, সেটিতে চড়েই ভিক্ষা করতো।

ঢাকা শহরে রাস্তাঘাটে, বিপনি বিতানের সামনে, ট্রাফিক সিগনালে প্রচুর ফকির দেখা যায়। তাদের অনেক রূপ, ভিক্ষা চাওয়ার ধরনও ভিন্ন। লোকাল বাসে উঠে ওয়াজ নসিহত করে অনেকে ভিক্ষার হাত বাড়ায়। উন্নত দেশগুলোতে ভিক্ষাবৃত্তি চলে না তা মনে করার কোন কারণ নেই। তবে সংখ্যা ও ধরন খানিকটা ভিন্ন। এখানেও শপিংমল, রাস্তাঘাটে, ট্রাফিক সিগন্যালে প্লাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে লোকজনকে মাঝে মাঝে ভিক্ষা করতে দেখা যায় । প্লাকার্ডের ভাষাও ভিন্ন ভিন্ন যেমন ‘হোমলেস, নিড হেল্প।’ ‘হাংরি, নিড সাম পেনি ফর ফুড।’

কিছুদিন আগে দেখেছিলাম ট্রাফিক সিগন্যালের পাশে একজন দাঁড়িয়ে আছে, নিচে কোট খুলে রাখা, হাতে প্লাকার্ড, তাতে লেখা ‘থার্স্টি, নিড সাম চেঞ্জ ফর ওয়াইন।’ লোকজনকে দেখলাম সহানুভূতির সঙ্গে নিচে রাখা কোটে ডাইম, কোয়ার্টার, লুনি ছুড়ে দিচ্ছে। দেশে এমন প্লাকার্ড হাতে দাঁড়ালে কী প্রতিক্রিয়া হতো জানি না, তবে ভিক্ষা যে পেত না সে ব্যাপারটি নিশ্চিত।

জৈবিক তাড়নার বহির্প্রকাশ হিসেবে চুমুর আবেদন দেশকালপাত্রভেদে মনে হয় একই। আমাদের দেশে মাতা-পিতা সন্তানকে, ভাই বোনকে কিম্বা বোন ভাইকে কপোলে বা গালে চুমু দিয়ে থাকে। এ চুমুর অর্থ স্নেহ আদর ভালবাসা। এ ধরনের প্রকাশ পাশ্চাত্যেও আছে। কিন্তু পূর্ণ বয়স্ক কোন পুরুষ বা স্ত্রীলোক, হোক তারা স্বামী স্ত্রী কিংবা বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড, প্রকাশ্যে ঠোঁটে চুমু দিয়ে ভালবাসা প্রকাশের দৃশ্য আমাদের সমাজে দেখা যায় না। কিন্তু পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে এটি সাধারণ একটি ঘটনা। ঘরে কিংবা বাইরে ছেলেমেয়েদের সামনে স্বামী স্ত্রী একে অপরকে চুমু দিচ্ছে। বয়ফ্রেন্ড তার মেয়ের ঠোঁটে গভীর চুমু দিচ্ছে এমন একটি ছবি তুলে নিয়ে এসে দেখিয়েছিল তার বাবা, বাবাটি আমার সহকর্মী। উচ্ছ্বসিত হয়ে আমাকে বলেছিল, তাদের মাঝে গভীর প্রেম। একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে বাবা মা যখন সন্তানদের সামনে চুম্বন করে তখন এটি সন্তানদের মাঝে মানসিক প্রশান্তি নিয়ে আসে। তারা মনে করে তাদের বাবা-মায়ের মাঝে গভীর ভালবাসার সম্পর্ক বিদ্যমান।

আমরা প্রায়ই খবরে দেখি সেলিব্রেটিদের যখন বিয়ে হয় তখন তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে গভীর চুম্বন করে। ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্যদের বিয়েতে প্রাসাদের বাইরে এ চুম্বনদৃশ্য দেখার জন্য হাজার হাজার লোকের সমাগম হয়। কোন খুশির খবরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কিম্বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডন্ট বারাক ওবামার এ চুম্বন দৃশ্য আমরা অহরহ দেখেছি। সত্তরোর্ধ এক পুরুষ গাড়িতে উঠে পাশে বসা স্ত্রীকে চুমু দিয়ে গাড়ি স্ট্রার্ট করে। এতে জৈবিক তাড়না থাকে না, যা থাকে তা হলো ভালবাসা, শ্রদ্ধা।

মানুষের ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন, কিন্তু কাজ একই রকম। সব ধর্মেই সৎভাবে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। সৎকাজের মাধ্যমে যে জীবিকা তা উত্তম জীবিকা- এই যদি সত্য হয় তাহলে পাশ্চাত্যের লোকজন সম্ভবত অধিক ধার্মিক।

কর্পোরেট অফিসের কথা জানি না, দেশে সরকারি অফিসে যে ধর্মের নামে কর্ম ফাঁকি দেওয়া হয় তা মনে হয় অস্বীকার করার উপায় নেই। পাশ্চাত্যের লোকজন প্রতিদিনের আটঘণ্টা কাজের সময় আধাঘণ্টা লাঞ্চব্রেক বাদে বাকি সময়টুকু কাজেই নিয়োজিত থাকে। তাদের উদ্দেশ্য হলো ‘কাম টু ওয়ার্ক, টু ইয়োর জব, গেট পেইড, গো হোম, ইনজয়।’

করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করার জন্য রুমে জায়গা হচ্ছিল না। রুমের এক্সটেনশন করা প্রয়োজন। একদিন সকালে গিয়ে দেখি আমাদের ম্যানেজার আরও কয়েকজনকে নিয়ে নেমে পড়েছে রুম এক্সটেনশন করতে। হাতুড়ি, করাতসহ সবকিছু নিয়ে আসা হয়েছে রেন্টাল হাউস থেকে, আর এক ম্যানেজার দোকান থেকে কাঠ ড্রাইওয়াল, দরজা কিনে নিয়ে আসলো। দুদিনেই বানিয়ে ফেললো রুম। তারপর রং, পলিশিং। কন্ট্রাকটরকে দিয়ে করাতে যা খরচ পড়তো, তার অর্ধেক খরচে হয়ে গেল রুমের এক্সটেনশন। এটি একটি উদাহরণ। ছোটবড় কোন কাজকেই কেউ অবহেলা করে না। আজ পাশ্চাত্যের দেশগুলো এতো যে উন্নত, তার কারণ মনে হয় কাজের প্রতি একাগ্রতা, কোন কাজকেই ছোট করে না দেখা আর কাজ করতে এসে ফাঁকি দেওয়ার প্রবনতা না থাকা।

দেশে গাড়ি আভিজাত্যের প্রতীক, সে গাড়ি চালায় মাইনে করা ড্রাইভার। সরকারি অফিসের গাড়িতে ওঠার সময় দরজা খুলে দিত ড্রাইভার, ওঠার পর সে দরজা বন্ধ করে পরে গাড়ি স্টার্ট করতো, অনেকটা সামন্ততান্ত্রিক সংস্কৃতি। পাশ্চাত্যে গাড়ি আভিজাত্যের প্রতীক নয়, নেসেসিটি। গাড়ির কোন ড্রাইভার নেই, নিজের গাড়ি নিজেকেই চালাতে হয়। এমনকি টরন্টোর মেয়রের নিজের গাড়ির কোন ড্রাইভার নেই।

তবে দরজা খুলে ধরার সংস্কৃতি এ সমাজেও আছে। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে বাইরে গেলে, স্বামী আগে বের হয়ে প্যাসেঞ্জার সিটের দরজাটা খুলে দাঁড়িয়ে থাকে। স্ত্রী গাড়িতে উঠার পর দরজা সাবধানে বন্ধ করে স্বামী ড্রাইভিং সিটে এসে বসে। আমার নেইবার টনিকে দেখি কোনদিন তার এ দায়িত্ব ভুলে যান না। প্র্যাকটিস না থাকার কারণে, খানিকটা লজ্জা, খানিকটা দেশীয় মধ্যবিত্ত কালচারের কারণে এ সংস্কৃতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা সম্ভব হয় না। একদিন তো পুরোই লজ্জার মধ্য পড়ে গেলাম। ডাউনটাউনে একটা হোল্ডিং নাম্বার খুঁজছি, কিছুতেই পাচ্ছি না। এটি পার্কিং জোনও না। আমি ড্রাইভিং সিটে বসা, বউ আমার গাড়ি থেকে নেমে পাশেই একজনকে জিজ্ঞেস করলো। সেই ভদ্রলোক আমার দিকে তাকিয়ে বিরক্তি নিয়ে বউকে বললো, হোয়াট হি ইজ ডুইং ইনসাইড দ্য কার?’ অর্থাৎ গাড়ি থেকে নেমে আমি কেন একথাটা তাকে জিজ্ঞেস করলাম না।

আমার কানাডিয়ান সহকর্মী সুযোগ পেলেই তার গার্লফ্রেন্ড, পরকীয়া নিয়ে আলাপ জুড়ে দেয়, রাখঢাকের বালাই নেই। আমি জানি সে বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক। ব্রেক টাইমে দেখি স্ত্রীর সঙ্গে ‘হাই হানি’ বলে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করে। আমাদের সংস্কৃতিতে এ জাতীয় কাজ কেউ যদি করে তবে তা চুপিসারেই করে। আমাদের এ সামাজিক চিত্র তুলে ধরে একদিন হ্যামিলটনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমার বউ যদি তোমার এই নষ্টামি জানতে পারে, তাহলে সে কীভাবে নেবে?’ সে একটা আঙুল দুঠোঁটে চেপে ধরে বললো, লাইফ একদম হেল হয়ে যাবে, পরের দিনই সেপারেশন। তারপর কোর্ট থেকে যে রায় আসবে, তা স্ত্রীর পক্ষেই।

পাশের শহরের এমন একটি ঘটনার কথা আমি জানি। বাঙালি স্বামী বলে স্ত্রীর পরকীয়া, আবার স্ত্রী বলে স্বামীর পরকীয়ার জন্য তাদের এ সেপারেশন। কেউ কারও সঙ্গে থাকতে চায় না। কেস কোর্টে ওঠে। কেসের রায় কী হবে তা আগেই জানা। এদেশের সব আইন মেয়েদের পক্ষে। স্থাবর সম্পত্তি বাড়িটি কোর্টের ব্যবস্থাপনায় বিক্রি হয় ৬ লাখ ডলারে। তিন লাখ করে চলে যায় দুজনার অ্যাকাউন্টে। ব্যাংক ব্যালান্স যা ছিলো তাও দুভাগ হয়ে যায়। এতেও নিষ্কৃতি হয়নি। যেহেতু তাদের নাবালক দুটি সন্তান, তারা থাকতে চায় মায়ের সঙ্গে। তাদের ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত ভরণপোষণের খরচ দিতে হবে বাবাকে।

পরকীয়া সম্পর্কিত দেশের এবং পাশ্চাত্যের যে সংস্কৃতি এবং তার যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এর মাঝে কোন পার্থক্য নেই, কিন্তু পাশ্চাত্যের সরকার নারীর জন্য যে রক্ষাকবচ দেয় সে বিষয়ে বিস্তর পার্থক্য। দেশে এমন পেক্ষাপটে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে যদি রায় স্ত্রীর পক্ষে নিয়ে আসাও যায়, স্ত্রী পাবে বিয়ের সময় ধার্যকৃত দেনমোহরানার অংকটুকু, যা সময়ের বিবেচনায় নগন্য হয়ে পড়ে।

প্রবাস পাতায় আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাস জীবনে আপনার ভ্রমণ,আড্ডা,আনন্দ বেদনার গল্প,ছোট ছোট অনুভূতি,দেশের স্মৃতিচারণ,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক খবর আমাদের দিতে পারেন। লেখা পাঠানোর ঠিকানা probash@bdnews24.com। সাথে ছবি দিতে ভুলবেন না যেন!