অলিম্পিক গ্রেটদের পরের সংগ্রাম

  • আব্দুল মোমিন, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2020-05-23 17:54:41 BdST

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া মঞ্চে উজ্জ্বল করেছেন দেশের মুখ। তাদের সৌজন্যে বেজেছে জাতীয় সঙ্গীত। তারপর? স্বপ্নের ঘোর কাটিয়ে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার পালা, এবার কী করবেন? কী করে কাটবে জীবন? জীবিকার জন্য বেছে নিবেন কোন পথ?

বর্তমান সময়ের তারকা অ্যাথলেটদের কাছে বিষয়টি অভাবনীয়। কিন্তু একটা সময় ছিল, যখন সাফল্যের চূড়ায় উঠেও কারো কারো ভাবতে হয়েছিল জীবিকা নিয়ে। কেউ আবার অন্য কোনো কারণে ভিন্ন পথে হেঁটেছিলেন। জীবনের সেই বাঁক বদলে একেক অ্যাথলেট বেছে নিয়েছিলেন একেক পথ। আজকের গল্প ১০ জন অ্যাথলেট নিয়ে, যে কিংবদন্তিরা খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর বেছে নিয়েছিলেন অন্য পেশা।

রে অরি

এমন কয়েক জন অ্যাথলেট আছেন, যাদের উঠে আসার গল্প রূপকথাকেও হার মানায়। তাদের একজন রে অরি।

পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে শৈশবের অনেকটা সময় কাটে হুইলচেয়ারে। হয়তো কখনও দুই পায়ে দাঁড়ানো হবে না, এমন শঙ্কাও জেগেছিল। দৃঢ়চেতা অরি কী দারুণভাবেই না সেই শঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করেন। কঠোর অনুশীলনে হুইলচেয়ারকে বিদায় জানান, স্ট্যান্ডিং হাই জাম্পে নিজের ভবিষ্যৎ লিখেন সোনালী রঙে।

অলিম্পিকের ইতিহাসে অন্যতম সফল ক্রীড়াবিদ যুক্তরাষ্ট্রের এই অ্যাথলেট। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞের তিন আসরে অংশ নিয়ে জিতে নেন ৮টি সোনার পদক। ১৯০০, ১৯০৪ ও ১৯০৮ আসর মিলিয়ে একক ইভেন্টে তার এই ৮ সোনার রেকর্ড পরে টপকে যান কিংবদন্তি সাঁতারু মাইকেল ফেলপস।

স্ট্যান্ডিং হাই জাম্পের রাজা ক্যারিয়ার শেষে দেখলেন জীবনের আরেক মোড়। সেই যুগে অ্যাথলেটদের আজীবন ধনী রাখার মতো জমকালো কোনো স্পন্সর ছিল না। বাড়ি ফিরে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নতুন পেশায় যোগ দেন অরি। সেখানেও ছিলেন সফল; ক্যাটসকিল পাহাড় থেকে নিউ ইয়র্কে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলায় রাখেন অবদান। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের মতো প্রকল্পে কাজ করেন তিনি।

জিম থর্প

১৯১২ অলিম্পিক ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের অপ্রতিরোধ্য এক শক্তির নাম জিম থর্প। প্রথম মার্কিন আদিবাসী হিসেবে জেতেন অলিম্পিকে সোনা। তার অ্যাথলেটিক জীবন একই সঙ্গে অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে চূড়ায় ওঠা এবং সব হারিয়ে পতনের গল্প।

স্টকহোমের সেই আসরে পেন্টাথলন (ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের পাঁচটি ডিসিপ্লিন মিলে) ও ডেকাথলনের (ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের দশটি ডিসিপ্লিন মিলে) সোনা জিতে সবাইকে তাক লাগিয়ে ‌‌‌দেন থর্প। ‌তার গলায় সোনার পদক দুটি পরিয়ে দিয়ে ওই সময়ের সুইডেনের রাজা গু‌‌‌স্তাভ পঞ্চম দেন ‘বিশ্বের সেরা অ্যাথলেট’ খেতাব।

পরবর্তীতে থর্পের বিরুদ্ধে তোলা হয় অলিম্পিকের নিয়ম ভাঙার অভিযোগ। অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার আগে পেশাদার বাস্কেটবল খেলোয়াড় হিসেবে চুক্তি করার দায়ে তার পদক ছিনিয়ে নেয় অলিম্পিক কমিটি। তার মৃত্যুর ৩০ বছর পর ১৯৮৩ সালে পদক ফিরিয়ে দেয় তারা।

আমেরিকান ফুটবল, বেসবল, বাস্কেটবল খেলা থর্প যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সংস্থাটি ‘এনএফএল’ নামে পরিচিতি পায়। এই ধাপে অবশ্য আসেনি সাফল্য, শেষ হয় হতাশায়।

৪১ বছর বয়সে খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর কোনো কাজ জুটাতে পারছিলেন না। মহামন্দার সময়ে তার জীবনে নেমে আসে দুর্যোগ। শেষের দিকে চলচ্চিত্রে ‘এক্সট্রা’ হিসেবে কাজ করেন। সেখান থেকে খুব একটা আয় হতো না। জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে ভীষণ অর্থসঙ্কটে।

ডিউক কাহানামোকু

হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে জন্ম নেওয়া এই অ্যাথলেটের ডাকনাম ‘দা ডিউক’। অলিম্পিকের তিন আসরে অংশ নিয়ে সাঁতারে জেতেন তিনটি সোনা ও দুটি রুপার পদক।

৫ জুলাই, ১৯১৩ থেকে ৫ সেপ্টম্বর, ১৯১৭ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১০০ গজ ফ্রিস্টাইলে তিনবার গড়েছিলেন বিশ্ব রেকর্ড!

তাকে বলা হয় আধুনিক সার্ফিংয়ের জনক। দেশে দেশে তার প্রদর্শনীর মাধ্যমে সার্ফিং উঠে আসে বিশ্ব মঞ্চে। তৈরি হয় ‘ডিউক: আ গ্রেট হাওয়াইয়ান’ চলচ্চিত্র।

চলচ্চিত্র জগত, রাজনীতিতে পদচারণ করা ডিউক জীবনে ব্যবসায়ী হিসেবেও নাম লিখিয়েছিলেন। কাজ করেছেন লাইফগার্ড হিসেবে। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও হয়েছিল। হনলুলু দ্বীপের শেরিফের অলঙ্কারিক পদেও ছিলেন তিনি।

পাভো নুর্মি

‘দা ফ্লাইয়িং ফিন’ নামে পরিচিত এই ফিনিশ অ্যাথলেট ১৯২০-এর দশকে ছিলেন দূরপাল্লার দৌড়ের রাজা। অলিম্পিকের তিন আসরে অংশ নিয়ে জিতে নেন নয়টি সোনার পদক ও তিনটি রুপা।

১৯২০ আসরে ১০ হাজার মিটারে সোনা জয়ের পর আরও দুটি ইভেন্টে সেরা হয়েছিলেন তিনি। পরের তিন বছরে বিশ্বের দূরপাল্লার দৌড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তিনি। গড়েন ১৫০০ মিটার থেকে ১০ হাজার মিটার পর্যন্ত অধিকাংশ ইভেন্টের বিশ্ব রেকর্ড।

১৯২৪ প্যারিস গেমসে ইতিহাসের প্রথম অ্যাথলেট হিসেবে এক আসরে পাঁচটি সোনার পদক জয়ের কীর্তি গড়েছিলেন নুর্মি। চার দিনের মধ্যে ১৫০০ মিটার, ৫ হাজার মিটার, ৩ হাজার মিটার দলগত ও দুটি ক্রস-কান্ট্রি ইভেন্টে সেরা হয়েছিলেন তিনি।

১০ হাজার মিটারের সোনা ধরে রাখতে প্রত্যয়ী ছিলেন। তার স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে তাতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেননি ফিনিশ কর্মকর্তারা। দেশে ফিরে ১০ হাজার মিটারে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন নুর্মি, যা টিকে ছিল ১৩ বছর।

৩১ বছর বয়সে ১৯২৮ আমস্টারডাম আসরে পুনরুদ্ধার করেন ১০ হাজার মিটারের সোনা। সঙ্গে জেতেন ৫ হাজার মিটার দৌড় ও ৩ হাজার মিটার স্টিপলচেজের রুপা।  

দ্বিতীয় ক্যারিয়ার হিসেবে হেলসিঙ্কিতে একটি দর্জির দোকান দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে শুরু করেন রিয়েল স্টেট ব্যবসা। এতে দারুণ সাফল্য পান নুর্মি, হয়ে ওঠেন ফিনল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ ধনী। ফ্লোরিডায় ডিজনি যেখানে তাদের প্রথম থিম পার্কটি করে, সেই জায়গা কেনার সুযোগ পেয়েও কেনেননি তিনি।

এরিক লিডেল

‘দা ফ্লাইয়িং স্কটসম্যান’ নামে পরিচিত লিডেলের জন্ম চীনে, বাবা-মা ছিলেন স্কটিশ।

তার সবচেয়ে প্রিয় ইভেন্ট ছিল ১০০ মিটার দৌড়। কিন্তু ১৯২৪ এর প্যারিস আসরে এই ইভেন্টের হিট পড়েছিল রোববার, আর প্রার্থনা করার জন্য তিনি সেদিন আর অংশ নেননি। পরদিন ৪০০ মিটারে জেতেন সোনা। ২০০ মিটারে হয়েছিলেন তৃতীয়।

ওই আসরের পর চীনে ফিরে গিয়ে মিশোনারিতে যোগ দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের একটি বন্দি ক্যাম্পে ব্রেইন টিউমারে মারা যান লিডেল।

জনি ওয়াইজমুলার

অল্প বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হওয়ার পরও জীবনযুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর আরেক গল্পের নায়ক এই মার্কিনী।

১৯২৪ ও ১৯২৮ আসরে সাঁতারে পাঁচটি সোনা জেতা ওয়াইজমুলার পরবর্তীতে দারুণ সাফল্য পান চলচ্চিত্র জগতে। ‘টারজান দা এইপ ম্যান’ মুভির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। পরে অভিনয় করেন আরও কয়েকটি সিনেমায়।

জীবনে আরও দুটি পেশার অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার। ছিলেন অপেশাদার গলফার। একটি অ্যামেচার গলফ ক্লাব খুলেছিলেন। সুইমিং পুল কোম্পানি দিয়েছিলেন। আরও কিছু ব্যবসায় নিজের নাম জড়িয়েছিলেন। কোনোটাতেই অবশ্য খুব একটা সাফল্য আসেনি।

জেসে ওয়েন্স

ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইতিহাসের অন্যতম সেরা অ্যাথলেট ওয়েন্স। ১৯৩৬ আসরে জেতেন চারটি সোনা; ১০০, ২০০ ও ৪*১০০ মিটার রিলের সঙ্গে লং জাম্পে। দুর্দান্ত সেই সাফল্যের পথে ভেঙেছিলেন দুটি অলিম্পিক রেকর্ড। লং জাম্পে গড়েছিলেন বিশ্ব রেকর্ড, যা টিকেছিল ২৫ বছর।

ওয়েন্সের কীর্তিমাখা সেই আসরে যুক্তরাষ্ট্র জিতেছিল মোট ১১টি সোনা। তবে দেশকে আকাশছোঁয়া সাফল্য এনে দিয়েও কোনো প্রতিদান পাননি তিনি। একরকম বাধ্য হয়েই অলিম্পিকের অপেশাদার প্রতিযোগিতাকে বিদায় জানিয়ে বেছে নেন শারীরিক কসরতে জীবিকার পথ।

গাড়ি ও ঘোড়ার সঙ্গে দৌড়ে অর্থ আয় করতেন তিনি। তাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল, একজন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নের জন্য এটা কি লজ্জাজনক নয়? জবাবে তিনি বলেছিলেন, “মানুষ বলে ঘোড়ার বিপরীতে একজন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নের দৌড়ানোটা মানহানিকর, লজ্জার। কিন্তু, আমি তাহলে কি করতাম? আমার চারটি সোনার পদক আছে, কিন্তু সোনার পদক তো আর খাওয়া যায় না।”

পরবর্তীতে ‘ড্রাই ক্লিনিং’-এর ব্যবসা শুরু করেন ওয়েন্স। কাজ করেন গ্যাস স্টেশনে।

১৯৭৬ সালে মেলে স্বীকৃতি। যুক্তরাষ্ট্রের ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড তাকে ‘প্রেসিডেনসিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ উপাধিতে ভূষিত করেন। পরে দেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কিংবদন্তি ওয়েন্স।

বব ম্যাথিয়াস

বাস্তব কখনও কখনও কল্পনার চেয়েও বিস্ময়কর। অভাবনীয় সাফল্যে যেন এর প্রমাণ দিয়েছিলেন বব ম্যাথিয়াস।

১৯৪৮ এর আগে কখনোই ডেকাথলনে অংশ নেননি। অথচ ১০ ডিসিপ্লিনের এই ইভেন্টে প্রথমবার অংশ নেওয়ার দুই মাসের মাথায় লন্ডন গেমসের ডেকাথলনে সোনা জিতে নেন ওই সময়ে ১৮ বছর বয়সী ম্যাথিয়াস। মূলত সেই আসরে হাই জাম্প, শট পুটে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। চার বছর পর হেলসিংকি গেমসেও ডেকাথলনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি।

অলিম্পিকে চমকপ্রদ সাফল্যের পর যোগ দেন মেরিনে, হন ক্যাপ্টেন। পরবর্তীতে হলিউডের একটি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

রাজনীতিতেও সফল ছিলেন ম্যাথিয়াস। চার মেয়াদে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচিত সদস্য। ছিলেন সিলেক্টিভ সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর।

এমিল জাতোপেক

‘চেক লোকোমোতিভ’ নামে পরিচিত এই দৌড়বিদ ১৯৫২ সালের হেলসিঙ্কি আসরে প্রথমবার ম্যারাথনে অংশ নিয়েই জিতে নেন সোনার পদক। ওই গেমসে ৫ হাজার ও ১০ হাজার মিটারেও সোনা জেতন তিনি।

এর আগে ১৯৪৮ লন্ডন গেমসে জিতেছিলেন ১০ হাজার মিটারের সোনা। ক্যারিয়ারে মোট ১৮টি বিশ্ব রেকর্ড গড়েন জাতোপেক। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত টানা ৩৮ বার ১০ হাজার মিটারে সেরা হওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন তিনি, এর মধ্যে শুধু ১৯৪৯ সালেই ১১ বার!

প্রথম অ্যাথলেট হিসেবে চেক রিপাবলিকের এই অ্যাথলেট ১০ হাজার মিটার শেষ করেছিলেন ২৯ মিনিটের কম সময়ে আর ২০ হাজার মিটার শেষ করেছিলেন এক ঘণ্টার কম সময়ে।

দেশের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে দ্বন্দে জড়ানোর আগ পর্যন্ত ছিলেন জাতীয় বীর। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে পরবর্তীতে কুয়া খননের মতো কাজে লাগানো হয় তাকে। শারীরিক শিক্ষা বিভাগে দেওয়া হয় ছোটখাট কাজ।

উইলমা রুডলফ

“চোখের পলক ফেলো না, তার সেরা হওয়াটা মিস করতে পারো, যা হবে খুবই হতাশার”-১৯৬০ সালের রোম গেমসে তাক লাগানো এই অ্যাথলেটের গতি কতটা দুর্দান্ত, তা বোঝাতেই কথাটি বলা হতো।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী দৌড়বিদ হিসেবে অলিম্পিকের এক আসরে তিনটি সোনা জিতেছিলেন তিনি। ১০০ মিটার, ২০০ মিটার ও ৪*১০০ মিটার রিলেতে সোনার হাসি হেসেছিলেন ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি লম্বা এই অ্যাথলেট।

শৈশবে অনেক রোগে ভোগা রুডলফ পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে সব বাধা দূর করে হয়েছিলেন বিশ্ব সেরা।

খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় জানানোর পর নিজের পুরনো স্কুলে শিক্ষকতা করিয়েছিলেন তিনি। কাজ করেছিলেন কোচ হিসেবেও এবং সবকিছুর মাঝে অনিয়মিতভাবে ছিলেন টিভি ক্রীড়া সাংবাদিক।


ট্যাগ:  অলিম্পিক